কিয়ারার ‘বেবি শার্ক’ গাওয়ার ভিডিয়ো দিলেন সিদ্ধার্থ, এটাই কি সায়রার প্রিয় গান?

সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদভানি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তাদের কন্যা সন্তান সায়রা-র সঙ্ে ছুটি কাটানোর কিছু ঝলক শেয়ার করেছিলেন।

Published on: May 1, 2026, 13:59:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অভিনেত্রী কিয়ারা আডবানি এবং সিদ্ধার্থ মলহত্রা বর্তমানে মলদ্বীপে তাঁদের কন্যা সারায়ার সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন—আর তাঁদের এই নিখুঁত পারিবারিক মুহূর্তে মুগ্ধ করেছে ভক্তদের। আর একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে কিয়ারা তাঁদের মেয়ের জন্য জনপ্রিয় ‘বেবি শার্ক’ গানে মজার ছলে তাল মিলিয়ে গাইছেন ও নাচছেন। আর যা দেখে নেটপাড়ার ধারণা আর পাঁচটা বাচ্চার মতো খুদের পছন্দের গান এটি।

কিয়ারা-সিদ্ধার্থ।
কিয়ারা-সিদ্ধার্থ।

মালদ্বীপে ছুটি কাটানো, ভাইরাল পরিবারিক মুহূর্ত

বুধবার ইনস্টাগ্রামে তাঁদের ভ্যাকেশনের একাধিক ঝলক শেয়ার করেন এই তারকা দম্পতি। এক স্টোরিতে কিয়ারা তাঁদের রিসোর্টে পৌঁছানোর সি-প্লেন যাত্রার সুন্দর দৃশ্য দেখান, অন্য একটি পোস্টে ছিল তাঁদের জন্য সাজানো নানা ধরনের ক্রোসাঁ ও লোভনীয় সব ডেজার্ট।

তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় একটি ছোট্ট মুহূর্ত—ভিডিয়োর ব্যাকগ্রাউন্ডে দেখা যায়, সিদ্ধার্থ তাঁদের ছোট্ট মেয়ের সঙ্গে খেলছেন। যদিও শিশুর মুখ দেখা যায়নি, তবুও সেই অকপট দৃশ্যই ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছে।

আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, বারান্দায় বসে সমুদ্রের সামনে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ। একটি আলাদা ঝলকে ছোট্ট বাচ্চার সানগ্লাসও নজরে পড়ে, যা আরও কিউটনেস বাড়িয়েছে।

‘বেবি শার্ক’-এ মুগ্ধ নেটিজেনরা

সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্তটি ছিল একটি ভিডিয়ো, যেখানে কিয়ারা ‘বেবি শার্ক’ গানটি গাইছেন এবং রিসোর্টের শেফের লাইভ কুকিং-এর তাল মিলিয়ে গাইছেন। এই দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দী করেন সিদ্ধার্থ নিজেই, এবং তাঁকে পিছন থেকে হাসতে শোনা যায়। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘অবিশ্বাস্য... কী প্রতিভা!’

এই ভিডিয়ো সামনে আসতেই ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ লিখেছেন, ‘এই তো সত্যিকারের সুখ’, আবার কেউ বলেছেন, ‘কিয়ারা পুরোপুরি মম মোডে।’

শুটিংয়ের ইঙ্গিতও দিলেন সিদ্ধার্থ

এদিকে, সিদ্ধার্থ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই সফর শুধু ছুটি নয়, বরং কাজের সঙ্গেও জড়িত। তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি বিহাইন্ড-দ্য-সিনস ছবি শেয়ার করেন, যেখানে দু’জনকে ক্যামেরার দিকে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সিদ্ধার্থ সাদা শার্ট ও নীল জিন্সে ক্লাসিক লুকে, আর কিয়ারা গোলাপি ডোরাকাটা শার্ট ও সাদা ট্রাউজারে নজর কেড়েছেন। ক্যাপশনে সিদ্ধার্থ লিখেছেন, ‘গেস করো, কার সঙ্গে শ্যুটিং করছি আমি’!

কন্যা সারায়ার আগমন ও ব্যক্তিগত জীবন

গত বছরের জুলাই মাসে কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ তাঁদের কন্যা সন্তানের জন্মের সুখবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছিলেন। পরে তাঁরা তাঁদের মেয়ের নাম জানান—সারায়া মালহোত্রা। সন্তান জন্মের পর তাঁরা পাপারাজ্জিদের অনুরোধ করেছিলেন নবজাতকের ছবি না তুলতে। এই দম্পতি ২০২৩ সালে রাজস্থানের জয়সলমেরে বিয়ে করেন এবং ২০২১ সালের যুদ্ধভিত্তিক সিনেমা শেরশাহ-তে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন।

কাজের ক্ষেত্রে, কিয়ারা তাঁর আসন্ন ছবি টক্সিক মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন। গীতু মোহনদাস পরিচালিত এই ছবিতে যশ দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করছেন, পাশাপাশি রয়েছেন নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া, অক্ষয় ওবেরয়। অন্যদিকে, সিদ্ধার্থ ব্যস্ত রয়েছেন তাঁর নতুন ছবি ভিভান: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট নিয়ে, যা একটি ফোক-থ্রিলার হিসেবে তৈরি হচ্ছে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More