‘ফেমিনাজি আর পৈশাচিক বামপন্থীদের..’, মোদীকে মা তুলে গালাগালি করা তরুণীর পাশে কঙ্গনা! বললেন, ‘ওর বয়স সবে ১৫’

ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওতে ওই তরুণী জানিয়েছে, বিক্ষোভে কয়েকজনের প্রভাবে ভুলপথে চালিত হয়ে সে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খারাপ কথা বলেছে।

Published on: Aug 1, 2026, 12:15:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর ভাষা ব্যবহার করার অভিযোগে নাম জড়ানো এক তরুণী অবশেষে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। আর সেই ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই সোশাল মিডিয়ায় আবার সরব হলেন অভিনেতা তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। 'বামপন্থী' ও 'উগ্র ফেমিনাজি' (ফেমিনিস্ট ও নাজি শব্দের মেলবন্ধন) উস্কানিতে পা দিয়েই তরুণ প্রজন্ম বিপথে চালিত হচ্ছে বলে সোচ্চার হয়েছেন তিনি। তবে বিতর্ক ও শাস্তির আবহ সরিয়ে রেখে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে অত্যন্ত মানবিক বার্তা দিয়ে তরুণদের ক্ষমা করে মূলস্রোতে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন।

‘ফেমিনাজি আর পৈশাচিক বামপন্থীদের..’, মোদীকে গালাগালি করা তরুণীর পাশে কঙ্গনা
‘ফেমিনাজি আর পৈশাচিক বামপন্থীদের..’, মোদীকে গালাগালি করা তরুণীর পাশে কঙ্গনা

'আমাদের মেয়েরাই কেন উস্কানিতে পা দিচ্ছে?' কঙ্গনার হুশিয়ারি

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ওই তরুণীর ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওর স্ক্রিনশট শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছেন, ‘মেয়েটির বয়স মেরেকেটে ১৫ বছর। সে নিজেই স্বীকার করছে যে সারা জীবনে কখনো মোদীজির বিরুদ্ধে কিছু লেখেনি, কিন্তু সেদিনের প্রতিবাদে বন্ধুরা ও কিছু মানুষ ওনাকে উসকানি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গালাগাল করায়। এসো নিজেদের সন্তানদের শয়তান ফেমিনাজি ও পৈশাচিক বামপন্থীদের হাত থেকে বাঁচাই।’

কঙ্গনা আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রতিবাদের নামে এই ধরনের কুরুচিকর প্রদর্শনে স্কার্ফ বা বোরখা পরা কোনো মেয়েকে দেখা যায় না, অথচ ঘরের মেয়েরাই কেন সহজে বিপথে চালিত হচ্ছে? তিনি যোগ করেন, সমাজ বা অভিভাবক হিসেবে আমরা কোথাও একটা ব্যর্থ হচ্ছি। আমাদের নিজেদের মেয়েদের সুরক্ষার স্বার্থে গভীর আত্মসমীক্ষা করা উচিত।

এফআইআরে ২৫, ভিডিওতে দাবি ১৫! কী বলছেন ওই তরুণী?

গত ২৩ জুলাইয়ের প্রতিবাদ কর্মসূচীর পর দায়ের হওয়া পুলিশি এফআইআরে ওই তরুণীর বয়স ২৫ বছর বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে সোশাল মিডিয়ায় উঠে আসা ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওতে মেয়েটিকে দাবি করতে শোনা যায় ওঁর বয়স মাত্র ১৫।

ভিডিওতে মেয়েটি অত্যন্ত অনুতপ্ত হয়ে জানান, কিছু মানুষের প্ররোচনায় পা দিয়ে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কুরুচিকর কথা বলে ফেলেছেন। নিজের ভুল স্বীকার করে দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, 'আমি এতই লজ্জিত যে নিজের দিকে নিজেই তাকাতে পারছি না। আমাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিন।'

Kangana via Instagram Stories.
Kangana via Instagram Stories.

'ওরা ভুল পথে চালিত শিশু', প্রধানমন্ত্রীর বড় মন ও বার্তা

তরুণীর এই ভিডিও সামনে আসার পরেই সোশাল মিডিয়ায় নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রতিবাদের নামে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের ঘটনায় আইনি কড়াকড়ি বা হেনস্থার বদলে তরুণদের সঠিক পথ দেখানোর পক্ষে সওয়াল করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সঠিক দিশা দেখানোর দায়িত্ব: এরা ভুল পথে চলে যাওয়া আমাদেরই সন্তান। এদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের দায়িত্ব। আদালত বা সামাজিক হেনস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলানো যাবে না।

দেশ গড়ার ডাক: শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বার্তা দেন— ‘ভুল থেকেই মানুষ শেখে। চলো সব ভুলে একসাথে দেশের জন্য এগিয়ে যাই। আমি তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যই দিনরাত পরিশ্রম করি।’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More