Kangana Ranaut: ‘নর্দমা প্রজন্ম’ Gen Z-কে বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা! চাপে পড়ে সুর নরম কঙ্গনার?
Gen Z-কে নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। 'নর্দমা প্রজন্ম' মন্তব্যের জেরে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, ঠিক তখনই ফ্রেন্ডশিপ ডে উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় Gen Z-দের উদ্দেশে নতুন বার্তা অভিনেত্রীর।
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভের পর থেকেই জেন জি-কে নিয়ে একের পর এক মন্তব্য করে শিরোনামে রয়েছেন বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। গত এক সপ্তাহ ধরে তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সমালোচনার মুখে পড়লেও, এবার ফ্রেন্ডশিপ ডে উপলক্ষে জেন জি-দের উদ্দেশে শুভেচ্ছাবার্তা জানালেন তিনি।

নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঙ্গনা জানান, জিমে তাঁর পরিচিত দুই জেন জি তরুণীর সঙ্গে দেখা হয়। সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘আজ জিমে দুই জেন জি মেয়ের সঙ্গে দেখা হল। ওরা আমাকে বলল, আমরা ডিজিটাল যুগে জন্মেছি। সোশ্যাল মিডিয়া, ইনস্টাগ্রাম, ডেটিং অ্যাপ, AI— এগুলোই আমাদের জীবনের অংশ। আমাদের অনেকেই এগুলো ব্যবহার করি, কেউ কেউ এগুলো ছাড়া জীবন কল্পনাও করতে পারি না।’
এর জবাবে কঙ্গনা বলেন, ‘আমি ওদের বলেছি, অবশ্যই তোমরা নিজের মতো করে বাঁচতে স্বাধীন, যতক্ষণ না অন্যের সন্তানকে পাহাড় থেকে ফেলে দিচ্ছ বা টুকরো টুকরো করে কাটছ। উদারপন্থী ও রক্ষণশীল জীবনযাপনের সংঘাতের মধ্যে অনেক নিরপরাধ শিশু প্রাণ হারাচ্ছে, যা আমাদের সকলের জন্যই উদ্বেগের বিষয়।’ তাঁর দাবি, ওই দুই তরুণীও একমত হন যে স্বাধীনতার সঙ্গে জবাবদিহিতাও জরুরি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘আমার জেন জি বন্ধুদের ফ্রেন্ডশিপ ডে-র শুভেচ্ছা। শান্তি বজায় থাকুক।’
'জেনারেশন গাটার' মন্তব্যে বিতর্ক
এর আগে NEET-UG প্রশ্নফাঁস এবং অন্যান্য পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে হওয়া বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কিছু প্রতিবাদকারীর ভাষা ও আচরণের সমালোচনা করে একাধিক পোস্ট করেছিলেন কঙ্গনা। সেই বিক্ষোভের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।
একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার জীবনে এত কদর্য দৃশ্য একসঙ্গে কখনও দেখিনি। জেন জি-র প্রতিবাদের ভিডিয়োগুলো দেখলে বমি পায়। ওদের ভাষা, ব্যবহার— সবকিছুই অত্যন্ত অশালীন। এদের বড় করছে কারা?’
এরপরই তিনি প্রতিবাদে অংশ নেওয়া তরুণীদের উদ্দেশে আরও কড়া মন্তব্য করে লেখেন, 'এরা তথাকথিত পাশ্চাত্য প্রভাবিত ভারতীয় নারী। আমি এদের জেনারেশন গাটার বলি।' পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, কিছু মহিলা প্রতিবাদকারী এতটাই ‘কুৎসিত ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ যে তাঁরা ‘সংসার সামলানোরও যোগ্য নন’।
কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘যাঁরা সত্যিই স্বাধীন নারী, তাঁরা সাহসী সিদ্ধান্ত নেন, নিজস্ব মত প্রকাশ করেন, ব্যতিক্রমী কেরিয়ার বেছে নেন এবং নিজেদের কাজের দায়িত্বও নেন। তাঁরা নিজেদের স্বাধীনতার বোঝা পরিবারের উপর চাপিয়ে দেন না।’
কঙ্গনার এই মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। অভিনেতা সোনু সুদও প্রকাশ্যে তাঁর মন্তব্যের বিরোধিতা করে একে ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


