Kailash Kher: 'শচীনকে বলবেন ছক্কা মেরে দেখাতে?' হঠাৎ কেন মেজাজ হারালেন কৈলাস? কী হল এমন?
Kailash Kher: বিভিন্ন কনসার্ট অথবা অনুষ্ঠানে সংগীত শিল্পীদের গান গাওয়ার অনুরোধ করার বিষয়টা নতুন কিছু নয়। কিন্তু এবার একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে বলায় রীতিমতো মেজাজ হারিয়ে ফেললেন সংগীত শিল্পী কৈলাস খের।
Kailash Kher: বিভিন্ন কনসার্ট অথবা অনুষ্ঠানে সংগীত শিল্পীদের গান গাওয়ার অনুরোধ করার বিষয়টা নতুন কিছু নয়। এরকম দৃশ্য প্রায়ই সর্বত্র দেখতে পাওয়া যায়। এমনকি কোনও সঙ্গীত শিল্পীই অথবা নৃত্যশিল্পী কোনও রিয়ালিটি শোয়ে যদি যান, সেক্ষেত্রেও তাঁদের পারফর্ম করার অনুরোধ করা হয় যেটা হাসিমুখেই রাখেন সেই শিল্পী। কিন্তু এবার একটি অনুষ্ঠানে গান গাইতে বলায় রীতিমতো মেজাজ হারিয়ে ফেললেন সংগীত শিল্পী কৈলাস খের।

কী ঘটেছে?
শনিবার দিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হয়ে এসেছিলেন কৈলাস। নির্দিষ্ট একটি বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্যই তিনি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু আলোচনার মধ্যেই হঠাৎ করে যখন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক কৈলাসকে গান গাওয়ার অনুরোধ করেন তখন রীতিমতো রেগে যান তিনি।
আরও পড়ুন: ফের ছোট পর্দায় ফিরছেন হানি, বলবেন এক সিঙ্গেল বাবার গল্প, বিপরীতে থাকবেন কে?
কৈলাস বলেন, ‘এই বিষয়টা নিয়ে আমি আপত্তি করতে চাই। দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই বিষয়টা কিন্তু এবার এটা পাল্টানো দরকার। এক লাইন গেয়ে দিন, যে কোনও মঞ্চে উঠলেই শিল্পীদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়। কিন্তু আমার মনে হয় এবার এটা বন্ধ করা দরকার। এমন আচরণ যেন আর কেউ না করেন।’
কৈলাস আরও বলেন, ‘আপনারা কি সচিন তেন্ডুলকারকে কখনও বলবেন যে একটা ছক্কা মেরে দেখান? নিশ্চয়ই বলবেন না। পৃথিবীতে অন্য কারও সঙ্গে কেন কেউ এরকম আচরণ করেন না। শুধুমাত্র শিল্পীদের সঙ্গে কেন করা হয়? শিল্পীদের জোকার হিসেবে দেখাটা বন্ধ হোক।’
কৈলাসের এই বক্তব্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া গেছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। একজন লিখেছেন, ‘যদি দু লাইন গান গেয়ে কারও মুখে হাসি ফোটানো যায় তাহলে সেটা অন্যায় কিছু নয়।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘যদি কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তি আপনাকে এমন কথা বলতে তাহলে হয়তো আপনি আপত্তি করতেন না।’ তৃতীয় একজন সহমত পোষণ করে লিখেছেন, ‘একদম ঠিক কথা বলেছেন, আপনারা তখন ঠিক গান গেয়ে দিতেন।’
আরও পড়ুন: 'গরমে খাওয়াই যাচ্ছে না...', বৈশাখের গরমে সুস্থ থাকতে কী কী খাচ্ছেন কনীনিকা?
কৈলাস খের সম্পর্কে
এই গায়ক কোকা-কোলা, সিটিব্যাঙ্ক, পেপসি, আইপিএল এবং হোন্ডা মোটরসাইকেলের মতো ব্র্যান্ডের জন্য জিঙ্গেল রেকর্ড করার মাধ্যমে তিনি নিজের কেরিয়ার শুরু করেন। ২০০৩ সালে, 'ওয়াইসে ভি হোতা হ্যায় পার্ট II' ছবির 'আল্লাহ কে বান্দে' গানটির মাধ্যমে তিনি ব্যাপক সাফল্য লাভ করেন। ২০০৪ সালে, তিনি পরেশ এবং নরেশ কামাথ ভাইদের সাথে 'কৈলাসা' নামে তার ব্যান্ড গঠন করেন এবং ২০০৬ সালে তাদের প্রথম অ্যালবামে 'তেরি দিওয়ানি' গানটি ছিল, যা ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় গানে পরিণত হয়। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি 'সালাম -এ-ইশক : এ ট্রিবিউট টু লাভ' থেকে 'ইয়া রাব্বা', 'বাহুবলী: দ্য বিগিনিং' থেকে 'কৌন হ্যায় ভোহ' এবং 'বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন' থেকে 'জয় জয়করা' ও 'জল রহি হ্যায় চিতা' সহ আরও অনেক হিট গান উপহার দিয়েছেন।
E-Paper

