Kanchanaa Moitra: বিজেপিকে ‘চাড্ডি’ বলায় প্রতিবাদে পোস্ট করলেন কাঞ্চনা মৈত্র! এদিকে বানানের বহর দেখে বেহুঁশ নেটপাড়া
২০১৯ সালে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন কাঞ্চনা মৈত্র। ২০২৩ সালে নিজেকে সরিয়েও নেন। তবে এবার বাংলায় রাজনৈতিক পালা বদলের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি-র সপক্ষে হাজারও পোস্ট তাঁর। আর তেমন একটিতে তাঁর বানান ভুলই হয়ে গেল ট্রোলের উৎস।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর, ১৮ জুলাই তারিখে দিল্লির সদর দপ্তরে গিয়ে অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় পার্নো মিত্র, রূপাঞ্জনা মিত্র এবং ঋষি কৌশিকের মতো টলিউডের আরও একাধিক চেনা মুখ গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন। যদিও তারপর কয়েক বছর সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, পরে নিজেকে সরিয়ে নেন প্রত্যেকেই। এরপর আচমকাই ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি বিজেপি ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। তৎকালীন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি দল ও রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন।

তবে এবার বঙ্গে বিজেপি আসার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে বিজেপি-র হয়ে গলা ফাটিয়ে চলেছেন। সম্প্রতি একটি পেস্টো তিনি লেখেন, ‘যারা বিজেপি কর্মীদের চাড্ডি বলেন, আমাকেও বলেন, তারা আবার শিক্ষার কথাও বলেন।’ (Jara Bjp karmi der chaddi balen ....amakeo balen ..tara abar Shikar kathao balen) বাংলায় এই বার্তাটি ইংরেজি হরফে লিখলেও, বেশ কিছু ভুল করে ফেলেন তিনি। আর তারপরই তাঁকে নিজের দেওয়া বার্তার কারণে নয়, বরং বানান ভুলের কারণে পড়তে হয় ট্রোলে।

একজন তাঁকে ট্রোল করে লেখেন, ‘বিশ্বাস করুন আপনার লেখাটার মানে উদ্ধার করতে আমরা ১০ মিনিট লাগল। Shikar দেখে অনেকক্ষণ বাদে বুঝলাম ওটা শিক্ষা বলতে চেয়েছেন।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘Jara বালেন thiki বালেন’! আবার আরেকজন লেখেন, ‘Kormi (কর্মী), bolen (বলেন)। Sikhkha ( শিক্ষা ) থাকাটা খুব জরুরি, নইলেই ছড়ানোটা স্বাভাবিক। এই যেমন আপনি ছড়ালেন।’ একটি কমেন্ট আসে, ‘আমি বিজেপি সাপোর্টার। কিন্তু আপনি এটা কী লিখলেন? লোক হাসাবেন না প্লিজ!’
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কাঞ্চনা ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘কাজ ও পরিবারকে সময় দিতে চাই। তাই দল ও রাজনীতিকে আপাতত বিদায় জানালাম।’ অভিনেত্রীর সেই সময় অভিযোগ ছিল যে, দলের নেতাদের থেকে প্রাপ্য মর্যাদা পাননি। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমার একটা কথা বার বার মনে হয়েছে, আমি দলকে যতটা নিজের মনে করেছি, দল কি আমায় ততটা নিজের মনে করেছে? পৃথিবীতে কোনও কিছুই একতরফা হতে পারে না।’ তবে এখন ফেসবুক থেকে স্পষ্ট, সক্রিয় রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও, নিজের পছন্দের দলের হয়ে গলা ফাটাতে প্রস্তুত। আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই নিজের মতামত তুলে ধরতে চাইছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


