Jeetu-Suvendu:‘ধন্যবাদ শুভেন্দু অধিকারী…’, মুখ্যমন্ত্রীকে মেসেজের ২০ মিনিটেই উত্তর, নন্দনে ফিরছে অপরাজিত, জানালেন জীতু
মমতা সরকারের আমলে নন্দনে মুক্তির আলো দেখেনি অপরাজিত। অনীক-স্মরণে অভিনব উদ্যোগ বিজেপি সরকারের। নন্দনে ফিরছে অপরাজিত।
টলিপাড়ার অন্যতম মাইলস্টোন ছবি, অনীক দত্তের ‘অপরাজিত’ (Aparajito)। অথচ এই ছবি মুক্তির আলো দেখেনি সরকার পরিচালিত সিনেমাহল নন্দনে। বামপন্থী পরিচালক অনীক দত্তর সঙ্গে মমতা সরকারের ঝামেলার খেসারত দিতে হয়েছিল অপরাজিত-র টিমকে। তবু মাথানত করেননি অনীক দত্ত।

সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ তৈরির নেপথ্য কাহিনী নিয়ে তৈরি এই ছবির নন্দনে শো না পাওয়া নিয়ে কম রাজনৈতিক তরজা হয়নি। ২০২২ সালে যখন এই ছবি মুক্তি পায়, তখন নন্দনে ঠাঁই পায়নি। পরবর্তীতে একবার একটি ফিল্ম ফেস্টিভ্য়ালের সুবাদে নন্দনে দু-দিনের জন্য প্রদর্শিত হয়েছিল অপরাজিত। ব্যাস, ওই টুকুই। তবে ২০২৬ সালের জুনে এসে টলিপাড়ার সমীকরণ এক্কেবারে বদলে গিয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর, দর্শকদের দাবি মেনে নন্দন প্রেক্ষাগৃহে আবারও রি-রিলিজ হতে চলেছে এই ছবি। অনীক দত্তের মৃত্যুর পর বিজেপি সরকার জানিয়েছিল, পরিচালককে শ্রদ্ধা জানাতে নন্দনে ফিরবে তাঁর ছবি। সেইমতোই ৫ই জুন মুক্তি পাবে অপরাজিত। এই খবর সামনে আসতেই আবেগঘন হয়ে পড়লেন পর্দার ‘সত্যজিৎ রায়’ ওরফে অভিনেতা জীতু কামাল।
নন্দন বিতর্ক অতীত, নতুন জমানায় সুবিচার পেল অনীকের ছবি
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটতেই যেন সব জট কেটে গেল। নবান্নে নতুন মুখ্যমন্ত্রী বসার পরই ‘অপরাজিত’ ছবিটিকে সসম্মানে নন্দনে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা টলিউডের স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে এক বিরাট জয় বলে মনে করা হচ্ছে। ৫ থেকে ৭ই জুন নন্দনে দেখানো হবে অপরাজিত।
‘মুখ্যমন্ত্রী ও শুভেন্দুবাবুকে ধন্যবাদ’, অকপট জীতু কামাল
নন্দনে ছবিটির পুনঃমুক্তির খবর পেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিনেতা জীতু কামাল। সত্যজিৎ রায়ের আদলে তৈরি চরিত্রে অভিনয় করে যিনি রাতারাতি আপামর বাঙালির মন জয় করে নিয়েছিলেন, সেই জীতু এই সিদ্ধান্তের জন্য রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
অভিনেতা বলেন, ‘আমি নিজে শুভেন্দুবাবুকে মেসেজ করেছিলাম। মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যেই উত্তর পেয়েছি। এই ফেরাটা আমার কাছে অত্যাশ্চর্য ব্যাপার! প্রযোজনা সংস্থার পাশাপাশি আমি নিজেও মেইল করেছিলাম। অনীকদা যেদিন চলে গেলেন, তার পরের দিনই বৃহস্পতিবার আমি মেসেজ করি মুখ্যমন্ত্রীকে। উনি তার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাকে জানান যে, প্রযোজক এবং পরিচালকের পরিবার যদি রাজি থাকেন, তাহলে অবশ্যই ‘অপরাজিত’কে ফেরানো যেতে পারে। সেই প্রেক্ষিতে সোমবার আমি ফের একবার খোঁজ নিই। আর চব্বিশ ঘণ্টা পেরতে না পেরতেই আজ জানানো হল ‘অপরাজিত’ ফিরছে।’
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


