Jeetu-Ditipriya: ‘ভাঁড় কখনও রাজা হয় না!’ দিতিপ্রিয়ার গল্প দেখেই পালটা জবাব ‘জোকার’ জীতুর

জীতু কমল এবং দিতিপ্রিয়া রায়-এর পুরনো তিক্ততা নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর সেট থেকে শুরু হওয়া এই মনোমালিন্য এবার সরাসরি কটাক্ষ আর পাল্টা কটাক্ষের রূপ নিয়েছে।

Published on: Apr 22, 2026, 21:05:14 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ছোটপর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর সেটে একসময় তাঁদের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। কিন্তু পর্দার নেপথ্যে জিতু কমল ও দিতিপ্রিয়া রায়ের সমীকরণ যে আদপেই ‘মধুর’ ছিল না, তা অনেকদিন আগেই দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। শুটিংয়ের মাঝে ইগোর লড়াই এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে মাঝপথেই সিরিয়াল ছাড়তে হয়েছিল দিতিপ্রিয়াকে। দীর্ঘ সময় পর সেই পুরনো আগুন ফের জ্বলে উঠল এক রহস্যময় সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে।

‘ভাঁড় কখনও রাজা হয় না!’ দিতিপ্রিয়ার গল্প দেখেই পালটা জবাব ‘জোকার’ জীতুর
‘ভাঁড় কখনও রাজা হয় না!’ দিতিপ্রিয়ার গল্প দেখেই পালটা জবাব ‘জোকার’ জীতুর

দিতিপ্রিয়ার ‘সার্কাস’ তোপ

সম্প্রতি দিতিপ্রিয়া রায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ইংরেজি কোট শেয়ার করেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘যখন কোনো ভাঁড় রাজপ্রাসাদে যায়, সে রাজা হতে পারে না; বরং প্রাসাদটাই সার্কাস হয়ে যায়।’ যদিও দিতিপ্রিয়া সরাসরি কারো নাম নেননি, কিন্তু নেটিজেনদের বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে তাঁর নিশানায় ঠিক কে! বিশেষ করে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে জীতু কমল যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তা নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। নিজের ছবিততে মালা পরিয়ে প্রতিবাদ জানানোয় সমালোচিত হন জীতু। এমনকী চিরদিনই তুমি যে আমার পরিবারের রাজনন্দিনী অর্থাৎ পায়েল দে সরাসরি তোপ দাগেন। সেই পোস্টেও সমর্থন জানান দিতিপ্রিয়া থেকে শিরিন।

জীতুর পাল্টা ‘জোকার’ চাল

কটাক্ষ সপাটে ফিরিয়ে দিতে দেরি করেননি জীতু কমলও। রাজ কাপুরের কালজয়ী ছবি ‘মেরা নাম জোকার’-এর পোস্টার শেয়ার করে অভিনেতা পাল্টা লেখেন, ‘ভাঁড় হওয়া খুব কঠিন কাজ, তুমি কি তা জানো? আশা করি জানো না... শুধু সার্টিফিকেট থাকলেই কেউ জ্ঞানী হয়ে যায় না।’ জীতুর এই ‘সার্কাস’ বনাম ‘জোকার’ লড়াই বুঝিয়ে দিল যে দিতিপ্রিয়ার আক্রমণ তিনি বিনা যুদ্ধে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন।

পুরনো কাসুন্দি ও বর্তমান তিক্ততা

দিতিপ্রিয়া ধারাবাহিক ছাড়ার পর তাঁর জায়গায় শিরিন পাল এলেও জিতুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের রসায়ন নিয়েও মাঝেমাঝে প্রশ্ন উঠেছিল। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু পরবর্তী বিতর্কিত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দিতিপ্রিয়া ও পায়েল দে-রা যখন সরব হন, তখন থেকেই এই বিরোধের দ্বিতীয় পর্ব শুরু।

জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া

ভক্তরা এখন দুই মেরুতে বিভক্ত। কেউ দিতিপ্রিয়ার সোজাসাপ্টা কথাকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ জীতুর পাল্টা যুক্তিকে তারিফ করছেন। এই ঠাণ্ডা লড়াইয়ের শেষ কোথায়?

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More