‘অভিনেতা জিতের কোনও ছবি নেই…’! ৪ তলা বাড়িতে তিন ভাইয়ের একত্রবাস, কী বললেন তারকা
২০০২ সালে হরনাথ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘সাথী’ সিনেমায় অভিনয় করে তিনি রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান জিৎ। অভিনেতা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, বাড়িতে কখনোই তারকা ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয় না।
আপাতত সিনেমাহলে রমরমিয়ে চলছে বাংলার সুপারস্টার জিতের সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’। ছবি যে শুধু দর্শক ও সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে তা নয়, বরং প্রেক্ষাগৃহে দুর্দান্ত ব্যবসা করছে। বেশ কিছু নামি বাংলা সিনেমাকেও ফেলেছে পিছনে। তবে গোটা বাংলার মানুষের প্রিয় এই তারকা, বাড়িতে কিন্তু একেবারেই ‘তারকা-খ্যাতি’ পান না। বরং জিতের দাবি, তাঁর বাড়ির কোথাও তাঁর সিনেমার কোনো ছবি, কোনো পুরস্কার নেওয়ার ছবি পর্যন্ত নেই।

জিতের বাবার নাম মিঠু দাস মদনানী এবং মায়ের নাম শারদা দেবী মদনানী। তিনি একটি সিন্ধি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁরা তিন ভাই। যৌথ পরিবার। সকলে একসঙ্গে থাকেন। এমনকী, সিনেমায় আসার আগে পারিবারিক ব্যবসাতেই যোগ দিয়েছিলেন।
এক সাক্ষাৎকারে জিতের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাগত জীবনের মধ্যে সুইচ অফ আর সুইচ অন কর কীভাবে? এটা কি খুব সহজ?’ যাতে জিৎ বলেন, ‘হ্যাঁ আমার জন্য খুব সহজ। বারবরই তাই করে এসেছি কারণ আমার বাড়িতে কেউ আমাকে ওইভাবে ট্রিটই করে না যে আমি একজন হিরো। আমাকে বাড়িতে সম্পর্কের ভিত্তিতেই ট্রিট করা হয়। আর আমি চাই যে আমার সঙ্গে এমনটাই করা হোক।’
‘আর আপনি শুনলে হয়তো অবাক হবেন, হতে পারে খুশিও হবেন, আমার বাড়িতে বা আমার বাড়িতে বা আমার অফিসে, যেখানে আমি বসি, আমাদের চারতলা বাড়ি, যেখানে আমরা তিন ভাই, তাঁদের সন্তান, তাঁদের স্ত্রী, মা-বাবা সবাই একসঙ্গে থাকি, সেই বাড়িতে কোথাও অভিনেতা, সুপারস্টার জিতের কোনো ছবি পাবেন না। আমার কোনো সিনেমার, আমার কোনো সাফল্যের কোনো ছবি ওখানে নেই।’, আরও বলেছিলেন জিৎ।
২০০১ সালে ‘চান্দু’ নামের একটি তেলুগু সিনেমার মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় পা রাখেন। তবে জিতের ভাগ্য বদলে দেয় ২০১২ সালের হরনাথ চক্রবর্তীর সিনেমা সাথী। ‘নাটের গুরু’, ‘বন্ধন’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘যুদ্ধ’, ‘ওয়ান্টেড’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘বস’ এবং ‘চেঙ্গিজ’-এর মতো বহু ব্যবসা সফল ও জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। এমনকী, প্যান ইন্ডিয়া রিলিজ করেছিল চেঙ্গিজ। অভিনোর শেষ ছবি কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত ৯ দিনে প্রায় দু কোটি টাকার কাছাকাছি ব্যবসা করে ফেলেছে। যদিও বাজেট অনুযায়ী এর গতি অনেক ধীর। কারণ রিপোর্ট বলছে, প্রায় ৬ কোটি খরচে তৈরি হয়েছিল কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


