বিগ বস বাংলায় জীতুর আপন এখন রাজবীর! দুর্নিবারকে ‘ক্যানসার’ বলে সৃজলাকে দলে টানার চেষ্টা
হাসপাতাল থেকে সৃজলা ফিরতেই তাঁকে নিজের তরফে টানার চেষ্টা জীতুর। রবিবার দাদার দরবার শেষ হওয়ার পরে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘রাজবীর যদি মাথা ব্যথা হয়, তাহলে দুর্নিবার ক্যানসার’
বিগ বস বাংলার ঘরে শনিবার ও রবিবারে এই সপ্তাহে দাদার দরবার ছিল জমজমাট। রীতিমতো সৌরভের ধমক খেতে হয় নিরঞ্জন, নন্দিনী, মনামীদের। এমনকী, যে ঝিলমের ‘ইঁদুর গানে’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকে দাদা, তাঁকেও বকা দেন। সমালোচনা করেন।

সঙ্গে শনিবার দাদার দরবারের দিনই হাসপাতাল থেকে ফেরত আসেন সৃজলা গুহ। পাঁচ সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পরে, হাসপাতাল থেকে ফেরেন সৃজলা। তাঁকে কনফেশন রুম থেকে বাড়ির ভিতরে নিয়ে আসেন জীতু। দেখা যায়, সৃজলাকে ঘরে প্রবেশ করতে দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন দুর্নিবার। সৃজলাও এসে সবার প্রথম জড়িয়ে ধরে দুর্নিবারকেই। এতদিন ঘরের মধ্যে সৃজলা ও দুর্নিবারের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল ঝিলম ও নিরঞ্জন। আর এবার দুর্নিবারের কান্না দেখে ঘরের বাইরেও কথা হচ্ছে।
একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, ‘সৃজলাকে দেখে দুর্নিবার যে কান্নাটা দেখাল, আমকে ওল্ড স্কুল বলতে পারেন তাও বলি, দুর্নিবারের বউয়ের জায়গায় আমি হলে লাথি মেরে চলে যেতাম। দুর্নিবারের তৃতীয় বিয়ে লোডিং।’
এই পোস্টে একজন মন্তব্য করেন, ‘আমার তো পুরোটাই ফেক লাগল। কুমীরের কান্না’। আরেকজন লেখেন, ‘ও মনে হয় বউয়ের সিজারের সময়ও এত কান্না করেনি’।
এদিকে, রবিবারের এপিসোডে দেখা যায় যে দুর্নিবার অ্যান্ড গ্যাং-এর অ্যালায়েন্স ভাঙতে রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছে জীতু কমল। সৃজলাকে জানান যে, রোবট টাস্কের সময় তার সঙ্গে ঠিক কী করে দুর্নিবার। দীপেন্দু দু্নিবারের কথাতেই চার্জ দেয় না জীতুকে। এমনকী সেই নিয়ে মনের দুঃখে জীতু যে রাগ করে খায়নি এটাও জানায়। এমনকী, তাঁকে খাবার জন্য সেই সময় রাজবীর ছাড়া কেউ অনুরোধও করেনি বলে অভিযোগ করেন সৃজলার কাছে।
এরপর জীতুকে একটা কথাও বলতে শোনা যায়, ‘রাজবীর যদি মাথা ব্যথা হয়, তাহলে দুর্নিবার ক্যানসার’। ক্রমশ দুর্নিবার আর জীতুর মধ্যে জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। যদিও দুজনকে কখনোই খুব একটা তর্কবিতর্ক করতে দেখা যায়নি। অনেকটা যেন ঠান্ডা লড়াই চলছে। আর বিগ বসের ঘরও এই দুজনকে ঘিরেই দুভাবে বিভক্ত। দুর্নিবারের টিমে তনুশ্রী, ঝিলম, দীপেন্দু, সৃজলা, সোনামণি, নিরঞ্জন। অন্যদিকে, জীতু, ভরত, মনামি, রাজবীর আর নন্দিনী। এখন দেখার আগামী কয়েকমাসে গোটা ঘরের আবহাওয়া কোন দিকে মোড় নেয়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


