Kanchan Son: ‘খুব মিস করছি এই ১০টা মাস..’, গুরু পূর্ণিমায় ছেলে কোলে বাড়ি ফিরল কাঞ্চন-শ্রীময়ী, গদাইয়ের মুখ কি দেখালেন?
বিয়ের দু-বছর যেতে না যেতেই দ্বিতীয় সন্তান এল শ্রীময়ীর কোলে। গুরু পূর্ণিমার দিন হাসপাতাল থেকে ছেলে কোলে বাড়ি এলেন কাঞ্চন ঘরণী।
গুরু পূর্ণিমার পুণ্য লগ্নে কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজের সংসারে যেন আনন্দের জোয়ার! হাসপাতাল থেকে সদ্যোজাত পুত্রসন্তানকে কোলে নিয়ে নিজেদের ভালোবাসার নীড়ে ফিরলেন এই তারকা দম্পতি। আদরের ছোট ছেলেকে নিয়ে পার্কস্ট্রিটের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রওনা দেওয়ার মিষ্টি ভিডিয়ো ফেসবুকে ভাগ করে নিয়েছেন শ্রীময়ী।

গর্ভকালীন ১০ মাসের স্মৃতি ও খুদে দিদির মিষ্টি উপহার
মেয়ের বয়স সবে ১৯ মাস। বিয়ের দু-বছরের মধ্যেই দু-বার গর্ভধারণ ও সন্তান প্রসবের জেরে কম কটাক্ষ ঘিরে ধরেনি শ্রীময়ীকে। কিন্তু বিতর্ককে পাত্তা দিতে না-রাজ কাঞ্চনের তৃতীয় স্ত্রী। তিনি ভিডিয়োতে বললেন, ‘খুব মিস করব এই ১০টা মাস!’ গর্ভকালীন জীবনের সুন্দর দিনগুলো পার করে কোলে নতুন সদস্য আসার এই আনন্দ যে কতখানি, তা ওনার বার্তাতেই স্পষ্ট। তবে নিজের ছোট ভাই— যাকে ভালোবেসে ডাকনাম দেওয়া হয়েছে 'গদাই', তাঁকে স্বাগত জানাতে সবচেয়ে বেশি কসরত করেছে দিদি কৃষভি।
একরত্তি ভাই গদাইয়ের জন্য দারুণ আয়োজনে মেতেছে দিদি কৃষভি। খুদে ভাইকে কী কী খাওয়াবে তার প্ল্যানিং সেরে ফেলেছে কৃষভি। ভাই-বোনের আদুরে সাক্ষাৎ-এর ভিডিয়ো আগেই ভাগ করে নিয়েছেন শ্রীময়ী। এবার গোপী আর গদাইয়ের ফের আলাপচারিতা জমবার পালা। একরত্তি কৃষভি যেন এক লহমায় বেশ দায়িত্বশীল বড় দিদি হয়ে উঠেছে!
গুরু পূর্ণিমার শুভ দিনে নতুন সদস্যের আগমন এবং পরিবারের এই সুন্দর মুহূর্তে অনুরাগী থেকে শুরু করে টলিপাড়ার সহকর্মীরা শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসিয়ে দিচ্ছেন কাঞ্চন-শ্রীময়ীকে। কিন্তু ট্রোলাররাও পিছু ছাড়েননি। শ্রীময়ীর কথার রেশ টেনেই অনেকে বলেন, ‘মিস করবেন কেন জার্নিটাকে, আসছে বছর আবার হবে’।
কাঞ্চন ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী, পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক পুত্র সন্তান রয়েছে ওশ। মায়ের কাছেই থাকে সে, বাবার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই ওশের। এই নিয়ে তৃতীয়বার বাবা হলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। কৃষভি আর কৃষিভকে নিয়ে এখন তাঁর ভরা সংসার।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


