Indrani Halder: 'ওকে পাগলাগারদে পাঠানো উচিত!’ ট্রোলারদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কড়া জবাব ইন্দ্রাণীর
তিনি ছোটপর্দার গোয়েন্দা গিন্নী, তিনি সবার আদরের শ্রীময়ী। দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে ছিলেন। অসুস্থতার জেরে বেড়েছিল ওজন। এখন বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ফের আগের অবতারে ফিরে এসেছেন মামণিদি (ইন্ডাস্ট্রি তাঁকে এই নামেই চেনে)। ট্রোলিং নিয়ে কী বার্তা তাঁর?
সোশাল মিডিয়ার যুগে তারকাদের ট্রোল হওয়া বা নীতিপুলিশির মুখে পড়া নতুন কিছু নয়। একটু ছকভাঙা কথা বললেই সোশাল পেজে জমে নেতিবাচক মন্তব্যের পাহাড়। তবে এই সমস্ত কুরুচিকর ট্রোল বা কটাক্ষকে পাত্তা দিতে যে তিনি একেবারেই নারাজ, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার।

নেটপাড়ার নিন্দুকদের নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিয়ে ট্রোলিংকেই কৌতুকের স্তরে নামিয়ে আনলেন বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় এই মুখ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের অভিজ্ঞতা উগরে দেন অভিনেত্রী। নেটপাড়ার ট্রোলাররা তাঁকে কীভাবে বিচার করেন, সে কথা বলতে গিয়ে হেসেই গড়িয়ে পড়েন তিনি। ইন্দ্রাণীর কথায়, 'একটু মজা করে কথা বলছি বলেই হয়তো লোকে ভাবছে পাগলামো! অনেকে সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘উনি পুরো পাগল হয়ে গেছেন, উনাকে পাগলাগারদে পাঠানো উচিত!’ কেউ কেউ তো আবার এক ধাপ এগিয়ে লেখেন, ‘ইশ! লোকটা কত ভালো ছিল, চলে গেল আর কি!’' ট্রোলারদের এই ধরণের মন্তব্যের রসিক জবাব দিয়ে অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘আমি তো এখনো মরিনি, বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! আর মাথা খারাপ হওয়ার কথা বলছেন? আমার মাথাটা তো অনেক দিন আগেই গেছে!’
সাক্ষাৎকার দেওয়ার ফাঁকেই নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় হাতে চুড়ি পরে গাইতে শুরু করেছিলেন একটি জনপ্রিয় গান। কিন্তু কয়েক কলি গেয়েই হঠাৎ থেমে যান। মুচকি হেসে বলেন, ‘না না, আর গাইব না, শেষমেশ ভাইরাল হয়ে যাব!’ শোবিজের জগতে একের পর এক হিট ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দেওয়া ইন্দ্রাণী প্রমাণ করে দিলেন, ট্রোলিংকে কীভাবে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে হয়। কুৎসা কিংবা ট্রোলিংকে গায়ে না মেখে নিজের শর্তে বাঁচাই যে আসল উত্তর, তা যেন আরও একবার স্পষ্ট করে দিল তাঁর এই স্বভাবসিদ্ধ চেনা হাসি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


