Happy Birthday Kaushambi: ‘শক্ত হতে নিজেকে সামলে নিতে…’, বেলুনে সাজানো ঘর, হাতে কেক! জন্মদিনে কেন এমন লিখলেন কৌশাম্বি?

জন্মদিনে রাতেই কেক কেটে উদযাপন করলেন কৌশাম্বি চক্রবর্তী। সেই ছবি পোস্টও করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এখন গঙ্গা ধারাবাহিকে খলনায়িকার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। 

Published on: Jul 14, 2026, 14:32:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এই মুহূর্তে গঙ্গা ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে কৌশাম্বি চক্রবর্তীকে। গঙ্গা ও অর্জুনের মাঝে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘অহনা’। তবে ধারাবাহিকে দুঁদে খলনায়িকা হলেও, বাস্তবে তিনি বড়ই মিষ্টি। অন্তত তেমনটাই দাবি অভিনেত্রীর অনুরাগীদের। মঙ্গলবার ৩০ বছরের জন্মদিন। রাতেই কেক কেটে উদযাপন করলেন, সেই ছবি পোস্টও করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

জন্মদিনে পোস্ট কৌশাম্বির।
জন্মদিনে পোস্ট কৌশাম্বির।

দুটি ছবি শেয়ার করলেন কৌশাম্বি ইনস্টাগ্রামে। দেখা গেল ঘর সাজানো হয়েছে রং বেরঙের বেলুন দিয়ে। টাঙানো হয়েছে ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ প্ল্যাকার্ডও। গায়ে কালো রঙের ক্রপ টপ আর ডেনিম। হাতে কেক নিয়ে পোজ দিয়েছেন ফোটোর জন্য। পরের ছবিতে তাঁকে কেক কাটতে দেখা গেল। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, ‘ধন্যবাদ, জীবন। শক্ত হতে নিজেকে সামলে নিতে আর প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যেতে শেখানোর জন্য। আশা করি, সামনে আসা নতুন বছরটা আরও বেশি শান্তি আর সৌন্দর্যে ভরে উঠবে।’

বছর দুই আগে মাতৃহারা হন কৌশাম্বি। বিয়ের মাত্র দেড় মাসের মাথায় আকস্মিক হৃদরোগে প্রয়াত হন অভিনেত্রীর মা। ২৭ জুন মায়ের দ্বিতীয়বার্ষিকীর দিন কৌশাম্বি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘২৭ জুন! দুটো বছর হয়ে গেল মা। তুমি না ফেরার দেশে চলে গিয়েছ। তোমার মেয়ের জীবনে ঝড়গুলোতে সব থেকে বেশি, যে তোমাকেই দরকার ছিল মা। যদিও জানি তুমি সব সময় আমার সঙ্গেই রয়েছো। সব দেখছো আর শক্তি দিচ্ছো। তোমায় ভীষণ ভালোবাসি মা। ভীষণ মিস করছি।’

মাঝে আদৃত রায়ের সঙ্গে কৌশাম্বির বিচ্ছেদের খবরও সামনে এসেছিল। তবে আদৃত ও কৌশাম্বী—দু'জনের কেউই এই ধরনের ভিত্তিহীন গুঞ্জন নিয়ে মুখ খোলেননি। বরং বিভিন্ন সময় নিজেদের খুনসুটি ও আদুরে মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নেন।

২০২৪ সালের ৯ মে সাত পাকে বাঁধা পড়েন দুজনে। আদৃত রায় এবং কৌশাম্বী চক্রবর্তীর বয়সের ফারাক প্রায় ৪ বছরের। আদৃতের জন্ম ১৯৯২ সালের ৫ মে এবং কৌশাম্বীর জন্ম ১৯৯৬ সালের ১৪ জুলাই। অর্থাৎ, কৌশাম্বী আদৃতের চেয়ে প্রায় ৪ বছরের ছোট।

মিঠাই ধারাবাহিক চলাকালীন হয়েছিল তাঁদের প্রেমের শুরুয়াত। লাল বেনারসি ও সোনার গয়নায় ছিমছাম সাবেকি সাজে কৌশাম্বি এবং হলুদ পঞ্জাবিতে আদৃতের বিয়ের ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়েছিল। মিঠাইতে আদৃতের পিসতুতো দিদির চরিত্রে অভিনয় করতেন কৌশাম্বি। পর্দায় তাঁদের সম্পর্ক দিদি-ভাইয়ের হলেও, বাস্তবে তাঁদের বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে প্রেমে গড়ায়।

বিয়ের সময় ‘ফুলকি’ ধারাবাহিকে কাজ করছিলেন তিনি। ফুলকি চলতে চলতেই কৌশাম্বির কাজ করা শুরু ‘গৃহপ্রবেশ’ ধারাবাহিকে। মিঠাই-এর আগে দ্বিরাগমন, মুখোশের আড়ালে-র মতো মেগায় দেখা গিয়েছিল কৌশাম্বিকে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More