‘সারাকে নিয়ে গর্ব হয়, জারা অনেক বড় হয়ে গিয়েছে…’, দুই মেয়ের সঙ্গে কথা হয় যিশুর?
অভিনেতাকে আনফলো করেছেন নীলাঞ্জনা, এবং বড় মেয়ে সারা। এমনকী, যিশুও আনফলো করেছেন প্রাক্তন স্ত্রীকে। মাঝে বড় মেয়ে সারাকে আনফলো করলে, ফের তাঁকে ফলো করছেন যিশু। বাবার সঙ্গে কথা হয় দুই মেয়ের?
একসময় টলিউডের পাওয়ার কাপল হিসেবে ধরা হত যিশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা শর্মাকে। বছর দুই আগে যখন দুজনের বিয়ে ভাঙার খবর সামনে আসে, তখন অনেকেই বিশ্বাস করতে পারেননি। আপাতত টলিপাড়ায় কান পাতলে শোনা যায়, আইনত ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছে। কলকাতায় থাকলেও বালিগঞ্জে পরিবারের সঙ্গে সেভাবে যোগাযোগ নেই যিশুর। অভিনেতাকে আনফলো করেছেন নীলাঞ্জনা, এবং বড় মেয়ে সারা। এমনকী, যিশুও আনফলো করেছেন প্রাক্তন স্ত্রীকে। মাঝে বড় মেয়ে সারাকে আনফলো করলে, ফের তাঁকে ফলো করছেন যিশু। ছোট মেয়ের প্রোফাইলে অবশ্য বরাবরই ফলোয়ার্সের তালিকায় জ্বলজ্বল করেছে বাবার নাম।

স্বভাবতই প্রশ্ন আসে, দুই মেয়ের সঙ্গে কথা কি হয়? ব্যক্তিগত জীবন প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখতেই পছন্দ করেন যিশু। এমনকী, ডিভোর্স বিতর্কেও রা কাটেননি তিনি। সম্প্রতি প্রতিদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কথা বললেন দুই মেয়েকে নিয়ে।
সারা-জারা-র সঙ্গে কথা হয় কি না জানতে চাওয়া হলে যিশু বলেন, ‘সারা ওর কেরিয়ারে দারুণ কাজ করছে। জারা-র পড়াশোনা চলছে। প্রচুর বড় হয়ে গিয়েছে। কেরিয়ারের দিক থেকে দারুণ করছে সারা। ওকে নিয়ে ভীষণ গর্ব হয় আমার। যোগাযোগ আছে নিশ্চয়ই।’
২০১৮ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘উমা’ চলচ্চিত্রে নামভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে টলিউডে শিশুশিল্পী হিসেবে তাঁর অভিষেক ঘটেছিল সারা-র। অনস্ক্রিনেও তাঁর বাবার ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল যিশুকেই। এরপর লেখাপড়া শেষ করেন সারা। তারপর মডেল হিসেবে কাজ শুরু। মায়ের জুতোয় পা গলিয়ে, মডেলিং জগৎকে বেছে নিয়েছেন পেশা হিসেবে। কেরিয়ারের শুরু করেছিলেন নীলাঞ্জনা নিজেও মডেলিং দিয়েই। বেশিরভাগ থাকেন মুম্বইতেই। বহু নামি ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডের হয়ে কাজ করছেন যিশু-নীলাঞ্জনা কন্যা। অন্য দিকে, ডিভোর্সের পর নীলাঞ্জনার মন এখন পুরোপুরি প্রযোজনায়। নিজের প্রোডাকশন হাউজ শুরু করেছেন, ‘নিনি চিনিস মাম্মাস প্রোডাকশন’। যিশুও নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা খুলেছেন সৌরভের সঙ্গে হাত মিলিয়ে, নাম রেখেছেন, ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’!
আর এই প্রযোজনা সংস্থা থেকেই মুক্তির অপেক্ষায় ‘অভিমান’। আসছেন টলিউডের তিন খ্যাতনামা অভিনেতা একসঙ্গে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্য়ায়ের সিনেমা নিয়ে এখন উত্তেজনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই ট্রেলার জিতে নিয়েছে দর্শকদের মন। ছবির পরিচালনা করেছেন ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত। সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসার নানা রং লুকিয়ে আছে গল্পে। অতীতের এক রকস্টার, তার এক অনুরাগী, আর সেই রকস্টারের ছেলে, এই তিন চরিত্রকে ঘিরেই এগোবে গল্প।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


