Jeetu-Chirodini Tumi Je Amar: বিদায়ের পালা! নিজের হাতে সাজানো মেকআপ রুম, পাতেন ঠাকুরের আসন, ঘুরে দেখালেন জীতু
ধারাবাহিকের সেটে সহ-অভিনেতাদের মধ্যে ঝামলা, ভুল বোঝাবুঝি বারংবার চিরদিনই তুমি যে আমারকে নিয়ে এসেছে চর্চায়। তবে এত নেতিবাচকতার মাঝেও, দর্শকের মনে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেতা জীতু কমল। তবে এবার বিদায়ের পালা। আর শেষ দিনে নিজের হাতে সাজানো মেকআপ রুমটি ঘুরিয়ে দেখালেন জীতু।
রবিবার ১৮ মে ছিল জি বাংলার অন্যতম চর্চিত ধারাবাহিক চিরদিনই তুমি যে আমার-এর শেষ শ্যুট। টিআরপি তালিকাতে এমনিতেই বেশ বড়সড় ধাক্কা খেতে হয়েছিল এই মেগাকে। তারওপর ধারাবাহিকের সেটে সহ-অভিনেতাদের মধ্যে ঝামলা, ভুল বোঝাবুঝি বারংবার এই মেগাকে নিয়ে এসেছে চর্চায়, তবে তাতে অবশ্য টিআরপি বাড়েনি। শেষ পর্যন্ত সিরিয়ালটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত।

এবার একটি পোস্ট এল চিরদিনই তুমি যে আমার-এর নায়ক জীতু কমলের তরফ থেকে। আর্য সিংহ রায় হিসেবে বাংলার দর্শকদের মনে রাজত্ব করেছিলেন জীতু এতদিন। তবে এবার যে বিদায় নেওয়ার পালা। আর তার আগে ঘুরে দেখালেন সেটে তাঁর জন্য বরাদ্দ মেকআপ রুমটি। একফালি জায়গা ঠিক কতটা যত্ন করে সাজিয়েছেন নায়ক, তাতে তার রুচির ছাপ স্পষ্ট।
দরজার বাইরে টাঙানো রয়েছে একটি চাঁদমালা। যাতে লেখা ‘মা কালী’। এরপর দরজা ঠেলে ঢুকতেই একটা ছোট্ট খাট, পাশে সোফা, আর সামনে ড্রেসিং টেবিল। ঘরের এক কোনায় ছোট্ট সিংহাসন পেতেছেন জীতু। যাতে শিবঠাকুর ও কালী ঠাকুরের অবস্থান। নিত্য পুজো দেন ঠাকুরের, তা স্পষ্ট। এছাড়াও ড্রেসিং টেবিলের চারধারে শিব ও কালীর নানান অবতারের ফোটো ফ্রেম করে টাঙানো। মেকআপ রুমে কিছু গাছও রেখেছিলেন নিজের হাতে লাগিয়ে।
সদ্য প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ছবিও রয়েছে সেখানে। এছাড়াও জীতুর নিজের কিছু ফোটো, কিছু পেইন্টিং, যা হয়তো উপহার হিসেবে এসেছে ভক্তদের থেকে। ঠাকুরের সিংহাসনের সামনে গিয়ে জীতু বললেন, ‘এটা আমার মেকআপ রুম। সরি সরি, একসময় আমার মেকআপ রুম ছিল। এখন প্যাকআপ হয়ে গেছে… আমার বাবা, তাঁর আসন। ত্যাগ করবেন। এখান থেকে ত্যাগ করে আমার ঘরে যাবেন। এতদিন আমার সঙ্গে ছিলেন।’ দেখুন সেই ভিডিয়ো-
জীতুর এই ভিডিয়োতে তাঁর যে কতটা মন খারাপ তা ফুটে উঠেছে গলাতে। যা ছড়িয়ে পড়েছে জীতুর অনুরাগীদের মধ্যেও। একজন লেখেন, ‘তোমার নতুন রুপে, নতুন করে পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম, মহাদেব ভরসা, সব ভালো হবে, মনে রেখো কিন্তু অপেক্ষায় আছি আমরা’ আরেকজন লেখেন, ‘আজ শুধু একটি সিরিয়াল শেষ হলো না সেই সঙ্গে সঙ্গে টিভিতে সিরিয়াল দেখার পর্ব শেষ হয়ে গেল। আজ বলতে কোনো দ্বিধা নেই, আপনার অভিনীত কোনো ধারাবাহিক এর আগে আমি দেখেনি। এখন বুজতে পারি আমি কী কী মিস করেছি। কিন্তু এই সিরিয়ালটি প্রথম পর্ব থেকে একটিও পর্ব মিস করিনি। CTJA-এর আগে অনেক সিরিয়াল দেখা শুরু করে ছিলাম কিন্তু শেষ করতে পারিনি। এই একটি সিরিয়াল আমার মতো অধৈর্য মানুষকেও টিভির সামনে আধঘন্টা বসে থাকতে বাধ্য করেছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


