Joy-Lopamudra: ‘আরও এক সতীন জুটলো…’, জয়ের সাথে কার ছবি দেখে রেগে লাল লোপামুদ্রা? এল বরের পালটা জবাব
Joy-Lopamudra: সংগীত পরিচালক জয় সরকার কি পরকীয়াতে মজলেন? তাও আবার খোদ লোপামুদ্রা মিত্রর নাকের ডগায়! সম্প্রতি জয়ের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে এই ‘সতীন’ আতঙ্ক ছড়িয়েছে খোদ লোপামুদ্রার মনেই।
টলিপাড়ার ‘পাওয়ার কাপল’ তাঁরা। একজনের সুরের জাদুতে দর্শক মোহিত, অন্যজনের কণ্ঠের মাদকতায় বাঙালি মাতোয়ারা। কিন্তু সুরকার জয় সরকার আর গায়িকা লোপামুদ্রা মিত্রর অন্দরমহলে কি এবার অশান্তির সুর? সম্প্রতি একটি ঝকঝকে কালো পিয়ানোকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর যে ‘যুদ্ধ’ চলল সোশ্যাল মিডিয়ায়, তাতে হেসেই কূল পাচ্ছেন না অনুরাগীরা।

নতুন প্রেমে মজেছেন জয়?
সবটাই শুরু হল জয়ের একটি পোস্ট থেকে। একটি বিপণিতে গিয়ে ইয়ামাহা গ্র্যান্ড পিয়ানো GB 1K-র প্রেমে পড়ে যান জয়। সেই রাজকীয় বাদ্যযন্ত্রের সামনে বসে পোজ দিয়ে জয় লিখলেন, ‘সাউন্ডটা যেমন রাজকীয়, দেখতেও তেমনই রাজকীয়!’ ব্যাস, এই ‘প্রেম’ দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি লোপামুদ্রা।
লোপামুদ্রার ‘সতীন’ কাঁটা
জয়ের পোস্টে সপাটে মন্তব্য করলেন স্ত্রী লোপামুদ্রা। লিখলেন, ‘ভাল্লাগেনা। আরও একটা সতীন জুটলো!’ বোঝা গেল, নতুন বাদ্যযন্ত্রের প্রতি জয়ের এই টান লোপামুদ্রার কাছে সতীনের চেয়ে কম কিছু নয়। এমনিতেই স্টুডিয়োর ব্যস্ততায় জয়ের সময় কাটে সুরের সঙ্গেই, তাতে এমন এক ‘রাজকীয়’ পিয়ানো বাড়িতে এলে লোপামুদ্রার ভাগ যে আরও কমবে, সেই মজাদার আশঙ্কাই ধরা পড়ল তাঁর লেখায়।
নিজেকে বেচার ভয়!
স্ত্রীর এমন বাণে ঘাবড়ে না গিয়ে মোক্ষম চাল চাললেন জয়। তড়িঘড়ি জানালেন এটি তাঁর কেনা নয়। জয়ের জবাব,'এটা আমি কিনিনি গো! যা দাম, কিনতে গেলে নিজেকে বেচতে হবে। দোকানে গিয়ে একটু নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। পরের জন্মের জন্যে বুকিং করে এলাম।' অর্থাৎ, দামের চোটে আপাতত পিয়ানোটি দোকানেই রয়ে গেল, আর জয়ও এ যাত্রায় ‘সতীন’ আনার দায় থেকে রেহাই পেলেন। প্রসঙ্গত, এই আলিশান পিয়ানোটির দাম প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি।
হাসির রোল নেটপাড়ায়
দম্পতির এই খুনসুটি এখন সুপার ভাইরাল। বিলাসিতার খবরের ভিড়ে জয়-লোপামুদ্রার এই আটপৌরে অথচ বুদ্ধিদীপ্ত রসিকতা নেটিজেনদের মন জয় করেছে। অনেকেই লিখছেন, ‘লোপাদি থাকতে নতুন সতীনের তো জায়গা হওয়ার কথা নয়, কিন্তু পিয়ানোটা যা সুন্দরী!’
জয়-লোপার খুনসুটি অফুরান
দীর্ঘ ২৬ বছরের সংসার দুজনের। ভালোবেসে পরস্পরের হাত ধরেছিলেন তাঁরা। কোনও নিয়মের মধ্যে নিজেকে বাঁধতে স্বাচ্ছন্দ্য নন লোপামুদ্রা। তবুও বয়সে ছোট জয়ের বাজনা, মিউজিকাল সেন্সের প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। ঝগড়ার মধ্যে দিয়েই শুরু দুজনের প্রেম। প্রেমের মধ্যেই বাঁধা দাম্পত্যের সুর। লোপামুদ্রা মিত্র আর জয় সরকারের প্রেমের গল্পটা বেজায় রোমাঞ্চকর। সারাক্ষণ পা-এ পা তুলে ঝগড়া করে বর, সেই কারণে জয়কে ‘ননদ’ বলে প্রকাশ্যে খোঁচা দেন লোপা। এই মিষ্টি খুনসুটিতেই লুকিয়ে তাঁদের প্রেম।
দীর্ঘ দাম্পত্যের সফর। তবে এই দম্পতির কোনও সন্তান নেই। গান নিয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান এই মিউজিক্যাল দম্পতি। তাই তো বয়সের ফারাক কোনওদিন বাধা হয়নি দুজনের সম্পর্কে। হ্যাঁ, লোপার চেয়ে বয়সে অনেকটা ছোট জয়। প্রায় পাঁচ বছরের। সেই নিয়ে বরের সঙ্গে মশকরা করতে ছাড়েন না লোপা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


