বিয়ে নয়, তবু জীবনে সঙ্গী চান করণ জোহর! ২ সন্তানের সমান দায়িত্ব নেবেন, এমন মানুষ খুঁজছেন পরিচালক
সারোগেসির মাধ্যমে দুই সন্তান রুহি ও যশের বাবা হয়েছেন করণ জোহর। তবে জীবনে একজন সঙ্গীর অভাব অনুভব করেন পরিচালক। ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনে বিজয় দেবেরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার সামনে নিজের মনের কথা জানিয়ে করণ বললেন, কেমন মানুষকে তিনি নিজের জীবনে চান।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই খোলামেলা করণ জোহর। সারোগেসির মাধ্যমে দুই সন্তান রুহি ও যশের বাবা হয়েছেন তিনি। সন্তানদের নিয়েই তাঁর জীবন। তবে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার মতো একজন সঙ্গীর প্রয়োজনীয়তা যে তিনি অনুভব করেন, তা এবার প্রকাশ্যে জানালেন পরিচালক। বিয়ে হয়তো তাঁর জীবনে বাস্তবে সম্ভব নয়, কিন্তু মনের মতো একজন মানুষ পাওয়ার আশা এখনও ছাড়েননি তিনি।

সম্প্রতি করণ জোহরের জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনে অতিথি হয়ে এসেছিলেন বিজয় দেবেরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। তাঁদের সঙ্গে কথোপকথনের মাঝেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের একান্ত ইচ্ছার কথা তুলে ধরেন করণ।
কেমন জীবনসঙ্গী চান করণ?
অনুষ্ঠানে বিজয়কে নিজের মনের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করতে বলেন করণ। উত্তরে রশ্মিকার হাত ধরে বিজয় জানান, তিনি চান রশ্মিকা যেন তাঁর সঙ্গে নিরাপদ বোধ করেন। বিজয়ের এই কথার পর করণকেও প্রশ্ন করা হয়, এই সোফায় বসে তিনি কী চাইতে চান বা কী পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন।
উত্তরে করণ বলেন, তিনি জীবনে একজন সঙ্গী চান। এমন একজন মানুষ, যার সঙ্গে নিজের জীবনের সমস্ত কথা ভাগ করে নিতে পারবেন। জীবনের ছোট-বড় মুহূর্ত এবং সাফল্য একসঙ্গে উদ্যাপন করতে পারবেন। তাঁর কথায়, বিয়ে হয়তো তাঁর ক্ষেত্রে বাস্তবিকভাবে সম্ভব নয়। কিন্তু একটি সুন্দর সম্পর্কের আশা তিনি এখনও রাখেন।
সন্তানদের অভিভাবক হবেন সেই মানুষ
করণ আরও বলেন, তিনি এমন একজনকে চান, যিনি তাঁর দুই সন্তান রুহি ও যশের সমান অভিভাবক হয়ে উঠবেন। শুধু নিজের জীবনের অংশ হিসেবেই নয়, সন্তানদের জীবনেও সমানভাবে জড়িয়ে থাকবেন সেই মানুষ।
পরিচালকের কথায়, এমন কাউকে তিনি চান, যাঁর সঙ্গে জীবনের সব কিছু ভাগ করে নিতে পারবেন, যাঁর সঙ্গে প্রতিটি মুহূর্ত উদ্যাপন করতে পারবেন। এমন একজন, যাঁকে নিজের মানুষ বলে পরিচয় দিতে পারবেন এবং যাঁর উপস্থিতিতে তাঁর জীবন আরও পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।
করণের এই স্বীকারোক্তি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এক অন্য দিক তুলে ধরেছে। পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও একজন কাছের মানুষের সঙ্গ যে তিনি কামনা করেন, তা স্পষ্ট তাঁর কথায়।
করণের জন্য প্রার্থনা করবেন বিজয়
করণের কথা শুনে বিজয়ও মজার ছলে তাঁর ইচ্ছাপূরণের জন্য প্রার্থনা করার কথা বলেন। তিনি বলেন, পুরনো দেবতা, নতুন দেবতা, কফির দেবতা এবং সোফার দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করা যাক, যাতে করণের মনের ইচ্ছা পূরণ হয়।
বিজয়ের এই মন্তব্যে হাসির পরিবেশ তৈরি হয়। করণও মজা করে জানান, বিজয়ের প্রার্থনা বেশ আন্তরিক বলেই মনে হচ্ছে।
কাজ নিয়ে ব্যস্ত করণ জোহর
ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি কাজ নিয়েও ব্যস্ত রয়েছেন করণ। ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজন নিয়ে ফিরেছেন তিনি। প্রযোজক হিসেবেও তাঁর হাতে রয়েছে একাধিক ছবি।তাঁর আসন্ন ছবির তালিকায় রয়েছে ‘উড়তা তীর’, যেখানে সারা আলি খান ও আয়ুষ্মান খুরানাকে দেখা যাবে। এ ছাড়াও রয়েছে ‘নাগজিলা’। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করবেন কার্তিক আরিয়ান। ছবিতে তাঁকে ইচ্ছাধারী নাগের চরিত্রে দেখা যাবে।
পেশাগত জীবনে একের পর এক নতুন কাজের পরিকল্পনার মাঝেই এবার ব্যক্তিগত জীবনের অপূর্ণ ইচ্ছার কথা জানালেন করণ। তাঁর মনের মতো সঙ্গী পাওয়ার স্বপ্ন কবে পূরণ হয়, এখন সেটাই দেখার।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


