কিছুদিন আগে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত ছাত্র বিক্ষোভ এবং শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের করা মন্তব্য নিয়ে সরব হয়েছিলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। তরুণ বিক্ষোভকারীদের শিক্ষার প্রশ্ন তুলে তিনি গোটা প্রজন্মকে নর্দমার প্রজন্ম বলে কটাক্ষ করেছিলেন।
কিছুদিন আগে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত ছাত্র বিক্ষোভ এবং শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের করা মন্তব্য নিয়ে সরব হয়েছিলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। তরুণ বিক্ষোভকারীদের শিক্ষার প্রশ্ন তুলে তিনি গোটা প্রজন্মকে ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন। কিন্তু আচমকাই পুরোপুরি পাল্টে গিয়ে জেন জি প্রজন্মকে ভারতের সবথেকে বড় শক্তি এবং দেশের সংস্কৃতি হিসেবে আখ্যা দিলেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘জেন জি আমাদের দেশের শক্তি এবং এক অর্থে আমাদের জাতির জন্য একটি বিরাট বড় সম্পদ। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ক্রমশ আমাদের সংস্কৃতি এবং পরিচয় দূত হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে আমাদের দেশের যুবসমাজ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এবং সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।’
বিক্ষোভ চলাকালীন কঙ্গনা বলেছিলেন, 'জীবনে এক জায়গায় এত কদর্যতা আমি কখনও দেখিনি। জেন-জি বিক্ষোভের এই ভিডিওগুলো বমি উদ্রেককারী, ওরা যেভাবে কথা বলছে এবং যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে, জীবনে কখনও প্রতিটি ফ্রেমে সবকিছু একসাথে এত বেমানান এবং এত স্থূল দেখিনি, ছিঃ এদের জন্ম দিচ্ছে আর বড় করছে কে? এই হল, তথাকথিত পাশ্চাত্য ধাঁচের ভারতীয় নারীদের এক নতুন প্রজন্ম। আমি এদেরকে 'নর্দমার প্রজন্ম' বলি।'
NEET-সংক্রান্ত প্রতিবাদের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘তোমরা নিজেদের আরশোলা বলো এবং দেখতে বা আচরণেও তাদের মতোই... এখানে কোনো বৈপরীত্য বা বৈসাদৃশ্য নেই, কেবল নিজেদের নোংরামি, আবর্জনা আর কদর্যতা দিয়ে বিশ্বকে জর্জরিত করছ। এই ভিডিওগুলো দেখে আমি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছি, আমার কিছুটা নিরাময় ও ডিজিটাল ডিটক্স প্রয়োজন।’
কাজের দিক থেকে, কঙ্গনা রানাওয়াতের সর্বশেষ কাজ হলো মনোজ তাপাদিয়া পরিচালিত 'ভারত ভাগ্য বিধাতা' ছবিটি । এটি ২০০৮ সালের মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা হাসপাতালের সেইসব নার্স ও কর্মীদের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত, যাঁরা রোগীদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন।