Jojo Son Birthday: ৬ বছর হল জোজোর দত্তক-পুত্র আদীপ্তর, খুদে কেক কাটল সারেগামাপা-র সেটে, আদিবাবুকে নিয়ে কী লিখল ইমন মাসি

আদির বয়স দেখতে দেখতে ৬ বছর। আর এবার খুদের জন্মদিন পালন করা হল সারেগামাপা-র সেটে। যেখানে বর্তমানে বিচারক হিসেবে দেখা যাচ্ছে জোজোকে। আর জন্মদিনের উৎসবে সামিল হলেন ইমন, শুভমিতা, শ্রীরাধা, রূপঙ্কররা। 

Published on: Dec 5, 2025, 09:17:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা একটু অ্য়াক্টিভ, তাঁরা সকলেই পরিচিত গায়িকা জোজোর পুত্র আদীপ্ত-র সঙ্গে। যদিও ছেলেকে ভালোবেসে আদি বলেই ডাকেন তিনি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে আদিকে দত্ত নেন জোজো। ৫০ বছর বয়সে এসে ফের পেয়েছিলেন মাতৃত্বের স্বাদ। কাজের সূত্রে, মেয়ে আর স্বামী দুজনেই থাকেন কলকাতার বাইরে। গান আর ছেলে, আপাতত জোজোর জীবনের সিংহভাগ জুড়ে রয়েছে তাঁর এই দুই ভালোবাসা।

সারেগামাপা-র সেটে পালন করা হল জোজো পুত্রের ৬ বছরের জন্মদিন।
সারেগামাপা-র সেটে পালন করা হল জোজো পুত্রের ৬ বছরের জন্মদিন।

আদির বয়স দেখতে দেখতে ৬ বছর। আর এবার খুদের জন্মদিন পালন করা হল সারেগামাপা-র সেটে। যেখানে বর্তমানে বিচারক হিসেবে দেখা যাচ্ছে গায়িকাকে। সেটে আদির জন্মদিন পালনের ছবি শেয়ার করে জোজো লিখেছেন, ‘কী যে বলব আমি জানি না। সারেগামাপা-র টিমকে অনেক ধন্যবাদ আদির জন্মদিন এত স্পেশাল করে তোলার জন্য। যদিও এই মঞ্চে তোমরা ৩ বছর আগেও ওর জন্মদিন পালন করেছ। কিন্তু তখন তো বোঝেনি, এখন খুব মজা পেয়েছে।’

‘ইশ্বরের অসীম কৃপা যে ও এত গুণী মানুষের সান্নিধ্যে আসতে পারছে। ধন্যবাদ রূপম, রূপসা, ইমন, শুভমিতাদি, শ্রীরাধাদি, জিৎদা, শান্তনুদা, রূপঙ্কর, কৌশিকী-সহ সারেগামাপা-র পরিচালক ও টেকনিক্যাল টিমকে। সবাইকে আদির হয়ে প্রণাম জানালাম। এভাবেই ওকে আশীর্বাদ করো।’, আরও লেখেন জোজো নিজের সেই পোস্টে।

দেখা গেল সকলে মিলে আদির জন্য হ্য়াপি বার্থ ডে গাইছেন। জোজো-পুত্রের গায়ে লাল রঙের কো-অর্ড সেট। মাথায় জন্মদিনের টুপি। মায়ের হাত ধরে কেক কাটল সে। এরপর জোজো ছেলের মুখে তুলে দেন কেক, আদর করে গালেও মাখিয়ে দেন। সকলে মিলেই কেক খাওয়ান আদিকে। আদরে আদরে ভরিয়ে দেন ইমন, শুভমিতা, শ্রীরাধারা।

আদিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ইমন লিখলেন, ‘হ্যাপি বার্থ ডে আদিবাবু। ইমন মাসি তোমাকে খুব ভালোবাসে। অনেক বড় হও বাবা। অনেক ভালো মানুষ হও’।

করোনাকালে আদিকে কোলে পান জোজো। সেই সময় বাইরে থেকে আদিকে দেখাশোনার লোক রাখতে পারছিলেন না সংক্রমণের ভয়ে। ছেলের সমস্ত কাজ করেছিলেন নিজর হাতে। অ্যালার্ম দিয়ে রাখতেন খাবার-ওষুধ সমস্তকিছু।

দত্তক-ভাইকে সাদরে নিজের জীবনে জায়গা করে নিয়েছেন জোজো-কন্যা বাজোও। গায়িকাই জানিয়েছেন, বাজো এখন আদির দ্বিতীয় মা। ভাইয়ের সবদিকে ওর খেয়াল। জোজোর গর্ভজাত সন্তান না হলেও, ছোটবেলা থেকে সুরের জগতে বেড়ে ওঠায়, মিউজিকের প্রতি গভীর টান আদির। খুব ভালো ড্রাম বাজায় সে। মাঝেসাঝে ছেলের সেই ভিডিয়োও শেয়ার করে নেন তিনি।

প্রসঙ্গত, দত্তক নেওয়ার পর একাংশের ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছিল জোজোকে। এমনকী, একাংশ অমানবিকভাবে আদির ‘গায়ের রং’ নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। যাতে সেইসমব ট্রোলারদের উদ্দেশে জোজোর কড়া বার্তা ছিল, ‘আমি মিস জোজো না হলে আপনাদের জিভ টেনে ছিঁড়ে দিতাম। যদি ভাবেন আমি হুমকি দিচ্ছি, তাহলে দিচ্ছি। এৎ শেষ দেখে ছাড়ব।’

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More