Kanchan Mullick: বাদ কাঞ্চন, উত্তরপাড়ায় তৃণমূলের টিকিট পেল কল্য়াণ-পুত্র, কী বলছেন বিদায়ী বিধায়ক?
Kanchan Mullick: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীতালিকা প্রকাশিত হতেই সবথেকে বড় চমক হিসেবে উঠে এল অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের নাম বাদ পড়া। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে আর টিকিট পাচ্ছেন না তিনি। তাঁর জায়গায় নতুন মুখ হিসেবে আসছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র।
জল্পনা চলছিলই, মঙ্গলবার বিকেলে জল্পনায় পড়ল চূড়ান্ত সিলমোহর। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে আর তৃণমূলের টিকিট পাচ্ছেন না অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। তাঁর পরিবর্তে ওই কেন্দ্র থেকে ঘাসফুল শিবিরের বাজি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে যে আসনে ইমন চক্রবর্তীর নাম বারবার উঠে এসেছে। না, ইমন নয়, এবার মীনাক্ষীর বিপরীতে তৃণমূলের মাস্টারস্ট্রোক কল্যাণ পুত্রকে মাঠে নামানো।

কেন বাদ পড়লেন কাঞ্চন?
সূত্রের খবর, গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হিসেবে কাঞ্চনের ভূমিকায় খুব একটা খুশি ছিলেন না উত্তরপাড়ার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতৃত্ব। বিরোধীরা প্রায়শই কটাক্ষ করে বলতেন, বিধায়ককে তাঁর এলাকায় দেখা পাওয়া ‘ডুমুর ফুল’ দেখার মতো বিরল ব্যাপার। স্থানীয় কাউন্সিলরদের সঙ্গেও কাঞ্চনের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে খবর। দল মনে করছে, অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি ফ্যাক্টর এড়াতেই এই রদবদল জরুরি ছিল।
কাঞ্চনের প্রতিক্রিয়া:
টিকিট না পেয়েও কিন্তু ক্ষোভ উগরে দেননি অভিনেতা। বরং অত্যন্ত পরিণত মনোভাব প্রকাশ করেছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কাঞ্চন জানান: ‘আমি আগেই আভাস পেয়েছিলাম। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। এটি পুরোপুরি একটি দলীয় সিদ্ধান্ত। গত পাঁচ বছর বিধায়ক হিসেবে কাজ করেছি, সেটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি। বিধায়ক না থাকলেও দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।’
নতুন মুখ শীর্ষান্ন:
উত্তরপাড়ায় এবার বড় দায়িত্ব পেলেন শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বাবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই এলাকায় দীর্ঘদিনের সাংসদ। বাবার সেই ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে শীর্ষান্ন কতটা ভোট টানতে পারেন, এখন সেটাই দেখার।
বিতর্ক ও ব্যক্তিজীবন:
গত কয়েক বছরে কাঞ্চন মল্লিক বারবার সংবাদ শিরোনামে এসেছেন তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং শ্রীময়ী চট্টরাজকে বিয়ে করা নিয়ে। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে তাঁর করা মন্তব্যও বিতর্ক বাড়িয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এই সমস্ত বিতর্কই হয়তো টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যদিও শুধু কাঞ্চন নয়, এই বছর তৃণমূলের প্রাপ্তি তালিকায় তারকা প্রভাব বেশ কম। জল্পনা সত্ত্বেও টেলিপাড়ার নতুন কোনও মুখকেই নির্বাচনী ময়দানে নামাননি দিদি। তবে পুরোনো বিধায়কদের মধ্যে কাঞ্চন ছাড়া একমাত্র নাম নেই চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর। তিনি নিজেই এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


