‘ক্ষমা করলাম, আপনাদের সুমতি হোক…’! বিগ বস বাংলা থেকে ভরত ফিরতেই কাদের উদ্দেশে লিখলেন জয়শ্রী
মঙ্গলবারও লম্বা একটি পোস্ট করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গে একটা ভিডিয়ো, বিগ বস বাংলা থেকে বেরনোর পর, কলকাতা এয়ারপোর্ট থেকে ভরতকে আনতে যাওয়ার।
স্বামী ভরত কলের বিগ বস বাংলা থেকে ভোট আউট হওয়া এখনো মেনে নিতে পারছেন না জয়শ্রী। মঙ্গলবারও লম্বা একটি পোস্ট করলেন সোশ্যালে। সঙ্গে একটা ভিডিয়ো, কলকাতা এয়ারপোর্ট থেকে ভরতকে আনতে যাওয়ার।

ভিডিয়ো শেয়ার করে লিখলেন, ‘আমার আর আরিয়ার মনের ইচ্ছে হয়তো পূরণ হল না। তবুও একটা কথা বলব, তুমি একজন ফাইটার, তুমি একজন সত্যিকারের মানুষ, তুমি একজন রিয়েল হিরো, তুমি একজন ভালো মনের মানুষ। তুমি সবার মন জয় করে নিয়েছ। অনেকেরই এভিকশন হয়েছে, কিন্তু হাউসমেটদের চোখে এমন দুঃখ আগে দেখিনি, যতটা তোমার বেরিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম। এটাই প্রমাণ করে, তুমি কতটা ভালোবাসা অর্জন করেছ। যাঁরা তোমাকে চেনেন না, তাঁরা আমাকে কমেন্টে অনেক খারাপ কথা লিখেছেন। তাঁদের বলছি, ক্ষমা করে দিলাম। আপনাদের সুমতি হোক। অনেক ভালো কিছু তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। লক্ষ্মীপুজোর দিন আমার নারায়ণ আমার বাড়িতে ঢুকল! Love you, @Bharatkaul।’
ভিডিয়োয় ভরত কলের মেয়ে আরিয়াকে বলতে শোনা যায়, ‘কাল আমার খুব মনখারাপ ছিল। তবে তারপর নিজেকে বুঝিয়েছিলাম, বাড়ির লোক বাড়িতে ফিরছে। আজকে ফিরছে, ভেবেছিলাম কিছুদিন পরে ফিরবে। তবে এখন আমরা ভীষণ খুশি।’ এরপর এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় ভরতকে। এদিকে ভরত বাড়ি ফেরায় জব্বর খুশি তাঁর পোষ্য সারমেয় চিনি। যাকে কোলে তুলে আদর করেন অভিনতা। এরপর হাত জোড় করে ঠাকুরের সামনে করেন প্রার্থনা।
এক সাক্ষাৎকারে আরিয়া জানিয়েছে, ভরত কলের এভিকশনের খবর যখন তাঁদের ঘরে এসে পৌঁছয় তখন প্রাইভেট টিউশন চলছিল তাঁর। মায়ের কান্না শুনে মাঝপথেই থামাতে হয় পড়া। একসময় ভরতকে দ্বিতীয় বিয়ে করায় কম কটাক্ষে পড়েননি স্ত্রী জয়শ্রী। কখনো ‘মেয়ের বয়সী’ বলে কটাক্ষ শুনেছেন, আবার কখনো শুনেছেন ‘টাকার জন্য বিয়ে’ করেছেন। তবে ভরতকে বিগ বস হাউজে থাকাকালীন প্রতি মুহূর্তে বাইরে বসেই লড়াই চালাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। অনবরত ভোট প্রার্থনা, ভরতের সঙ্গে বিগ বসের ঘরে কোনো অন্যায় হলে, তার প্রতিবাদ করা, স্বামীর সমর্থনে ভিডিয়ো বানানো, বিগ বস না গিয়েই যেন হয়ে উঠেছিলেন বিগ বস বাংলার অংশ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


