Jeetu Kamal: প্রতীকী প্রতিবাদের ভঙ্গিতে ওঠে কটাক্ষের সুর, এবার ‘আত্মপ্রচার’ করে পালটা জবাব জীতুর
Jeetu Kamal: রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউড ইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রত্যেক অভিনেতা অভিনেত্রী নিজেদের মতো প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু সকলের থেকেও আলাদা ভাবে যে মানুষটি নিজের লড়াই লড়েছিলেন তিনি হলেন অভিনেতা জীতু কমল।
Jeetu Kamal: রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউড ইন্ডাস্ট্রির প্রায় প্রত্যেক অভিনেতা অভিনেত্রী নিজেদের মতো প্রতিবাদ জানিয়েছেন। থানায় এফআইআর দায়ের করা থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে ব্যান পর্যন্ত, রাহুলের মৃত্যুতে যেন বিপ্লব ঘটেছে টলিপাড়ায়। কিন্তু সকলের থেকেও আলাদা ভাবে যে মানুষটি নিজের লড়াই লড়েছিলেন তিনি হলেন অভিনেতা জীতু কমল।

রাহুলের মৃত্যুতে প্রতীকী প্রতিবাদ করতে গিয়ে রীতিমতো কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। সহকর্মী অভ্রজিত চক্রবর্তী থেকে শুরু করে অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্য, কেউ নাম করে কটাক্ষ করেছেন, কেউ আবার নাম না করে। রাহুলের পাশে নিজের ছবিতেই মালা পরিয়ে এই প্রতিবাদের ভঙ্গিকে অনেকেই অবান্তর বলেছিলেন।
আরও পড়ুন: ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সমস্যার সমাধান, কাজে ফিরছেন ব্যান হওয়া শিল্পীরা, সুখবর দিলেন দেব
এই প্রতিবাদের মধ্যেই যখন একের পর এক ধারাবাহিক বন্ধ হওয়ার খবর আসে, তখন টেকনিশিয়ানদের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফের খবরের শিরোনাম ছিনিয়ে নেন অভিনেতা। টলিউডের অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালন করার কথা হলেও একদিনের মধ্যেই সেই ধর্মঘট উঠে যায়, কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন জীতু।
১০ এপ্রিল মিডিয়ায় তিনি একটি ছবি পোস্ট করেন যেখানে দেখা যায়, তাপস চক্রবর্তী নামের এক টেকনিশিয়ানকে তিনি ৩৩ হাজার টাকা সাহায্য করেছেন। এই ছবিটি পোস্ট করে যে বা যারা তাঁকে কটাক্ষ করেছিলেন প্রতিবাদ জানানোর ভঙ্গিকে তুলে ধরে, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা লেখেন অভিনেতা।
জীতু লেখেন, ‘যারা আমার প্রতীকী প্রতিবাদকে বলেছিলেন জীতুর প্রতিবাদ করা উচিত হয়নি, সময় জ্ঞান নেই। যারা অনেক রকমের কটাক্ষ করেছিলেন বা করছেন তাদেরকে বলছি একদিনের জন্য টেকনিশিয়ানদের পাশে দাঁড়ানো এটা বোধহয় আপনি সৎ প্রয়াস বলে বিবেচনা করবেন।’
জীতু আরও লেখেন, ‘তাহলে আপনার প্রোফাইলে যেভাবে কটাক্ষ করতে দেখেছিলাম ঠিক সেই ভাবেই প্রশংসার এক লাইন আশা করি দেখতে পাব। বলেছিলাম না এবার থেকে আত্মপ্রচার করব, তাই করছি।’
প্রসঙ্গত, খুব সম্প্রতি জীতুর অভিযোগ এবং প্রতিবাদের ভঙ্গিকে কটাক্ষ করে অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘রাহুলের ছবির পাশে নিজের মালা পরিয়ে বসে থাকাটা মানায় না। ও যেটা করছে ভীষণ অন্যায়। আর্টিস্ট ফোরামের অনেক বড় মন তাই ওকে ক্ষমা করে দিয়েছে, আমি হলে কিছুতেই ক্ষমা করতাম না।’
আরও পড়ুন: 'ওরা আমায় আমার টাকা দেয়নি...', নাম না করেই লীনার বিরুদ্ধে সরব কনীনিকা
এছাড়াও ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের অন্যতম অভিনেতা অভ্রজিত নাম না করেই জীতুর এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করে লিখেছিলেন, ‘স্থান কাল পাত্র এটা বেসিক। প্রতিবাদ অবশ্যই কাম্য, কিন্তু মুহূর্তটা তোমার নয়। শোকে যারা আছেন তারা মিথ্যে নয়। বাবা মা হও তারপর বুঝবে গলায় মালা দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত।’
যদিও মৌসুমী ভট্টাচার্য এবং অভ্রজিৎ চক্রবর্তীকে জবাব দিয়েছিলেন জীতু। কিন্তু এবার ফেসবুকে আত্মপ্রচারের পথ বেছে নিয়ে আরও একবার নিন্দুকদের উদ্দেশ্যে কড়া জবাব দিলেন তিনি।
E-Paper

