Kanchan-Sreemoyee: ‘আমাকে তো ফেলে রেখে চলে যায়, এইবার মেয়ে…’! কাঞ্চন-কৃষভির ভিডিয়ো দিলেন শ্রীময়ী
শ্রীময়ী একটা ভিডিয়ো শেয়ার করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা গেল বাবার কোলে চেপে বসে আছে কৃষভি। কিছুতেই নামছে না কোল থেকে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ থাকেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টোরাজ। ছোটখাটো নানা ভিডিয়োও শেয়ার করে নেন। কখনো তাঁর আর কাঞ্চনের, কখনো আবার সেই ভিডিয়োতে থাকে তাঁদের ছোট্ট মেয়ে কৃষভি। আর খুদেকে পেলে নেটপাড়ার আর কী বা চাই! নিমেষে ভাইরাল হয় সেই ভিডিয়ো।

এবার শ্রীময়ী একটা ভিডিয়ো শেয়ার করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা গেল বাবার কোলে চেপে বসে আছে কৃষভি। কিছুতেই নামছে না কোল থেকে। এদিকে যেতে হবে শ্যুটিংয়ে। শ্রীময়ী বারবার ডাকলেও, কাঞ্চনের কোল থেকে নামবে না!
শ্রীময়ী এরপর জানায় যে, আসলে কাঞ্চন যাবে শ্যুটিংয়ে। বাবাকে তৈরি হতে দেখে কৃষভি ভেবেছে ঘুরতে যাওয়ার এই সুযোগ! শ্রীময়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘শ্যুটিংয়ে যাবে। আর পড়েছে ফ্যাসাদে। আমাকে তো ফেলে রেখে চলে যায়। আর এইবার পড়েছে মেয়ের খপ্পরে। মেয়ে এখন আর আসতে চাইছে না। বুঝেছে ঘুরতে যাওয়া যাবে!’
আইনি বিয়ের এক মাস পর, ২০২৪ সালের মার্চে সামাজিক বিয়ে করেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। এরপর নভেম্ববর মাসে তাঁদের কোলে আসে প্রথম সন্তান কৃষভি। মেয়ের ১ বছরের জন্মদিনে একটি হৃদয়গ্রাহী পোস্ট শেয়ার করে নেন কাঞ্চন।
অভিনেতা-বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন আমার সোনা মা। আমি আমার মাকে হারিয়েছি গত চার বছর আগে, কিন্তু গত বছর আমি আমার মাকে ফিরে পেয়েছি কৃষভির মধ্যে। ঈশ্বর আমাকে বাবা হওয়ার সুযোগ হয়ত দিয়েছে, কিন্তু কৃষভি আসার পর নিজের হাতে করে বড় করার সুযোগ পেয়েছি নিজের সন্তানকে। চোখের সামনে দেখলাম একদিন থেকে কীভাবে এক বছর হয়ে গেল আমার মেয়ের। কীভাবে এক একটা দিন করে বেড়ে উঠল ছোট প্রাণটা, এই অনুভূতিটা হয়তো বলে শেয়ার করতে পারব না। আমি চাইব, আমরা হয়তো ওর সব ইচ্ছে পূরণ করতে পারব না, কিন্তু ঈশ্বর যেন ওর সমস্ত ইচ্ছা পূরণ করে, আমার ও শ্রীময়ীর ওকে ঘিরে কোন চাহিদা নেই। ওর ওপর কিছু জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার নেই,শুধু একটাই চাহিদাও যেন মাথা উঁচু করে, মেরুদন্ড সোজা রেখে মানুষের মতো মানুষ হয়। এবং বর্তমান সমাজে দাঁড়িয়ে জীবনের কঠিনতম পরিস্থিতি যেন মোকাবিলা করার ক্ষমতা ঈশ্বর ওকে দেন।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


