Shruti Das: ‘জীবনে একবার….’, সেলেব-প্রীতি ভুলে কাকে জড়িয়ে ধরে প্রণামের ইচ্ছে প্রকাশ ‘নিশা’ শ্রুতির?
‘অনেক সেলিব্রিটিকে সামনে থেকে দেখার ইচ্ছা ছিল। সেটা কখনো সম্ভব না হলেও ক্ষতি নেই…', শ্রুতি দাস কার জন্য নিজের পুরোনো সব ইচ্ছে বিসর্জন দিতে চান?
রূপালি পর্দার মেগাস্টারদের সান্নিধ্য পাওয়া বা তাঁদের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হওয়ার স্বপ্ন দেখেন আম জনতা। অনেক সময় বহু তারকাও তাঁদের পছন্দের সেলেবকে কাছে পেতে চান। কিন্তু বিনোদন জগতের সেই প্রচলিত ছক ভেঙে এক অন্যরকম ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে অনুরাগীদের মন জয় করে নিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকের ‘নিশা’ চরিত্রে অভিনয় করে যিনি দর্শকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছেন, সেই শ্রুতি সোশাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন পোস্টে জানালেন নিজের মনস্কামনার কথা।

সেলেব-প্রীতি দূরে সরিয়ে শ্রুতির অন্যরকম পোস্ট
সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় নিজের ভাবনার কথা শেয়ার করে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, রূপালি পর্দার তারকাদের দেখার চেয়েও বাস্তবের এক নায়কের কাছে পৌঁছানো ওঁর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সোশাল মিডিয়ায় শ্রুতি দাস লিখেছেন, ‘অনেক সেলিব্রিটিকে সামনে থেকে দেখার ইচ্ছা ছিল। সেটা কখনো সম্ভব না হলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু জীবনে একবার হুসেন মানসুরি (Hussain Mansuri) দাদাকে জড়িয়ে ধরে প্রণাম করতে চাই। ব্যাস…’।
কে এই ‘গরীবের মসিহা’ হুসেন মানসুরি?
যার প্রতি শ্রুতির এই অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা, তিনি গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের কেউ নন, বরং বাস্তবের এক অনন্য সমাজকর্মী। হুসেন মানসুরি সাধারণ মানুষের কাছে ‘গরীবের মসিহা’ নামে পরিচিত। নিরন্ন ও অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া এবং তাঁদের বিপদে পাশে দাঁড়ানোকেই যিনি জীবনের ব্রত করেছেন।
সম্প্রতি অসমের ভয়াবহ বন্যায় যখন লাখ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন, তখন নিজের জীবন বাজি রেখে দুর্গতদের পাশে উদ্ধার কাজে নেমেছিলেন এই সমাজকর্মী। তাঁর সেই নিঃস্বার্থ মানবিকতার দৃশ্য দেখে আপ্লুত হয়েছেন শ্রুতি নিজেও।
টেলিপাড়ার সেলেব মোমেন্ট: আরাত্রিকা ও সাই পল্লবীর দেখা হওয়া
পর্দার তারকাদের দেখার আকাঙ্ক্ষা টেলিপাড়ায় অবশ্য নতুন নয়। কিছুদিন আগেই শ্রুতির অনস্ক্রিন বোন তথা জোয়ার ভাঁটার উজি আরাত্রিকা মাইতি ওঁর স্বপ্নের নায়িকা, দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার সাই পল্লবী-র মুখোমুখি হয়েছিলেন। সাই পল্লবীর মতো গুণী তারকাকে কাছ থেকে পেয়ে আরাত্রিকা যেভাবে আবেগে ভেসেছিলেন, তা কারুর অজানা নয়। আরাত্রিকা নিজে জানিয়েছেন সাই পল্লবীর মেকআপ ভ্যানের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি হাউহাউ করে কেঁদেছেন। শ্রুতি অবশ্য এই মামলায় আরাত্রিকার চেয়ে আলাদা।
সেলিব্রিটির আলো ঝলমলে দুনিয়া বাদ দিয়ে একজন বাস্তবের সমাজকর্মীকে জড়িয়ে ধরে সম্মান জানানোর ইচ্ছে প্রকাশ করলেন— তা নেটপাড়ায় এক নতুন ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিল। অনুরাগী থেকে নেটিজেনরা এক বাক্যে শ্রুতির এই ভাবনাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


