‘বড় নেতারা কিন্তু মারপিট করে না…’! বার্তা নওসাদ সিদ্দিকীর, দেবের দাদাগিরি জিতে কত টাকা পেলেন
এই মুহূর্তে দেবের দাদাগিরি রমরমিয়ে চলছে। দর্শকরাও ভালোবাসায় ভরিয়ে রেখেছেন এটিকে। সম্প্রতি দাদাগিরিতে একইমঞ্চে দেখা গিয়েছিল নওসাদ, মোস্তাফিজুর, সজল, কৌস্তভ, মদন, কুণালদের-- যা এখন টক অফ দ্য টাউন।
আপাতত দাদাগিরি এপিসোডে যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উপস্থিত হয়েছিলেন, সেটা নিয়ে চর্চা থামারই নাম নিচ্ছে না। নওসাদ সিদ্দিকি, সজল ঘোষ, মদন মিত্র, মোস্তাফিজুর রহমানদের একই মঞ্চে উপস্থিতির হ্যাংওভার কাটিয়েই উঠতে পারছে না দর্শক। তারই মাঝে নওসাদের একটি বার্তা ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নওসাদকে একটি ভিডিয়ো বার্তায় বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় আপনারা দিয়েছেন। আমরা দাদাগিরির মঞ্চে ছিলাম। আপনারা দেখেছেন। আপনারা এই এপিসোড থেকে কী পেলেন? আমি ৩০ হাজার টাকা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এই টাকাটা কী করব পরে বলব। ৫ হাজার টাকা এপিসোড চাম্পিয়ন। ২৫ হাজার টাকা দ্রুত পয়েন্ট পাওয়ার জন্য। আর কিছু গিফট দিয়েছে।’
‘দেখুন এই স্টেজটাকে। আমি ৫ বছর আগে থেকে বলে আসছিলাম না, বড় নেতারা মারপিট করে না। ছোট নেতারা বুথে মারপিট করে। কুণালদা ভোটের ময়দানে কোস্তভদাকে ছাড়ে না। সজল ঘোষকে আমি ভোটের ময়দানে এক ইঞ্চি ছাড়ব না। আবার সজল ঘোষের স্ত্রী যখন ফোন করছেন, আমি হাসিমুখে কী বললাম, ‘এখন পর্যন্ত সজলদা ঠিক আছে। তেমনই মোস্তাফিজুরদাও কোনোদিন এক ইঞ্চি জমি ছাড়বে না মদন মিত্রকে।’ তৃতীয়জন লেখেন, ‘একদম বাস্তব একটা কথা। কটা মানুষ মনে রাখে এসব। বা কটা নেতাই বা স্বীকার করে।’ অন্য জন লেখেন, ‘আর ছোট নেতারা একে-অপরকে দেখলেই মারপিট শুরু করে দেয়।’ নওসাদের সঙ্গে সহমত নেটিজেনরা। একজন লিখলেন, ‘নেতার মধ্যে এই লোকটাই সত্য কথা বলে।’ দ্বিতীয়জন লেখেন, ‘এই লোকটার মুখ আর মুখোশ এক! স্যালুট ভাইজান।’
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফ প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন নওসাদ। ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি তাঁর দাদা আব্বাস সিদ্দিকী ‘ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট’ (ISF) নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং নওসাদকে দলের চেয়ারম্যান বানান। তাঁর প্রাথমিক ও প্রারম্ভিক পড়াশোনা সম্পন্ন হয়েছে হুগলির জাঙ্গিপাড়ায়। এরপর আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। নৌশাদের বয়স এখন ৩৩। অবিবাহিত এই সাংসদ বর্তমানে বহু মহিলার ক্রাশ। বিশেষ করে দাদাগিরিতে আসার পর থেকে আরও বেড়েছে মহিলা অনুরাগী সংখ্যা। দাদাগিরিতে এসে দেবের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে মেনেও নিয়েছেন যে, তিনি সিঙ্গেল। কোনো বিশেষ মানুষ নেই তাঁর জীবনে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


