'চিমড়ে পড়া চেহারা' নিয়ে ট্রোল! ইন্দ্রাণী বললেন, ‘কেমন নিষ্ঠুর, চাইছে মরে যাই…’
২২ কেজি ওজন কমিয়েছেন ইন্দ্রাণী হালদার। মাঝে ওজন বেড়ে যাওয়ার পর লোকচক্ষু থেকে একপ্রকার নিজেকে সরিয়েই এনেছিলেন। এবার অভিনেত্রীর আফশোস, ক্রমাগত তাঁকে নিয়ে নোংরা মন্তব্য করা হচ্ছে। এমনকী, অনেকেই লিখছেন ক্যানসার-ডায়াবেটিসের মতো রোগ হয়েছে তাঁর।
হঠাৎ করেই ট্রোলের নিশানায় ইন্দ্রাণী হালদার। বেশ লম্বা সময় পর প্রকাশ্যে এসে সকলকে চমকে দেন অভিনেত্রী। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বেশ অনেকখানি ওজন ঝরিয়েছেন। তবে এই ওজন কমার কারণেই নাকি বডি শেমিংয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। সম্প্রতি মিডিয়ার সামনে এসে ট্রোলারদের একহাত নিলেন তিনি।

ইন্দ্রাণী হালদারকে বলতে শোনা যায়, ‘মানুষ কেমন নিষ্ঠুর হয়! বলছে ওঁর কি ডায়াবেটিস হয়েছে? ওঁর কি ক্যানসার হয়েছে? ওঁর কি এই হয়েছে, তাই হয়েছে… লোকে কি চায় আমি ক্যানসারে মরে যাই!’
ইন্দ্রাণী হালদার আরও জানান যে, তাঁর গোটা বাড়ির লোক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তিনি তিনি এতটাই স্বাস্থ্যসচেতন যে, সঠিক লাইফস্টাইলের মাধ্যমে রোগকে দূরে রাখতে পেরেছেন। বলেন, ‘আমার গোটা বাড়ি শুদ্ধ সবাই ডায়াবেটিসে মারা গিয়েছে। কিন্তু আমি একমাত্র যার কোনোরকম রোগ নেই। না ডায়াবেটিস, না থাইরয়েড, না প্রেসার। যেহেতু আমার বাবা-ভাই-সবাই ডায়াবেটিক, আমি আরও ভয়তে নিজেকে কন্ট্রোল করেছি।’
এরপর ট্রোলারদের উদ্দেশে ইন্দ্রাণী হালদারের পরামর্শ, তাঁকে কটাক্ষ করার চাইতে এই সমস্ত মানুষরা নিজেদের শরীর নিয়ে আরও বেশি সচেতন হোক। বলেন, ‘তোরাও কর না। ডায়েট কর, জিম কর। কতরকম কমেন্ট লোকের, 'চিমড়ে পড়া চেহারা', 'চুপসে গেছেন'। তবে আমি কিছু বলিনি। আমার ফ্যান যারা তাঁরাই ঝেরে কাপড় পরিয়ে দিয়েছে।’
‘শ্রীময়ী’ ধারাবাহিক শেষ হয়ে যাওয়ার পরে নিজেকে একপ্রকার সকলের চোখের আড়ালেই রেখেছিলেন অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার। সেইসময় তাঁর ওজন বেড়ে যাওয়া নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। আসলে সেই সময় পড়ে গিয়ে কোমরে চোট পেয়েছিলেন। স্টেরয়েড ওষুধ খেতে হয়েছিল। যার প্রভাব পড়েছিল শরীরে। বন্ধ ছিল শরীরচর্চাও। সেই সময় ওজন বেড়ে প্রায় ৭৫ কেজি হয়ে গিয়েছিল। এরপর ২২ কেজি ওজন কমিয়েছেন। কার্বোহাইড্রেট ছাড়া প্রোটিনযুক্ত খাবার ছিল ডায়েটে। সঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চা। সেইসময় মোটা হয়ে গিয়েছিলেন বলে আত্মবিশ্বাসও হারিয়ে ফেলছিলেন। তাই বেশ নিষ্ঠা-সহ কমিয়েছেন ওজন।
ইন্দ্রাণী জানিয়েছেন যে, ওজন বেড়ে গিয়েছিল যেই সময়টায়, তখন কিছু কাজের অফারও এসেছিল তাঁর কাছে। তবে সেসব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ মোটা চেহারায় ক্যামেরার সামনে আসতে চাননি। তবে এখন ক্যামেরার সামনে ফিরতে প্রস্তুত। শুধু পছন্দের কাজ পাওয়ার অপেক্ষা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


