ক্যাজুয়াল লুকে জিত, লাল চুড়িদারে মোহনা! স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনায় পালন করলেন করবা চৌথ
মাঝেমধ্যে অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবনের ঝলক মেলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে। এবার যেমন জিতের সুস্বাস্থ্য, উন্নতি ও দীর্ঘায়ু কামনায় করবা চৌথ পালন করলেন মোহনা।
নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে সরিয়ে রাখেন জিৎ। স্ত্রী মোহনা ও দুই ছেলেকে নিয়েও সেভাবে সামিল হন না টলিউডি পার্টিতে। তবে মাঝেমধ্যে অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবনের ঝলক মেলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে। এবার যেমন জিতের সুস্বাস্থ্য, উন্নতি ও দীর্ঘায়ু কামনায় করবা চৌথ পালন করলেন মোহনা।

বৃহস্পতিবার রাতেই করবা চৌথের ভিডিয়োটি শেয়ার করে নেন মোহনা। যেখানে তাঁকে দেখা গেল লাল সালোয়ারে। ওড়না দিয়েই মাথায় দিয়েছেন ঘোমটা। হাতে করবা চৌথের প্লেট। প্রথমে চাঁদকে জল অর্পণ করেন। এরপর ফুল দিয়ে করেন পুজো। তারপর ছাঁকনিতে প্রদীপ রেখে প্রথমে চাঁদ দর্শন, তারপর স্বামীর মুখ।
জিৎ ২০১১ সালে পরিবারের পছন্দে মোহনা রতলানীকে বিয়ে করেন। ইন্ডাস্ট্রিতেও কখনো কোয়েল মল্লিক, কখনো আবার স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে জিতের। তবে সবাইকে অবাক করে পরিবারের পছন্দ করা পাত্রীর গলাতেই অভিনেতা দেন মালা। জিৎ ও মোহনা বিয়ে লখনউতে করলেও, কলকাতায় ফিরে রাজকীয় রিসেপশন পার্টি দিয়েছিলেন।
রণবীর এলাহাবাদিয়ার পডকাস্টে মোহনার সঙ্গে নিজের ইক্যুয়েশন নিয়ে কথা বলেছিলেন জিৎ। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘যখন আমার স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবার দেখা হয়েছিল, আমি ওর কাছে জানতে চেয়েছিলাম নিজের বহু স্বামীর মধ্য়ে কোন গুণটা দেখতে চাও তুমি। ওর মাথায় থাকা ৫-৬টা পয়েন্ট আমাকে বলেছিল। তারপর আমাকে প্রশ্ন করে, 'আর আপনি'! আমি বলেছিলাম, 'আমি শুধু একটা জিনিসই চাই। ও যেন আমায় ভালোবাসে। আমায় যদি ভালোবাসে, তাহলে বাদবাকি সবকিছু অ্যাডজাস্ট হয়ে যাবে।’ ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর এই দম্পতির ঘরে আসে এক কন্যা সন্তান, যার নাম নবন্যা। ২০২৩ সালে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন জিৎ-মোহনা, ছেলের নাম রেখেছেন রোনভ।
কাজের সূত্রে, জিৎকে শেষ দেখা গিয়েছে কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত ছবিতে। মাস্টারদা সূর্য সেনের দলের অন্যতম বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী অনন্ত সিং-এর উপর তৈরি হয় এই সিনেমা। অনন্ত সিংহের জীবনের বিভিন্ন পর্যায় তুলে ধরতে জিতকে মোট ৯টি লুকে দেখা গিয়েছে। প্রেক্ষাগৃহে ৪২ দিনেরও বেশি ছিল এই ছবি। একাধিক রিপোর্ট অনুসারে, বক্স অফিসে প্রায় ২.৫ কোটি থেকে ৩.২০ কোটি টাকার কাছাকাছি ব্যবসা করেছে কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত। প্রশংসিত হয় জিতের অভিনয়ও।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


