Jeetu-Nabanita: আদুরে চুম্বন ঠোঁট ঠেঁসে! ডিভোর্স অতীত, কেমন জীবনসঙ্গী চান, জিতু-বিতর্কের মাঝেই জানালেন নবনীতা
বিতর্কের মাঝে জিতু কমলের প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতা দাসের একটি ইনস্টা স্টোরি কাড়ল নজর। যেখানে তিনি জানিয়েছেন কেমন জীবনসঙ্গী চাই তাঁর!
আপাতত চিরদিনই তুমি যে আমার ধারাবাহিক নিয়েই চর্চা। বিশেষ করে সেই মেগার নায়ক জিতু কমল রীতমতো ট্রেন্ড করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর ভক্তরা তো হাঙ্গামা জুড়ে দিয়েছে, নায়ককে বাদ দিলে তাঁরা আর দেখবেই না জি বাংলার সিরিয়াল। এদিকে, এইসব বিতর্কের মাঝে জিতুর প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতা দাসের একটি ইনস্টা স্টোরি কাড়ল নজর। যেখানে তিনি জানিয়েছেন কেমন জীবনসঙ্গী চাই তাঁর!

নবনীতা এড ওয়েস্টউইক ও এমি জ্য়াকসনের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে নিয়েছেন। যা কোনো এক রেড কার্পেটের সময়কার। সুন্দরী বউকে ঠোঁট ঠাঁসা চুমু খান এড। ক্য়ামেরা, পাপারাজ্জিদের তোয়াক্কা না করেই। আর অমন চুমুতে লজ্জা মেশানো আনন্দের হাসি এমি-র মুখে। চুমু খাওয়ার পর এডের উচ্ছ্বাসও দেখার মতো।

সেই ভিডিয়োতে লেখা রয়েছে, ‘This is How I want my man to react after getting me.’ যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘আমিও চাই আমার মানুষটা এমনই প্রতিক্রিয়া দিক আমাকে পাওয়ার পর’। তাঁর আর জিতুর ডিভোর্সের পর লম্বা সময় কেটে গিয়েছে। তাহলে কি ফের জীবনসঙ্গী খুঁজতে রাজি নবনীতা?
দেখে নিন জিতুর শেয়ার করা সেই ভিডিয়োটি-
২০১৯ সালের ৬ মে জিতু ও নবনীতা বিয়ে করেছিলেন। বিচ্চেদের কারণ নিয়ে মুখ খোলেননি কোনো পক্ষই। নবনীতা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁরা ভালো থাকার জন্যই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একদি হঠাৎই সোশ্যাল মিডিয়ায় বোমা ফাটান নবনীতা। জিতু প্রথমে ব্য়াপারটা অস্বীকার করলেও, জানা যায় ডিভোর্স ফাইল সারা। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে আইনিভাবে আলাদা হয়ে যান।
চিরদিনই তুমি যে আমার নিয়ে বিতর্কে জিতু:
এদিকে ঘোর বিতর্কে জিতু। তাঁর উপর ‘অনুপযুক্ত’ হোয়াটসঅ্য়াপ ম্য়াসেজ পাঠানোর অভিযোগ এনেছেন বয়সে ছোট নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায়। তাতে যেমন AI দিয়ে বানানো চুমুর ভিডিয়ো রয়েছে, তেমনই ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার কথা শুনে ‘তুমি কি প্রেগন্যান্ট’ প্রশ্ন! এখানেই শেষ নয়, দিতিপ্রিয়ার সঙ্গে বাওয়াল চরমে উঠলে প্রযোজনা সংস্থা যে মিটিং ডাকে, সেটি ছেড়েও নাকি তিনি বেরিয়ে যান মাঝপথে। তাঁর হাবেভাবে অবাক সেই প্রযোজনা সংস্থাটি। তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে। এদিকে তিনি আবার এনএওসি দেননি, যা মাঝপথে কোনো ধারাবাহিক ছাড়লে নায়ক-নায়িকাদের দিয়ে থাকতে হয়।
যদিও জিতু কমলের ভক্তরা এসবে কর্ণপাত করতে একেবারেই রাজি নন। তাঁদের সাফ কথা, পছন্দের নায়ককে ভুল ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। তাঁর ইমেজ খারাপ করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো সক্রিয় হয়ে প্রতিবাদে সামিল তাঁরা।
E-Paper

