Sreemoyee-Krishvi: কৃষভিকে নিয়ে বাড়িতে শ্রীময়ী, এমন সময় ‘গুণ্ডা’র হামলা! এখন কেমন আছেন কাঞ্চন-জায়া
শ্রীময়ী-কাঞ্চনের বাড়িতে গুণ্ডা! অভিনেতা-প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে এসব কী? অভিনেত্রীনিজেই ভিডিয়ো করে সামনে আনলেন সবটা।
বরাবরই আলোচনায় থাকেন কাঞ্চন মল্লিকের ‘বাচ্চা’ বউ! তৃতীয় বিয়ে করেন অভিনেতা, প্রাক্তন বিধায়ক ২০২৪ সালে। তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এমনকী, তাঁকে নিয়ে খোদ ঘাসফুল দলের মধ্যেই নাকি শুরু হয়েছিল অসন্তোষ। যদিও এসবই পুরনো কাসুন্দি। আপাতত রাজনীতি থেকে বহু যোজন দূরে কাঞ্চন। এমনকী. ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের গো হারা হারের পর, কাঞ্চন রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণাও করে ফেলেছেন। আপাতত বউ শ্রীময়ী আর মেয়ে কৃষভি, সঙ্গে অভিনয় নিয়েই কাটছে দিন।

চলুন এবার একটু আসা যাক এই ‘গুণ্ডা’ প্রসঙ্গে! ভাবছেন তো, প্রাক্তন বিধায়ক, নামি অভিনেতার বাড়িতে হঠাৎ গুণ্ডা এল কোথা থেকে? আসলে এই গুণ্ডাটি হল খুদে কৃষভি। ছোট্ট মানুষের দুষ্টুমিতে নাজেহাল মাম্মা। আর মেয়ের সঙ্গে ভিডিয়ো শেয়ার করে কৃষভির নামেই অভিযোগ শ্রীময়ীর।
মেয়েকে পাশে বসিয়ে শ্রীময়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার বাড়িতে একটা লেডি গুণ্ডা আছে, গুণ্ডা। আপনারা সবাই চেনেন তাকে…’! এরপরই দেখা যায় খুদেকে। নেড়ু মাথায় বেশ একটা দুষ্টু দুষ্টু হাসি নিয়ে বসে আছে মায়ের পাশে। শ্রীময়ীর অভিযোগ, ‘আমার চুল থেকে মুখের অবস্থা কী করেছেন দেখুন। সকাল ৬টা থেকে ঘুম থেকে উঠে বসে আছে’। অভিনেত্রী জানালেন পড়ে গিয়ে মাথায় ‘আলু’ হয়েছে, সঙ্গে ঠোঁটও কেটে ফেলেছে। সারাক্ষণ দৌড়ে বেড়াচ্ছে, আর কোনো না কোনো অঘটন ঘটাচ্ছে। অব্য ভিডিয়োর শেষদিকে ক্যামেরায় হাজির হন কাঞ্চনও। মেয়ে যতই দুষ্টুমি করুক, বাবার একটুও অভিযোগ নেই। বরং কৃষভির এই মিষ্টি দুষ্টুমিগুলিতে বেশ প্রশ্রয়ও আছে।
দেখুন সেই ভিডিয়ো-
এর আগে দু বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন কাঞ্চন। কাঞ্চন মল্লিকের প্রথম স্ত্রী ছিলেন টেলিভিশন অভিনেত্রী ও গবেষক অনিন্দিতা দাস। তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় সাড়ে সাত বছর স্থায়ী ছিল।
এরপর কাঞ্চনের সঙ্গে বিয়ে হয় অভিনেত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বেশ তিক্ততার মধ্যে দিয়েই এই সম্পর্ক শেষ হয়। কাঞ্চন ও পিঙ্কির একটি ছেলেও হয়, যার না ওশ। বর্তমানে তার বয়স ১১ বছর, মা-বাবার ডিভোর্সের পর, সে থাকে মায়ের সঙ্গে। দ্বিতীয় বিয়ের বিচ্ছেদের সময় খোরপোশ বা খেসারত বাবদ এককালীন ৫৬ লক্ষ টাকা প্রদান করেন কাঞ্চন। ছেলের সঙ্গে বাবার যোগাযোগ নেই বললেই চলে। তাই কাঞ্চনের ধ্যানজ্ঞান, ভালোবাসা এখন সবটাই মেয়ে কৃষভিকে ঘিরে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


