Jacqueline Fernandez: ‘রক্ষক যখন হেনস্থাকারী’, জ্যাকলিনের সাথে ‘অসভ্যতা’ বডিগার্ডের, সমালোচনার ঝড় নেটপাড়ায়
মুম্বইয়ের এক ইভেন্টে ভক্তদের সাথে ছবি তোলার সময় জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের বডিগার্ড তাঁর কবজি ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, যা ক্যামেরায় বন্দি হতেই নেটপাড়ায় সমালোচনা তুঙ্গে।
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় শোরগোল। গত রবিবার মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জ্যাকলিন। আর সেখানেই ঘটে এক বিতর্কিত ঘটনা, যার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটিজেনরা। ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, অনুষ্ঠান চত্বরে অনুরাগীদের সাথে দেখা করার সময় জ্যাকলিনের নিজের বডিগার্ডই হঠাৎ তাঁর কবজি চেপে ধরে স্টেজের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

বডিগার্ডের এমন ‘অভদ্র’ আচরণে নেটপাড়ায় তীব্র সমালোচনা শুরু হলেও, জ্যাকলিন যেভাবে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ভক্তদের আবদার মিটিয়েছেন— তা প্রশংসিত হচ্ছে সর্বত্র।
কবজি ধরে টানাটানি, অস্বস্তিতে জ্যাকলিন
‘ইনস্ট্যান্ট বলিউড’-এর শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে জ্যাকলিনকে দেখামাত্রই তাঁর সাথে সেলফি তুলতে এবং ছবি তুলতে ভিড় জমান একঝাঁক অনুরাগী। ভক্তদের নিরাশ না করে জ্যাকলিন যখন হাসিমুখে পোজ দিতে যান, তখনই ঘটে বিপত্তি। অভিনেত্রীর বডিগার্ড আচমকাই জ্যাকলিনের কবজি চেপে ধরেন এবং তাঁকে ফ্যানদের থেকে দূরে সরিয়ে স্টেজের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন।
ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, বডিগার্ডের এই আচরণে জ্যাকলিন বেশ অস্বস্তিতে পড়েন এবং হাত দিয়ে ইশারা করে বডিগার্ডকে থামতে বলেন। বডিগার্ডের বাধা সত্ত্বেও তিনি নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে ভক্তদের সাথে সেলফি তোলেন ও কথা বলেন।
‘স্পর্শ করার অধিকার কে দিল?’— বডিগার্ডকে ধুয়ে দিল নেটপাড়া
ভিডিওটি ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা বডিগার্ডের আচরণের কড়া সমালোচনা করেছেন। একজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘খুবই খারাপ ব্যবহার। এই বডিগার্ডের ওঁর প্রতি কোনও সম্মান নেই। ওঁর কবজি এভাবে চেপে ধরার কী দরকার ছিল? উনি স্পষ্ট অস্বস্তি বোধ করছিলেন।’ একজন স্পষ্ট লেখেন, ‘রক্ষক যখন হেনস্থাকারী’।
অন্য একজন লিখেছেন, ‘সুরক্ষা দেওয়া ভালো কথা, কিন্তু জ্যাকলিনকে এভাবে স্পর্শ করার অধিকার ওকে কে দিল? ছোঁয়া ছাড়াও দূর থেকে নিরাপত্তা দেওয়া যায়।’ অনেকেই জ্যাকলিনের প্রশংসা করে লিখেছেন, “জ্যাকলিন কত দয়ালু এবং মিষ্টি, উনি বডিগার্ডের বাধা সত্ত্বেও ফ্যানদের সময় দিলেন।”
রক্ষাকবচ নাকি বডিগার্ডের ডিউটি? পাল্টা যুক্তি অনেকের
নেটিজেনদের একাংশ অবশ্য বডিগার্ডের পাশেও দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের মতে, তারকাদের নিরাপত্তার খাতিরেই বডিগার্ডদের আগে থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া থাকে। এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, 'ওদের কড়া নির্দেশ দেওয়া থাকে যে সেলিব্রিটিরা ফ্যানদের সাথে যতই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন না কেন, ভিড় এড়াতে বডিগার্ডদের সবসময় তাঁদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ও স্রেফ নিজের কাজ করছিল।'
জ্যাকলিনের আসন্ন ছবি
ব্যক্তিগত জীবনের এই বিতর্কের মাঝেই জ্যাকলিন এখন ব্যস্ত তাঁর আগামী বড় প্রজেক্ট ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর রিলিজ নিয়ে। আহমেদ খানের পরিচালনায় এই মাল্টিস্টারার ছবিতে অক্ষয় কুমার, দিশা পাটানি, রভিনা ট্যান্ডন, লারা দত্ত, সঞ্জয় দত্ত, আরশাদ ওয়ারসি এবং সুনীল শেট্টি সহ একঝাঁক তারকা রয়েছেন। ‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির এই তৃতীয় পর্বটি আগামী ২৬ জুন (২০২৬) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।
ছবিটি নিয়ে পরিচালক আহমেদ খান জানিয়েছেন, এটি কোনও সাধারণ বা স্ল্যাপস্টিক কমেডি নয়, বরং এটি একটি গভীর পরিস্থিতিভিত্তিক ডার্ক হিউমার জঁর ছবি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


