Kanchan Daughter: গদাইয়ের ষষ্ঠীপুজোয় উলু দিল ‘দিদি’ কৃষভি! নতুন জামা পরে আর কী কী করল কাঞ্চন-কন্যা?
গত ২৫শে জুলাই পুত্র সন্তানের জননী হয়েছেন শ্রীময়ী চট্টরাজ। নিয়ম মেনে বাড়িতে মা ষষ্ঠীর পুজো করলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী।
কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের সংসারে এখন শুধুই আনন্দের জোয়ার! মেয়ে কৃষভির বয়স সবে ১৯ মাস। এর মধ্যেই গত ২৫শে জুলাই পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী। গুরু পূর্ণিমার বিশেষ দিনে হাসপাতাল থেকে ছেলে 'গদাই'-কে নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন তারকা দম্পতি। আর এবার ঘরেই ধুমধাম করে আয়োজন করা হয়েছিল খুদের ষষ্ঠীপুজো। নিয়ম মতো ছেলেক জন্মের ৬ দিনের মাথায় মা ষষ্ঠীর পুজো দিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। তবে ভাইয়ের পুজোর মূল আকর্ষণের কেন্দ্রে কিন্তু পুচকে 'বড় দিদি' কৃষভিই!

নতুন জামা, উলুধ্বনি আর কাঁসার থালা!
ভাইয়ের ষষ্ঠীপুজোয় নতুন সাজে সেজে আহ্লাদে আটখানা ১৯ মাসের কৃষভি। শ্রীময়ীর শেয়ার করা মিষ্টি এক ভিডিওতে ধরা পড়েছে ওঁর চঞ্চলতা ও আনন্দের মুহূর্তগুলো।
ছোট হলেও ভাইয়ের পুজোয় কোনো ফাঁকি দেয়নি কৃষভি! পিপি (পিসি)-র দেওয়া নতুন জামা পরে নিজে মুখ দিয়ে সুন্দর করে উলু দিয়েছে, আবার কাঁসার থালা বাজিয়ে পুজোর আমেজ জমিয়ে তুলেছে সে। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে পুজো চলাকালীনই বাবা কাঞ্চন মল্লিক ও মা শ্রীময়ীকে সস্নেহে আদরে ভরিয়ে দিতে দেখা গেছে এই খুদেকে।
ছেলের মুখ কবে দেখাবেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী?
কৃষভি জন্মগ্রহণ করার পরও কিছুদিন ওঁর মুখ গোপন রেখেছিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। অন্নপ্রাশনের শুভ দিনেই প্রথমবার মেয়েকে জনসমক্ষে এনেছিলেন তাঁরা।
ছেলে গদাইয়ের ক্ষেত্রেও সেই একই পথ অনুসরণ করছেন তারকা দম্পতি। এখনও পর্যন্ত ওঁর মুখ সোশাল মিডিয়ায় দেখাননি শ্রীময়ী। ধারণা করা হচ্ছে, কৃষভির মতোই বড় অনুষ্ঠান অর্থাৎ অন্নপ্রাশনের দিনই হয়তো খুদের মুখ দেখার সুযোগ পাবেন অনুরাগী ও নেটিজেনরা।
ছেলে হওয়ার সুখবর জানিয়েছে যৌথ বিবৃতিতে দম্পতি জানিয়েছিলেন- ‘আজ আমাদের হৃদয় এবং আমাদের বাড়ি আরও একটু ভালোবাসায় ভরে উঠল। কৃষভির ছোট ভাই ‘কৃষিভ’ আজ আমাদের মাঝে এসেছে, আর আমাদের ছোট্ট পরিবার ৩ থেকে ৪ জনে পরিণত হলো। আমাদের এই নতুন আশীর্বাদকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। একসাথে সুন্দর একটি নতুন অধ্যায় শুরু করার অপেক্ষা আর সইছে না। পরিবারে তোমাকে স্বাগতম, কৃষিভ!’
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


