Jeetu-Ditipriya: ‘আমার হরমোন অত গাঢ় নয় যে…’! দিতিপ্রিয়াকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই কী জবাব জীতুর?
চিরদিনই তুমি যে আমার ধারাবাহিকে কাজ করার সময় দিতিপ্রিয়া রায়ের সঙ্গে বিতর্কে জড়ান জীতু কমল। এতদিন পরে পুরনো বিতর্ক নিয়ে কী বললেন অভিনেতা?
চিরদিনই তুমি যে আমার ধারাবাহিক দিয়ে বড় বিতর্কে জড়িয়েছিলেন দিতিপ্রিয়া রায় ও জীতু কমল। জীতুর উপর ‘অনুপযুক্ত ব্যবহার’-এর অভিযোগ তুলেছিলেন। এমনকী জীতু তাঁকে কিছু বিতর্কিত ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন বলেও জানিয়েছিলেন দিতিপ্রিয়া। পরে অভিনেতা সামনে আনেন তাঁর গোটা হোয়াটসঅ্য়াপ চ্যাট। এরপর দুজনের মধ্য়ে প্রযোজনা সংস্থা থেকে মিলমিশ করিয়ে দিলেও, মাসখানেকের মধ্যে দুজনের মধ্যে সমস্যা এত বেড়ে যায় যে, একসঙ্গে শট দিতে পর্যন্ত অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। বডি ডবল ব্যবহার করে শ্যুটিং করা হচ্ছিল শেষ দিকে। প্রথম দিকে শোনা যাচ্ছিল জীতু সরে যেতে চান চিরদিনই তুমি যে আমার থেকে। পরে ভক্তদের চাপে পড়ে জীতুকে রেখে দিতে বাধ্য হয় প্রযোজনা সংস্থা। এরপর এনওসি দিয়ে রাতারাতি চিরদিনই তুমি যে আমার ধারাবাহিক ছাড়েন দিতিপ্রিয়া রায়। শুধু তাই নয়, জীতু-ভক্তদের দ্বারা রীতিমতো অনলাইনে ট্রোলের মুখেও পড়েন অভিনেত্রী।

ফের এক সাক্ষাৎকারে এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জীতু কমল। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এ ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, অভিনেতা নিউজ ১৮-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জীতু জানান, এই টপিক নিয়ে কথা বলতে চান না। সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করেন যে, ‘বিতর্ককে জীতু ভয় পায় না। তবে বিতর্কের জন্য কারও কেরিয়ার যদি খারাপ হয়, কেউ যদি কষ্ট পায়। আমার সহ্য শক্তি আছে, অনেকের না-ও থাকতে পারে। আমি তাঁর ক্ষতি চাইব না।’
চ্যাটের স্ক্রিনশট দেওয়া নিয়ে জীতুর বক্তব্য, ‘চারদিন পর চেয়েছিলাম বোধগম্য হোক যে আমিও কারও সন্তান। আমার বাবা-মাও কষ্ট পায়। আমারও একটা পাতানো বোন আছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি পৃথিবীর কোনো ম্যাসেঞ্জারে, কোনো হোয়াটসঅ্য়াপে, আমার মোবাইল থেকে কোনো মহিলা-পুরুষ বা অন্য লিঙ্গের মানুষকে কোনো নোংরা ইঙ্গিত বা এসএমএস গেছে, কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে, আমি এই প্রফেশন তো ছেড়ে দেবই, আমাকে যা শাস্তি দেবেন মাথা পেতে নেব।’
জীতু এই সাক্ষাৎকারে আত্মপক্ষ সমর্থনে আরও জানান যে, তাঁর কাছেও প্রচুর এসএমএস আসে মহিলা-পুরুষের। তারা যখন সীমা অতিক্রম করে তিনি সাবধান করে দেন, সীমা অতিক্রম না করতে। কারণ অন্য মানুষটার কাছে সেই চ্যাট থেকে যায়। সার্ভারেও থেকে যায়। জীতুর দাবি, এই সচেতনাতা যদি তাঁর মধ্যে থাকে, তাহলে তিনি সেই কাজ কেন করবেন দিতিপ্রিয়ার সঙ্গে? অভিনেতার কথায়, ‘আমার হরমোন অত গাঢ় নয় যে আমাকে করতেই হবে।’
প্রসঙ্গত, চিরদিনই তুমি যে আমার-এর বিতর্ক জীতুর উপর এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, অভিনেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করে জানান যে, তিনি আর সিরিয়াল করতে চান না।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


