তাঁর বগলের গন্ধ নিয়ে গান বানানোর পর পালটা জবাব জয়িতার, ‘নিজেরটা কিনতে পারো না', কেঁদে ভাসালেন ঝিলাম

‘ডিজে মাউজ’ অ্যান্থমের জেরে চর্চায় ঝিলাম। এর মাঝে জয়িতার ‘বগলের গন্ধ’ নিয়েও কম কটাক্ষ করতে ছাড়েননি এই কনটেন্ট ক্রিয়েটার। জয়িতা পালটা ফোঁস করতেই কেঁদে ভাসল ঝিলাম। 

Published on: Sep 10, 2026, 10:30:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বিগ বস বাংলা’-র ঘরের নিত্যদিনের অশান্তি এবার এক অন্য মাত্রায় গিয়ে পৌঁছাল। একদিকে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সহ-প্রতিযোগীকে চরম ট্রোল করা, আর অন্যদিকে একই ধরনের কথার ফেরত পেতেই কান্নাকাটি— সব মিলিয়ে ঘরের ভেতরের ড্রামা এখন তুঙ্গে।

তাঁর বগলের গন্ধ নিয়ে গান বানানোর পর পালটা জবাব জয়িতার, ‘নিজেরটা কিনতে পারো না', কেঁদে ভাসালেন ঝিলাম
তাঁর বগলের গন্ধ নিয়ে গান বানানোর পর পালটা জবাব জয়িতার, ‘নিজেরটা কিনতে পারো না', কেঁদে ভাসালেন ঝিলাম

ঘটনার সূত্রপাত ‘বাঘ-বাঘিনী’ টাস্ককে কেন্দ্র করে। খেলায় চিকিৎসকের সহকারী ঝিলাম এবং স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকায় ছিলেন সায়ক ও জয়িতা। টাস্ক চলাকালীন জয়িতার ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও শরীরের দুর্গন্ধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অন্য প্রতিযোগীরা। এমনকি তাঁর বগলের গন্ধ নিয়ে সবাই মিলে রসিকতা করে গান বানিয়ে গাইতেও ছাড়েননি।

কিন্তু ঘটনা মোড় নেয় পরের পর্বে। সকালে তৈরি হওয়ার সময় জয়িতার কাছ থেকে পারফিউম চেয়ে ব্যবহার করায় ঝিলামকে চরম খোঁচা দেন জয়িতা। ঝিলামের দাবি অনুযায়ী, জয়িতা তাঁকে বলেন, ‘নিজেরটা কিনতে পারো না, লোকেরটা ব্যবহার করা শুধু... গায়ে কি দুর্গন্ধ!’ এই কথার পরই আর নিজেকে সামলাতে না পেরে দীপেন্দু ও সোহিনীর সামনে সোজা কেঁদে ভাসান ঝিলাম। তিনি জানান, দামি প্রসাধনী বা জামাকাপড় পরার অভ্যাস তাঁর নেই, কিন্তু এই নিয়ে এভাবে অপমানিত হবেন তা ভাবেননি। সোহিনী অবশ্য ঝিলামকে শান্ত করে বোঝান যে জয়িতার কথার কোনও মাথামুণ্ডু থাকে না, তাই তা নিয়ে কষ্ট পাওয়ার মানে হয় না।

তবে ঘরের ভেতরে এই কান্নাকাটির দৃশ্য দেখা গেলেও নেটপাড়ার একাংশ এবং দর্শকরা ঝিলামের এই 'ভিকটিম কার্ড' খেলা একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না। দর্শকদের বড় অংশের ক্ষোভ— কাল পর্যন্ত যিনি নিজে অন্য একজনের শরীর ও বগলের গন্ধ নিয়ে বিশ্রী গান বানিয়ে সবার সামনে চরম ট্রোল করলেন এবং মজা ওড়ালেন, আজ নিজের দিকে সামান্য খোঁচা আসতেই তিনি ভুক্তভোগী সেজে সোজা ঘরে গিয়ে কেঁদে ভাসালেন!

নিজে অন্যায় করলে সেটা 'মজা', আর বাকিরা সেই একই জিনিস ফেরত দিলে তখন কান্নাকাটি করে সহানুভূতি পাওয়ার নাটক— এই ভণ্ডামি দর্শকদের তীব্র বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঝিলাম, নিরঞ্জন ও দুর্নিবার— এই তথাকথিত 'ত্রিমূর্তি'র ক্রমাগত দ্বিমুখী আচরণ ও হাই-ভোল্টেজ নাটক দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকদের মাথা ঝালাপালা হওয়ার জোগাড়।

অন্যকে ছোট করার সময় যাদের বিন্দুমাত্র অনুশোচনা হয় না, নিজের ওপর কথা আসলেই তারা কীভাবে কান্নার নাটক করে ইন্টারনেটের সহানুভূতি কুড়ানোর চেষ্টা করে— তা নিয়ে এখন সরগরম ‘বিগ বস বাংলা’-র ট্রোল পাড়া।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More