Kishore Kumar-Kajol: কিশোর কুমার সম্পর্কে কে হন কাজলের? তাঁদের পারিবারিক কানেকশন চমকে দেবে আপনাকে
Relation Between Kishore Kumar and Kajol: অভিনেতা এবং গায়ক কিশোর কুমারের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক কাজলের। তাদের মধ্যকার সম্পর্ক জানা নেই অনেকেরই।
হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এমন অনেক পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে, যেগুলোর কথা খুব কম মানুষই জানেন। অতীতের দুই ভাই অভিনেতা অশোক কুমার, অনুপ কুমার এবং কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমার—এই তিনজনের কথা সবাই জানে। কিন্তু এই ভাইদের সঙ্গে অভিনেত্রী কাজল-এর পারিবারিক সম্পর্কের কথা কি জানেন? চলুন, আপনাকে সেই চমকপ্রদ তথ্যটাই জানাই।

অশোক কুমার, কিশোর কুমার এবং অনুপ কুমারের একমাত্র বোন ছিলেন সতী রানি দেবী। তিনি সেই সময়ের বিখ্যাত পরিচালক-প্রযোজক শশধর মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেছিলেন। তখন সতী রানি দেবী ছিলেন নিজের যৌবনে। তাঁদের এই বিয়ে ছিল সম্পূর্ণরূপে অ্যারেঞ্জড, এবং এর একটি বড় কারণ ছিল তাঁদের বাঙালি পারিবারিক পটভূমি।
শশধর মুখার্জি ও সতী রানি দেবীর মোট ছয়জন সন্তান ছিল। তাঁদের ছেলে জয় মুখার্জি, দেব মুখার্জি এবং রানো মুখার্জি চলচ্চিত্র জগতে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। তাঁদের আরেক ছেলে সোমু মুখার্জি পরিচালক হিসেবে বহু ছবিতে কাজ করেছেন।
সোমু মুখার্জি বিয়ে করেন অভিনেত্রী তনুজা-কে, যিনি ছিলেন শোভনা সমর্থ-এর মেয়ে এবং কিংবদন্তি অভিনেত্রী নূতন-এর বোন। এই দম্পতির সন্তানই হলেন কাজল এবং তনিশা মুখার্জি।
অর্থাৎ, কাজলের দিদিমা ছিলেন অশোক কুমার ও কিশোর কুমারের বোন। সেই হিসেবে এই দুই কিংবদন্তি অভিনেতা-গায়ক কাজলের দাদু হন—যা সত্যিই অনেকের কাছে অজানা এবং বিস্ময়কর এক তথ্য।
কাজলের দাদু শশধর মুখার্জি ১৯৪০ থেকে ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে চলচ্চিত্র জগতে কাজ করেছেন। তিনি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন বিখ্যাত ফিল্মিস্তান স্টুডিও। তিনি নিজের ভাইদের চলচ্চিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে সাহায্য করেছিলেন। তাঁর ভাই রামমোহন মুখার্জি ছিলেন অভিনেত্রী রানি মুখার্জি-র দাদু। শশধর মুখার্জি তাঁর শ্যালক অশোক কুমারকেও চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেন। তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানেও ভূষিত করা হয়েছিল।

কাজলের মুখার্জি পরিবার বহু দশক ধরে হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাদু অসংখ্য সফল ছবি নির্মাণ করেছেন এবং ফিল্মিস্তান প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু সাফল্যের রেকর্ড। অন্যদিকে, কাজলের নানির দিকের পরিবারও সমানভাবে সফল। তাঁর নানি শোভনা সমর্থ বহু ছবিতে প্রধান ও পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর মাসি নুতন আজও হিন্দি সিনেমার অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হিসেবে গণ্য হন। কাজলের মা তনুজাও বহু হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন।
এছাড়া, কাজলের শ্বশুরও ছিলেন একজন বিখ্যাত অ্যাকশন ডিরেক্টর। তাঁর স্বামী অজয় দেবগন ১৯৯০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্র জগতে সক্রিয় রয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ভয়েসওভারও দিয়েছেন, পরিচালনা করেছেন এবং চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


