শনিবারই বিগ বস বাংলায় জীতু! রাজবীরের গেমপ্ল্যানে জল, কোন মোড় নেবে ঘরের রাজনীতি?
আপাতত গোটা বাংলার নজর বিগ বসের ঘরে। ভরত, মনামী, রাজবীর, সোনামণি, নন্দিনী, ঝিলম, সৃজলা-রা এমনিতেই ঘরের তাপমাত্রা কয়েকগুণ বাড়িয়ে রেখেছিলেন। আর রাজবীর পা রাখার পর থেকে তো উত্তেজনার পারদ চরমে। এখন দেখার, জীতু বিগ বস বাংলায় আসার পর কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
অনেকদিন ধরেই খবর ছিল বাংলা বিগ বসে পা রাখতে চলেছেন অভিনেতা জীতু কমল। অভিনেতার নিজের তরফেও অবশ্য তেমনই ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নে ব্যাপারটা এড়িয়েই গিয়েছিলেন তিনি। শনিবারের বিগ বস এপিসোডেই এন্ট্রি হতে চলেছে জীতু কমলের। তেমন ইঙ্গিতও মিলেছে প্রোমো-তে।

এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে অন্যতম হলে জীতু। তাই অভিনেতা বিগ বস বাংলা-র ঘরে এলে শো-র জনপ্রিয়তা বাড়বে।
এদিকে জীতুর বিগ বসের ঘরে পা রাখার ঝলক আসতেই একটি পোস্ট এল প্রযোজক রাণা সরকারের তরফে। তিনি লিখলেন, ‘Bigboss-এ সত্যজিৎ রায়, এরকম হতে পারত যদি জীতু মেকআপ আর্টিস্ট নিয়ে বিগবসে ঢুকতে পারত। আপাতত জীতু বিগবসে আসছে এটা 'দেশু আসছে' ফিল দিচ্ছে। জীতু কী কামাল করবে সেটা দেখার জন্য এবার।’
রাণার এই পোস্টে আবার এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘তুমিও যাও বিগ বসে। তুমি যা কুচুটে লুক জিতে যাবে’। তাতে আবার রাণা মন্তব্য করেন, ‘আমার থেকেও বেশি কুচুটেরা ওখানে গেছে মনে হয়’।
দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে বিগ বস বাংলা-র ঘরে এন্ট্রি হয়েছিল রাজবীরের। শিলিগুড়ির ছেলে মুম্বইয়ে কর্মরত রাজবীর বিগ বসের ঘরে পা রাখার পর থেকেই রীতিমতো ঝড় তুলে দেয়। গোটা সপ্তাহটা ভরে ছিল ঝগড়া, কূটকাটালিতে। এখন দেখার জীতু আসার পর কীভাবে বদলায় এই শো-র সমীকরণ।
প্রসঙ্গত, কদিন আগে জিতু তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, এই শো-তে অংশ নিয়ে যদি তিনি জয়ী হতে পারেন, তবে পুরস্কারের অর্থের ৭৫ শতাংশ (বা সিংহভাগ) গৃহহীন মানুষ, অনাথ শিশু এবং বৃদ্ধাশ্রমের অসহায়দের কল্যাণে দান করবেন। বাকি ২৫ শতাংশ তিনি নিজের ট্রাস্টের জন্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


