Aratrika Maity: ‘কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে…’, তবুও দমতে না-রাজ আরাত্রিকা! কী হয়েছে জোয়ার ভাঁটার ‘উজি’র?

Aratrika Maity: ডাক্তার তিনদিন সম্পূর্ণ ‘ভয়েস রেস্ট’ নিতে বললেও, মেগার শুটিংয়ের প্রয়োজনে ভাঙা গলা এবং কষ্ট নিয়েই চিৎকার করে সংলাপ বলতে হয়েছে আরাত্রিকাকে। এখন কেমন আছেন অভিনেত্রী?

Published on: Jun 9, 2026, 18:16:26 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এই মুহূর্তে ছোটপর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’-তে চলছে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ এপিসোড। ধারাবাহিকের মূল চরিত্র ‘উজি’অর্থাৎ অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি ননদিনি খেয়াকে তার ‘জানোয়ার’ বরের হাত থেকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। পর্দায় উজির এই লড়াকু অবতার এবং ফাটাফাটি অভিনয় দর্শকেরা দারুণ পছন্দ করছেন। কিন্তু পর্দার এই লড়াই যখন সফল, ঠিক তখনই বাস্তব জীবনে নিজের কণ্ঠস্বর নিয়ে মারাত্মক লড়াই চালাতে হচ্ছে পর্দার উজিকে।

‘কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে…’, দমতে না-রাজ আরাত্রিকা! কী হয়েছে জোয়ার ভাঁটার ‘উজি’র?
‘কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে…’, দমতে না-রাজ আরাত্রিকা! কী হয়েছে জোয়ার ভাঁটার ‘উজি’র?

বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই আরাত্রিকার গলা সম্পূর্ণ বসে গিয়েছিল, যার ফলে কথা বলতেও চরম সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি। পর্দার প্রিয় নায়িকার এই ভাঙা কণ্ঠস্বর এবং অসুস্থতার কথা জানতে পেরে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন অনুরাগীরা। এবার নিজের শরীর এবং গলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।

‘ডাক্তার ৩ দিন বিশ্রাম নিতে বলেছিল, কিন্তু শুটিং তো থামানো যায় না!’

নিজের অসুস্থতা এবং ভাঙা গলা নিয়েও কীভাবে শুটিং চালিয়ে গিয়েছেন, সেই কষ্টের কথা হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে জানিয়েছেন আরাত্রিকা।

অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন আমি আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি। তেমন বড় কিছু হয়নি, আসলে গলাটা একদম বসে গিয়েছিল। ডাক্তারবাবু আমাকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে কমপক্ষে তিনদিন গলাটাকে একটু বিশ্রাম দিই (কথা বলা বন্ধ রাখি)। কিন্তু মেগা সিরিয়ালের ডেইলি সোপে সেটা তো কোনোভাবেই সম্ভব নয়! ওই অবস্থাতেই সেটে গিয়ে চিৎকার করে করে সংলাপ বলতে হয়েছে, যার কারণে গলার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। তবে এখন ভগবানের আশীর্বাদে একটু ভালো আছি।’ গত সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছিল জোয়ার ভাঁটা। সেই স্থান ধরে রাখার জন্য মরিয়া গোটা টিম। তাই এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে না-রাজ আরাত্রিকা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বার্তা

পর্দায় ভাঙা গলায় সংলাপ বলতে দেখে ফ্যানেরা যেভাবে তাঁর খোঁজ নিয়েছেন এবং ভালোবাসা পাঠিয়েছেন, তাতে আপ্লুত আরাত্রিকা। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি বিশেষ পোস্ট শেয়ার করে সবাইকে আশ্বস্ত করে তিনি লিখেছেন—'আমার গলার আওয়াজ যখন একটুখানি বিরতিতে (যদিও খুব একটা ছোট বিরতি নয়) ছিল, তখন যাঁরা যাঁরা মেসেজ করে আমার খোঁজ নিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে একটা মস্ত বড় ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনাদের এই দয়া এবং ভালোবাসা আমার কাছে গোটা পৃথিবী। আমি এখন বিশ্রাম নিচ্ছি এবং নিজের খেয়াল রাখছি, খুব তাড়াতাড়িই আবার আগের মতো সুস্থ হয়ে ফিরব! আপনাদের এই ধৈর্য এবং ভালোবাসার জন্য অনেক ধন্যবাদ।'

টেলিভিশনের পর্দায় উজির এই কঠিন লড়াইয়ের পেছনে অভিনেত্রীর এই অক্লান্ত পরিশ্রম আর পেশাদারিত্ব দেখে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ টলিপাড়া। চিকিৎসকের বারণ সত্ত্বেও দর্শকদের বিনোদনের জন্য ভাঙা গলাতেই চিৎকার করে শট দিয়েছেন আরাত্রিকা, যা প্রমাণ করে কাজের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More