মোদীকে ঘিরে রচনা-সায়নীরা, ব্রেকফাস্ট টেবিলে হাসির ফোয়ারা! প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ উপহার জুনের
অমিত শাহ-র পর এবার প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ জুন মালিয়ার। ছিলেন সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রাও। কী কথা হল?
দিল্লি সফরের মাঝেই প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদী (Narendra Modi)-র সাথে সাক্ষাৎ করলেন NCPI সাংসদরা। হ্যাঁ, এদিন তৃণমূল ত্যাগী সাংসদদের সঙ্গে নিজের সরকারি বাসভবনে প্রাতঃরাশ সারেন জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়রা। পূর্ব ভারতের সার্বিক উন্নয়নের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, এদিন মোদীর সঙ্গে মোলাকাত সেরে জানান NCPINCPI সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার পর মোদীজিকে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী কাঁথা স্টিচের একটি বিশেষ উত্তরীয় উপহার হিসেবে তুলে দেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া। পরবর্তীতে এই সৌজন্য সাক্ষাতের দারুণ অভিজ্ঞতা সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে এক দীর্ঘ আবেগঘন পোস্ট প্রকাশ করেন জুন।
‘সোনার বাংলার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী মোদীজী’
প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাভাবনা ও বাংলার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে সোশাল মিডিয়ায় জুন মালিয়া লেখেন: ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জীর সাথে ওঁর বাসভবনে দেখা করাটা অত্যন্ত সম্মান ও সৌভাগের বিষয়। বাংলার বিশাল সম্ভাবনা ও শক্তি নিয়ে ওঁর যে গভীর বিশ্বাস রয়েছে, তা আমাকে সত্যিই অভিভূত করেছে।’
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পীঠস্থান: জুন আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী কীভাবে আশা ব্যক্ত করেছেন যে আগামী দিনে বাংলা আবার সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উন্নয়নের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে। মোদীজী মনে করিয়ে দেন যে বাংলা চিরকালই প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব, চিন্তাবিদ, শিল্প ও সংস্কৃতির তীর্থভূমি।
হালকা চালে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা: ‘স্বাস্থ্যই সম্পদ’
আলোচনার মাঝে একটি হালকা অথচ অত্যন্ত অর্থবহ মুহূর্তের কথা তুলে ধরে জুন জানান।
দৈনন্দিন যোগব্যায়াম ও চেকআপ: প্রধানমন্ত্রী সকল প্রতিনিধিকে প্রতিদিনের জীবনে যোগব্যায়াম (Yoga) যুক্ত করার এবং বছরে অন্তত একবার পুরো শরীরের শারীরিক পরীক্ষা (Annual Health Check-up) করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সেবার পূর্বশর্ত সুস্থতা: মোদীজীর দেওয়া বার্তা ছিল সহজ— ‘Health is Wealth’ (স্বাস্থ্যই সম্পদ)। যদি দেশের মানুষের জন্য দিনরাত কাজ করতে হয়, তবে আগে নিজেদের শরীর ও মন সুস্থ রাখতেই হবে।
নিজের ব্যস্ত সময়সূচি থেকে সময় বের করে প্রতিনিধি দলকে উৎসাহিত করা এবং দেশ গঠনের দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন জুন মালিয়া। প্রবীণ রাষ্ট্রনেতার দেওয়া এই উপদেশ এবং দিকনির্দেশনাকে পাথেয় করেই দেশের ও রাজ্যের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন তিনি। ওদিকে সাংসদ শতাব্দী রায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘উনি চা নিয়েই বসেছিলেন, আমরা পায়েস-টায়েসও খেয়েছি’।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


