Kanchan-Sreemoyee-Krishvi: কৃষভির একমাথা ফুরফুরে চুল গায়েব! কাঞ্চন-কন্যার নেড়ু মাথার ছবি দিলেন শ্রীময়ী

মে মাসেই আঠেরো পূর্ণ করল কাঞ্চন মল্লিক-শ্রীময়ী চট্টোরাজের মেয়ে কৃষভি। ফলত তাঁরা দান করলেন মেয়ের চুল। আর নেড়ু মাথার মেয়ের ছবি ভাগ করে নিলেন মাম্মা শ্রীময়ী। 

Published on: May 14, 2026, 09:01:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৪ সালের ২ নভেম্বর কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর কোল আলো করে আসে তাঁদের একমাত্র কন্যা সন্তান। কৃষভি শব্দের অর্থ হল কালো (কৃষ্ণের গায়ের রং), দয়ালু, পবিত্র, শুভ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী দু'জনেই কৃষ্ণ ভক্ত। তাই পরিকল্পনা মাফিকই মেয়ের নাম রেখেছিলেন তাঁরা। আর মে মাসেই আঠেরো পূর্ণ করল খুদে। ফলত দান করলেন মেয়ের চুল। আর নেড়ু মাথার কৃষভির ছবি ভাগ করে নিলেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী।

নেড়ু কৃষভির ছবি শেয়ার করে নিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী।
নেড়ু কৃষভির ছবি শেয়ার করে নিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী।

তিনটি ছবি শেয়ার করে নিলেন শ্রীময়ী। দেখা গেল নিজেকে ন্যাড়া মাথায় দেখে একটু যেন হতবাক এই খুদেও। তবে যাই হয়ে যাক না, সেই একগাল হাসি এবারেও কৃষভির মুখে। প্রায় প্রতিটা ছবিতে এভাবেই হাসিখুশি মুখে দেখা যায় কাঞ্চন-শ্রীময়ী কন্যাকে। ছবিগুলি শেয়ার করে শ্রীময়ী লেখেন, ‘দেখো আমি নেড়ু হয়েছি’।

আর কমেন্ট সেকশনে খুদেকে ভালোবাসায় ভরালেন নেটিজেনরা। ‘নেড়ু মাম্মা তোমার এই সুন্দর চুলটা কে নিয়ে নিল’, আসে একটি মন্তব্য। শ্রীময়ীর পোস্টে মন্তব্য করেছেন টলিউডের আরেক মাম্মা অনিন্দিতা রায় চৌধুরীও। অনেকগুলো চোখে জল আনা ইমোজিরছবি, আর রেড হার্ট ইমোজি দিয়েছেন।

কাজের বাইরে বেশিরভাগ সময়টাই মেয়েকে দেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী বেশ কয়েকবার জানিয়েছেন, মেয়েকে নিয়ে একটু বেশিই পজেসিভ কাঞ্চন। পারলে মেয়েকে সবসময় রাখেন চোখের সামনে।

কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজ দীর্ঘদিন সম্পর্কের গুঞ্জনের পর ২০২৪ সালে বিয়ে করেন। কাঞ্চনের আগের বিবাহবিচ্ছেদের পর তাঁদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে এবং তা নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছিল। যদিও দুজনেই সেই সময় তা অস্বীকার করেন। এমনকী, বিয়ের পরও কম কটাক্ষে পড়েননি তাঁরা। যদিও ট্রোলে পাত্তা দিতে নারাজ কর্তা-গিন্নি দুজনেই।

জানা গিয়েছে, সন্তান প্রসবের সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসা বাবদ কাঞ্চন-শ্রীময়ীর খরচ হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা, যা বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল। কাঞ্চন ছিলেন তখন উত্তরাপাড়র বিধায়ক। আর বিধায়করা সাধারণত নিজেদের কিংবা স্ত্রী-সন্তানের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের বিল বিধানসভায় জমা দেওয়ার সুযোগ পান। আর এক্ষেত্রে মেডিক্যাল বিলের ক্ষেত্রে কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকে না। তবে কাঞ্চন-শ্রীময়ীর ক্ষেত্রে এই টাকার অঙ্ক নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। বেসরকারি হাসপাতালের খরচ ছিল ২ লক্ষ টাকা। আর চিকিৎসকের খরচ ৪ লক্ষ টাকা। যদিও কাঞ্চন গোটা ব্যাপারটা অস্বীকার করে জানান যে, তিনি কোনো বিলই জমা দেননি। আর কতটা বিল হয়েছে, সেটা একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই সেটা নিয়ে কথা বলতে চান না।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More