বৃহস্পতিবার সকালে বান্ধবীকে মারধর এবং দীর্ঘক্ষণ ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে অন্যতম ইনফ্লুয়েন্সার ননসেন্স ওরফে শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে। গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত এক তরুণীকে ফ্ল্যাটে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ ওঠে, যে অভিযোগের ভিত্তিতে বেহালা থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে বান্ধবীকে মারধর এবং দীর্ঘক্ষণ ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে অন্যতম ইনফ্লুয়েন্সার ‘ননসেন’ ওরফে শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে। গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত এক তরুণীকে ফ্ল্যাটে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ ওঠে, যে অভিযোগের ভিত্তিতে বেহালা থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়।
অবশেষে গ্রেফতার ননসেন শমীক
FIR দায়ের করার পর থেকেই খোঁজ শুরু হয় শমীকের, কিন্তু বাবা মাকে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। অবশেষে দমদম থেকে আটক করা হয় তাঁকে। থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে এই ইনফ্লুয়েন্সারকে।
২২ বছরের এক তরুণী পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে জানান, গত সোমবার বিকেলে তিনি শমীকের ফ্ল্যাটে যান। রাত নটা নাগাদ তিনি ফ্ল্যাট থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটকে দেওয়া হয়। মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। এরপরই নাকি তাকে মারধর করতে শুরু করেন শমীক।
খুনের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি শ্লীলতাহানি করা হয় ওই তরুণীকে। তবে সব থেকে বড় অভিযোগ, শমীকের অভিভাবকরা ফ্ল্যাটে থাকাকালীন এই পুরো ঘটনাটি ঘটেছে। থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে সারা শরীরের ক্ষত প্রমাণ স্বরূপ দেখান ওই তরুণী।
তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে ন্যায় সংহিতার ১২৭ (২), ১১৫ (২), ৭, ৪ এবং ৩৫১ (২) ধারায় মামলার রুজু হয়েছে ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে। সায়কের পর আবার এক ইনফ্লুয়েন্সারকে নিয়ে রীতিমত তোলপাড় নেটপাড়া।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বটন নামের একটি ভিডিওর সুবাদে সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন শমীক। তাঁর সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়েছিলেন সকলে। কিন্তু তার কিছুদিনের মধ্যেই এমন একটি অভিযোগ উঠে আসায় সকলে সত্যিই বিস্মিত।