নাসিরুদ্দিনকে শিয়াল কটাক্ষ কঙ্গনার, 'আমি যে দেশের খাই, তার হয়েই লড়াই করি'
কঙ্গনা রানাওয়াত বলেছেন, প্রত্যেকেই কারও কুকুর, কিন্তু তিনি গর্বিত যে তিনি দেশের জন্য কথা বলছেন। সঙ্গে নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।
কিংবদন্তি অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ ছাত্র বিক্ষোভের সময় ছাত্রদের সমর্থনে মুখ না খোলা নিয়ে বলিউড অভিনেতাদের সমালোচনা করেছিলেন। এরপরেই অভিনেতা-গায়ক পীযূষ মিশ্র পালটা জবাব দেন। শাহ চলচ্চিত্র শিল্পকে এমন একটি কুকুরের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন, যে মুখে হাড় নিয়ে ঘেউ ঘেউ করতে পারে না। এরপর মিশ্র ঝাড়খণ্ডের ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে নাসিরুদ্দিনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এখন অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত পীযূষ মিশ্রর সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন এবং তাঁকে 'শেয়াল' বলে অভিহিত করেছেন।

‘সবাই কারও না কারও কুকুর’
নাসিরুদ্দিন শাহকে নিয়ে পীযূষ মিশ্রের মন্তব্যের পর কঙ্গনা রানাওয়াত বলেন, ‘সত্যিটা হল সবাই কারও না কারও কুকুর, কিন্তু আমি গর্বিত যে আমি যে দেশে খাই, সেই দেশের জন্য লড়াই করি এবং তাকে রক্ষা করি। নাসিরুদ্দিন শাহ হয়তো এই দেশ থেকে খান, কিন্তু লড়াই করেন প্রতিবেশী দেশের জন্য।’ কঙ্গনা রানাওয়াত কিংবদন্তী বলিউড অভিনেতা সম্পর্কে বলেন যে আজকাল কাউকে কুকুর বলাটা একটা প্রশংসা, কারণ কুকুররা তাদের আনুগত্য এবং সরলতার জন্য পরিচিত।
নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ কটাক্ষ
কঙ্গনা রানাওয়ত লিখেছেন যে এই গুণগুলো খুব কমই লোকের মধ্যে পাওয়া যায়। কঙ্গনা রানাওয়াত বলেন, ‘নাসিরুদ্দিন শাহের মতো শিয়াল হওয়ার চেয়ে আমি বরং কুকুর হতে পছন্দ করব।’ কঙ্গনা রানাওয়াত যখন নাসিরুদ্দিন শাহকে নিশানা করেন, তখন পীযূষ মিশ্রও তাঁকে নিয়ে বেশ কিছু কড়া মন্তব্য করেন। এই বর্ষীয়ান অভিনেতা জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে বলেন, ‘নাসির শাহ, আপনি সিজেপি বিক্ষোভের সময় বলেছিলেন যে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কিছু লোক যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারী ছাত্রদের সমর্থনে আওয়াজ তুলছেন না। আপনি বলেছিলেন যে যাদের মুখে হাড় থাকে তারা কথা বলে না। সবিনয়ে জিজ্ঞাসা করতে চাই, এখন সেই অন্য কুকুরগুলো কোথায় যারা কথা বলতে পারে না?’
পীযূষ মিশ্র আরও অভিযোগ করেছেন যে, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে দিল্লি ও মুম্বইতে প্রতিবাদরত ছাত্রছাত্রীরা ঝাড়খণ্ডের পরিশ্রমী ছাত্রছাত্রীদের মতো নয়, বরং পিৎজা ও বার্গার খাওয়াতেই তাঁদের বেশি মনোযোগ দিয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই ধরনের বিলাসিতার আকাঙ্ক্ষাই কি তাঁদের এই নীরবতার পেছনের কারণ?
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


