Saina Chatterjee: অনুভব অতীত! বাস্তবে ‘লাজু’ সাইনা হাবুডুবু খাচ্ছেন এই হ্যান্ডসাম নায়কের প্রেমে, নিজেই জানালেন
তাঁর বয়স সবে ১৫, ইতিমধ্যেই বাংলা টেলিভিশনের হার্টথ্রব নায়িকা তিনি। কিন্তু তাঁর হৃদয় জুড়ে আছেন কে? জানালেন সাইনা।
ছোটপর্দার দুনিয়ায় সম্পর্কের সমীকরণ পাল্টাতে খুব বেশি সময় লাগে না। কিন্তু কনে দেখা আলোর শুরু থেকেই সাইনা-সোমরাজের অনস্ক্রিন আর অফস্ক্রিন বন্ডিং চোখে পড়ার মতো। এই মুহূর্তে দর্শকদের অন্যতম পছন্দের চরিত্র হলো ‘লাজু’ বা ‘লাজবন্তী’। পর্দায় অনুভবের সঙ্গে লাজুর অন-স্ক্রিন রসায়ন ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে, যাকে বলে এক্কেবারে ‘জমে ক্ষীর’। কিন্তু রিল লাইফে সোমরাজের সঙ্গে বাস্তবে দাদা-বোনের সম্পর্ক সাইনার। সারাক্ষণ নায়িকাকে আগলে রাখেন বড় দাদার মতো।

রিয়েল লাইফে লাজু ওরফে অভিনেত্রী সাইনার মনে বসন্ত এনেছেন কে? সব জল্পনায় জল ঢেলে সাইনা নিজেই সামাজিক মাধ্যমে খোলসা করলেন তাঁর মনের মানুষের নাম!
‘শ্রীকৃষ্ণ আমার চাইল্ডহুড লাভ, আর এখনকার ক্রাশ হলেন…’
সম্প্রতি সাইনা তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি অত্যন্ত মিষ্টি ও ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে নিজের ভালোলাগা ও ভালোবাসার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি নিজের ভক্তি ও ভালোবাসার কথা জানিয়ে সাইনা লিখেছেন: ‘শ্রীকৃষ্ণ চিরকালই আমার চাইল্ডহুড ক্রাশ এবং ভালোবাসা ছিল... আর ভবিষ্যতেও থাকবে... তবে সময়ের নিয়মে আর স্রোতের টানে এই মুহূর্তে আমার ক্রাশ (#nowcrush) হলেন সিদ্ধার্থ গুপ্তা!’
সাইনা আরও যোগ করেন, যখনই তিনি ‘কৃষ্ণাভতরম’ (#krishnavtaram)-এর ছন্দে মেতে ওঠেন, তখনই তিনি নিজেকে লাজু বা লাজবন্তী চরিত্রে রূপান্তরিত করতে পারেন। আর এই পুরো জার্নিতে তাঁর মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন সিদ্ধার্থ গুপ্তা।
কে এই সিদ্ধার্থ গুপ্তা? ভাইরাল ছবি ঘিরে জোর চর্চা!
সাইনার এই পোস্টের পর থেকেই অনেকের মনে প্রশ্ন— কে এই সিদ্ধার্থ গুপ্তা?২০২৬ সালের মে মাসে মুক্তি পাওয়া ‘কৃষ্ণাভতরম পার্ট ১: দ্য হার্ট’ ছবিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শক ও সমালোচক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন সিদ্ধার্থ।
উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের ছেলে ৩৩ বছর বয়সী সিদ্ধার্থ। দুবাইতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন। কিন্তু অভিনয়ের টানে পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে মুম্বাইয়ে চলে আসেন। প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার বিকাশ গুপ্তা (Vikas Gupta)-র ছোট ভাই।
২০১৪ সালে একতা কাপুরের বালাজি টেলিফিল্মসের কমেডি ছবি ‘কুকু মাথুর কি ঝান্ড হো গয়ি’র মাধ্যমে বলিউডে মুখ্য চরিত্রে পা রাখেন তিনি। থিয়েটারে তাঁর পারফরম্যান্স দেখেই একতা কাপুর তাঁকে অডিশনের সুযোগ দিয়েছিলেন।
‘প্যার তুনে ক্যায়া কিয়া’ (সিজন ৭) নামের জনপ্রিয় শো হোস্ট করেন। ২০১৭ সালে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অলবালাজির জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘রাগিনী এমএমএস: রিটার্নস’-এ ‘রাহুল’-এর চরিত্রে অভিনয় করেন।
মিউজিক ভিডিও ‘ভাস্তে’ (২০১৯): ২০১৯ সালে ধ্বনি ভানুশালির গাওয়া বিখ্যাত মিউজিক ভিডিও ‘ভাস্তে’ (Vaaste)-তে মূল অভিনেতার চরিত্রে দেখা যায় সিদ্ধার্থকে। গানটি ইউটিউবে বিলিয়নের বেশি ভিউ পেয়েছিল এবং সিদ্ধার্থ রাতারাতি তরুণীদের মাঝে ক্রাশ হয়ে ওঠেন।
পর্দায় অনুভব, বাস্তবে সিদ্ধার্থ
অভিনেত্রী নিজেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে পর্দায় অনুভবের সাথে তাঁর রসায়ন যতই চর্চিত হোক না কেন, অফ-স্ক্রিনে তাঁর মন জুড়ে রয়েছেন শুধুই সিদ্ধার্থ গুপ্তা। অনুরাগীরাও সাইনার এই অকপট স্বীকারোক্তিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। রিল এবং রিয়েল— দুই জীবনই এখন ভালোবাসার রঙে রঙিন সাইনার।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


