‘শিবভক্তির আড়ালে সাইকো…’! দুর্নিবারের বিছানায় জল ঢেলে ট্রোল হলেন ‘হিংসুটে’ জীতু

মনামীকে বল দিয়ে আঘাত করার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, নতুন করে বিতর্কে জীতু কমল। এবার দেখা গেল, দুর্নিবারের ক্যাপ্টেন বিছানায় বালতি করে জল ঢালতে। যার ফলে নেটপাড়ায় ট্রোলের মুখে পড়লেন তিনি। 

Published on: Oct 17, 2026, 09:00:47 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বিগ বস বাংলার নতুন ক্যাপ্টেন হয়েছেন দুর্নিবার সাহা। আর তারপর হঠাৎই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঘরের পরিস্থিতি। বিশেষ করে দুর্নিবার ক্যাপ্টেন হওয়ায় তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন জীতু কমল। এমনকী, ক্য়াপ্টেন হওয়ার পর, যে বিশেষ বিছানা পান গায়ক, তাতে জলও ঢেলে দেন জীতু। আর তাতেই নতুন করে বিতর্ক। এর আগে মনামীর গায়ে বল ছোঁড়ার কারণে হয়েছিলেন সমালোচিত। আর এবার দুর্নিবারের বিছানায় জল ঢেলে পুরো ঘরের কাছ থেকে নিন্দা কুড়োলেন।

দুর্নিবারের বিছানায় জল ঢেলে ট্রোল জীতু।
দুর্নিবারের বিছানায় জল ঢেলে ট্রোল জীতু।

দুর্নিবারকে ক্যাপ্টেন বানানোতে যদিও হাত আছে রাজবীরের। আগেই জীতুকে রাজবীর জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি দুর্নিবারকে ক্যাপ্টেন বানাতে চান। টাস্কে একাধিকবার জীতু চেষ্টা করেছিলেন দুর্নিবারের হাঁড়ি ভাঙার। কিন্তু টক্কর দিয়ে যায় রাজবীর বরাবরই। আর ক্যাপ্টেন বানান দুর্নিবারকে।

দেখা যায় ক্যাপ্টেন্সি টাস্ক শেষ হওয়ার পরেই, জীতু দুর্নিবারকে জানায় যে ক্যাপ্টেন রুমে তাঁকে একাই ঘুমোতে হবে। যদি ক্যাপ্টেন রুমের বিছানায় নিরঞ্জনকে নিয়ে তিনি শুতে যান, তাহলে জল ঢেলে যাবেন। জীতুর যুক্তি, সেই ঘরে ঢোকার অধিকার যেহেতু শুধু ক্যাপ্টেনের, তাই নিরঞ্জনকে তিনি কোনোভাবেই অ্যালাও করবেন না। তাই এই জল ঢালার হুমকি।

তবে এটা যে শুধু হুমকি নয়, তা প্রমাণিত হয় কিছুক্ষণেই। ক্যাপ্টেনের বিছানায় যখন পাশাপাশি শুয়ে নিরঞ্জন আর দুর্নিবার, তখন বালতি করে জল এনে খাটে ঢেলে দেন জীতু। প্রতিবাদে মুখর হয় গোটা ঘর। ভরত কল, মনামী, নন্দিনী সকলেই জীতুর সমালোচনা করেন তাঁর মুখের সামনে। এমনকী, রাজবীরও মুখের উপর জীতুকে জানায়, এই কাজ পুরোপুরি ভুল। তিনি কোনোভাবেই সমর্থন করেন না।

কিন্তু দেখা যায় নিজের কাজ নিয়ে একটুও ‘লজ্জিত’ নন জীতু। তিনি বারবার দাবি করতে থাকেন, নিয়মভঙ্গ রুখতেই তিনি এটা করেছেন। এবং ভবিষ্যতেও করবেন। যদিও পুরো ঘরের দাবি, গত সপ্তাহে যখন নিরঞ্জন অধিনায়ক ছিলেন, তখন ক্যাপ্টেন রুমে রাতে ঘুমিয়েছিলেন নিরঞ্জন, ঝিলম ও দুর্নিবার একত্রে। কিন্তু সেই সময় জীতুকে কোনো কথা বলতে শোনা যায়নি। ঘরের সদস্যদের দাবি, শুধুমাত্র দুর্নিবারকে অপছন্দ করেন যেহেতু, তাই বুলি করার কারণেই এমনটা করেছেন জীতু।

এরপর সোশ্যাল মিডিয়াতেও জীতুকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়। আগের সপ্তাহে দাদার দরবারে ঝিলমের মুখে থুতু ছেটানো, মনামিকে বারংবার বল দিয়ে আঘাত করা-র পর, বিছানায় জল ঢালা দেখে অনেকেই দিয়েছেন ‘সাইকো’ তকমা। এমনকী, ‘ভণ্ড শিবভক্ত’ বলেও ট্রোল করা হচ্ছে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More