‘মানুষের মর্যাদা যত বাড়ে…!’, ইন্ডাস্ট্রির লোকেরা রাখে না খোঁজ, নতুন ছবির প্রচারে ক্ষোভ উগরে দিলেন কঙ্গনা

বলিউডের সঙ্গে কঙ্গনা রানাউতের দূরত্ব নতুন নয়। এবার নিজের আসন্ন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’–র প্রচারে এসে ফের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন অভিনেত্রী-সাংসদ। কঙ্গনার দাবি, ইন্ডাস্ট্রির মানুষ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগই রাখেন না, এমনকি নতুন ছবি মুক্তির আগেও কেউ কোনও শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান না।

Updated on: Jun 10, 2026, 14:56:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউডের সঙ্গে কঙ্গনা রানাওয়াতের সংঘাত নতুন নয়। নিজের আসন্ন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’–র প্রচারের সময় ফের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন অভিনেত্রী-সাংসদ। কঙ্গনার দাবি, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অধিকাংশ মানুষ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগই রাখেন না। এমনকী তিনি নতুন কোনও ছবি করলেও তা নিয়ে কেউ কোনও মন্তব্য করেন না। পাশাপাশি জীবনের সংগ্রাম ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি।

কঙ্গনা রানাওয়াত
কঙ্গনা রানাওয়াত

ইন্ডাস্ট্রির মানুষ যোগাযোগই রাখেন না

‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত কঙ্গনা। আগামী ১২ জুন মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। তার আগে জোরকদমে চলছে প্রচার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নতুন ছবির জন্য বলিউড থেকে কোনও শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন কি না। উত্তরে কঙ্গনা স্পষ্ট বলেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানুষ আমাকে মেসেজ করেন না।’

সাফল্যের সঙ্গে বাড়ে শত্রুও

কঙ্গনার মতে, সফল মানুষের সমালোচনা হওয়াটা স্বাভাবিক। অতীতে রণবীর সিং ও ফারহান আখতারকে ঘিরে বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছিলেন, ‘মানুষের মর্যাদা ও অবস্থান যত বাড়ে, শত্রুর সংখ্যাও তত বাড়ে। এমনটা হতে পারে না যে আপনার পরিচিতি বাড়বে, অথচ শত্রু বাড়বে না।’

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়

নিজের জীবনের মোড় ঘোরানো সিদ্ধান্তের কথাও শোনান কঙ্গনা। তিনি বলেন, ‘যখন আমি ঠিক করেছিলাম যে বাবা-মা আমার জন্য যে পথ নির্ধারণ করেছিলেন, আমি সেই পথে হাঁটব না, সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। সেটাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তখন আমার কাছে কিছুই ছিল না। কোথাও থেকে কোনও সাহায্যও পাইনি। আমি খুবই ছোট ছিলাম। এমন শিক্ষাগত যোগ্যতাও ছিল না, যার ভিত্তিতে ভালো চাকরি পেতে পারি। পরিচিত কেউ ছিল না। তারপরও আমি নিজের পথে বেরিয়ে পড়েছিলাম।’

নিজের কাঁধেই বাড়তি দায়িত্ব নিয়েছেন

কঙ্গনা জানান, এরপর ধীরে ধীরে নিজের পথ নিজেই তৈরি করেছেন। তাঁর কথায়, ‘আমি সব সময় নতুন কিছু সৃষ্টি করার কথা ভেবেছি, নতুন ভিশন তৈরি করেছি। অভিনেত্রী, নির্মাতা, লেখক কিংবা রাজনীতিবিদ— প্রতিটি ভূমিকায় নিজের সামর্থ্যের চেয়েও বেশি দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছি। সেই চাপ সামলানোর জন্য নিজেকেও প্রস্তুত করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছবিগুলো বরাবরই চাপপূর্ণ ছিল। তাই সবচেয়ে বেশি চাপ যে আমাকেই নিতে হয়েছে, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।’

রাজনীতি ও অভিনয়— দুই দিক সামলাচ্ছেন কঙ্গনা

বর্তমানে রাজনীতি এবং অভিনয়— দুই ক্ষেত্রই সমানভাবে সামলানোর চেষ্টা করছেন কঙ্গনা। সম্প্রতি তিনি স্বীকার করেছেন, রাজনীতিতে আসার পর তাঁর মনে নানা ছোটখাটো দ্বিধা তৈরি হয়েছে। যেমন, তাঁকে অতিরিক্ত ‘হিরোইনসুলভ’ দেখাচ্ছে কি না, স্লিভলেস পোশাক পরা উচিত কি না, কিংবা মেকআপ বেশি হয়ে যাচ্ছে কি না— এসব বিষয় নিয়েও এখন ভাবতে হয় তাঁকে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More