প্রাক্তন প্রেমিক শাহিদের স্ত্রী মীরার সঙ্গে এক ফ্রেমে করিনা! কী কথা হল ২ তারকার?
একসময় শাহিদ কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন করিনা কাপুর খান। সেই শাহিদের স্ত্রী মীরা রাজপুতের সঙ্গেই এবার এক ফ্রেমে ধরা দিলেন বেবো। নিজের রেডিও শো ‘হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট’-এর জন্য মীরার সঙ্গে বিশেষ পর্বের শুটিং করেছেন করিনা।
করিনা কাপুর খান ও মীরা রাজপুতকে একসঙ্গে দেখার সুযোগ যে এমনভাবে আসবে, তা হয়তো অনেকেই ভাবেননি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মীরার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন করিনা। আর সেই ছবিই এখন নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। জানা গিয়েছে, করিনার জনপ্রিয় রেডিও শো ‘হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট’-এর জন্য মীরার সঙ্গে একটি বিশেষ পর্বের শুটিং করেছেন অভিনেত্রী। খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে সেই পর্ব।

ছবিটি শেয়ার করে করিনা লেখেন, ‘আজ শোয়ে এসেছিলেন খুব মিষ্টি মীরা কাপুর।’ ছবিতে মীরাকে দেখা গিয়েছে ক্রিম রঙের করসেট টপ ও কালো স্কার্টে। অন্যদিকে, করিনার পরনে ছিল লাল টপ ও লেদার স্কার্ট। দু’জনকেই বেশ সুন্দর দেখাচ্ছিল।
একসময় প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন করিনা-শাহিদ
একসময় বলিউডের অন্যতম চর্চিত জুটি ছিলেন করিনা কাপুর ও শাহিদ কাপুর। একে অপরের প্রতি ভালোবাসার কথা প্রকাশ্যেও স্বীকার করেছিলেন তাঁরা। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সম্পর্কে ছিলেন এই দুই তারকা।
‘জব উই মেট’ ছবির শুটিং চলাকালীন তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর সইফ আলি খানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান করিনা। ২০১২ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। বর্তমানে তাঁদের দুই ছেলে— তৈমুর ও জেহ।
অন্যদিকে, শাহিদও জীবনে এগিয়ে যান। ২০১৫ সালে দিল্লির মেয়ে মীরা রাজপুতকে বিয়ে করেন অভিনেতা। তাঁদের দুই সন্তান— মেয়ে মিশা ও ছেলে জেইন।

কর্মরত মায়েদের নিয়ে মীরার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক
করিনা ও মীরার এই সাক্ষাৎ ঘিরে পুরনো একটি বিতর্কও নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে। কয়েক বছর আগে সন্তানকে বড় করে তোলা নিয়ে মীরা রাজপুতের একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। সেই সময় ছেলে তৈমুরকে বাড়িতে রেখে কাজে ফিরেছিলেন করিনা। অন্যদিকে, মীরা ব্যস্ত ছিলেন মেয়ে মিশার দেখাশোনায়।
সেই সময় মীরা জানিয়েছিলেন, তিনি একজন দায়িত্বশীল মা ও স্ত্রী হিসেবে বাড়িতেই থাকতে চান। নিজের সন্তানকে বড় করে তোলার সময় তাঁর পাশে থাকতে চান বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কর্মরতা মায়েদের প্রসঙ্গে মীরা বলেছিলেন, তিনি চান না, সারাদিনে সন্তানের সঙ্গে মাত্র এক ঘণ্টা সময় কাটাতে। তাঁর কথায়, ‘তাহলে আমি সন্তান জন্ম দিয়েছি কেন? ও কোনও কুকুরছানা নয়।’
মীরার এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা করিনার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। অনেকের ধারণা ছিল, কর্মজীবী মা হিসেবে করিনাকে নিশানা করেই এমন মন্তব্য করেছিলেন মীরা। যদিও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে দুই তারকার মধ্যে কোনও সংঘাতের কথা জানা যায়নি।
নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন মীরা
মীরার সেই বক্তব্য নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চলেছিল। তবে ২০২৪ সালে নিজের পুরনো মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান শাহিদ-পত্নী। সময়ের সঙ্গে তাঁর উপলব্ধি হয়েছে, কর্মরতা মহিলারাও সংসার, সন্তান ও পেশাগত জীবন সমানভাবে সামলাতে পারেন।
একসময় যে মন্তব্যকে করিনার প্রতি কটাক্ষ হিসেবে দেখা হয়েছিল, সেই বিতর্কের কয়েক বছর পর এবার করিনার রেডিও শোয়ে অতিথি হিসেবে হাজির হলেন মীরা। দুই তারকার এই সাক্ষাৎ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে অনুরাগীদের মধ্যে। এবার তাঁদের কথোপকথনে উঠে আসে কি না পুরনো সেই প্রসঙ্গ, তা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে বিশেষ পর্বটি মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


