Jeetu-Shirin: দিতিপ্রিয়ার পর শিরিনের সঙ্গেও ঝামেলা জীতুর? ফেসবুকে আনফ্রেন্ড! পায়েলকে সমর্থন নতুন অপর্ণার

Jeetu-Shirin: দিতিপ্রিয়ার পর এবার নতুন অপর্ণা শিরিনের সঙ্গেও ক্যাচাল বাঁধল জীতুর! নায়িকাদের সঙ্গে মোটে বনিবনা হচ্ছে না আর্যর। ব্যাপারটা কী?                                                                                                                                          

Apr 19, 2026, 14:33:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Jeetu-Shirin: জীতু কমলের সঙ্গে কোনও মূল্যেই ফ্রেম শেয়ার করতে রাজি ছিলেন না দিতিপ্রিয়া রায়। তাঁর মতো বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ মেয়ের এ হেন সিদ্ধান্ত অবাক করেছিল অনেকেই। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে চিরদিনই তুমি যে আমার ছাড়েন রানিমা। এরপর কেটেছে অনেকটা সময়। নতুন অপর্ণা হিসাবে নবাগতা শিরিন পালকে গ্রহণ করেছেন দর্শক। যদিও টিআরপিতে দিতিপ্রিয়া রায়ের না থাকার প্রভাব পড়েনি, এ কথা বলা যাবে না।

দিতিপ্রিয়ার পর শিরিনের সঙ্গেও ঝামেলা জীতুর? ফেসবুকে আনফ্রেন্ড! পায়েলকে সমর্থন নতুন অপর্ণার
দিতিপ্রিয়ার পর শিরিনের সঙ্গেও ঝামেলা জীতুর? ফেসবুকে আনফ্রেন্ড! পায়েলকে সমর্থন নতুন অপর্ণার

কিন্তু মাস কয়েক যেতে না যেতেই এবার নতুন অপর্ণার সঙ্গেও ক্য়াচাল বাঁধল নায়কের! হ্যাঁ, শনিবার সেই নিয়ে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার রাতের এক ঘটনাকে ঘিরে। চিরদিনই তুমি যে আমারের অপর সহ-অভিনেতা পায়েল দে জীতুকে বিঁধে ফেসবুকে পোস্ট করেন। রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রয়াত অভিনেতার ছবির পাশাপাশি নিজের ছবিতে মালা পরিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন জীতু।

সেই ঘটনা নিয়েই ফেসবুকে ফোঁস করেন পায়েল। রাহুলের ছবি ধুলোয় ফেলে রেখে এসেছিলেন জীতু, এমন অভিযোগ করেন পায়েল। লেখেন, ‘টেকনিশিয়ান স্টুডিওর গাছতলায় সেই মালা দেওয়া ছবি পড়ে ছিল। যীশু সেনগুপ্ত এবং ইন্দ্রাশিস রায় সেই ছবিগুলো পরম যত্নে তুলে এনে ফোরামের অফিসে রেখেছেন।’ পায়েলের প্রশ্ন, ‘জীতু কি নিজের ছবির সাথে রাহুলদার ছবিটা নিতে ভুলে গিয়েছিলেন?’ ফোরামের একনিষ্ঠ কর্মী এবং রাহুলের বোনের মতো হয়ে পায়েল এই ‘অমর্যাদা’ মেনে নিতে পারেননি।

পালটা জবাবও দেন পর্দার আর্য সিংহ রায়। আশ্চর্যের বিষয় হল, রাখঢাক না রেখে পায়েলের পোস্টে লাভ রিঅ্যাক্ট দিয়ে সমর্থন জানান শিরিন পাল। শুধু শিরিন নন, পায়েলের পোস্টে সমর্থন আসে চিরদিনই তুমি যে আমার পরিবারের অর্কজ্যোতি পাল চক্রবর্তীরও। অর্থাৎ জীতুর শ্যালক (রাজনন্দিনীর ভাই)-এর। পায়েলের পোস্টে লাইক দেন দিতিপ্রিয়াও। বলাই যায়, জীতুর বিরুদ্ধে একজোট সকলে!

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় জীতু ভক্তরা শিরিনকে ট্রোল করা শুরু করে। পালটা দেয় জীতু-বিরোধিরাও। তাঁদের প্রশ্ন, ‘একমাত্র উনিই সত্যবাদী, বাকি সবাই মিথ্যেবাদী’। অনেকের মনে প্রশ্ন, ‘এবার রোম্যান্টিক সিনের কী হবে?’ বর্তমানে ফেসবুকে বন্ধু নন, জীতু-শিরিন। অথচ দিন কয়েক আগেও তাঁদের দোস্তি দেখে চমকে যেতে হয়েছিল। শিরিনের প্রেমিকের সঙ্গে নায়িকার ছবি গঙ্গার ঘাটে তুলে দিয়েছিলেন জীতু। গল্প-আড্ডা-সবই ছিল জমাটি। কিন্তু আচমকা সব শেষ। খবর, শিরিনের লাভ রি-অ্য়াক্টে ব্যাথিত জীতু তাঁকে আনফ্রেন্ড করেছেন।

শুধু ফেসবুক নয়, ইনস্টাগ্রামে পরস্পরকে ফলো করেন না তাঁরা। এখন এই বিতর্কের জল কতদূর গড়ায় সেটাই দেখবার। নায়ক-নায়িকার মধ্যে সত্য়িই ঝামেলা হয়েছে নাকি মান-অভিমান পর্ব চলছে, সেটাই দেখবার।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More