‘কেউ এবার শ্রীলেখাদির ছবি নিয়ে এসব করে, ভালো লাগবে?’, মোদী বিতর্কে তোপ কনীনিকার

শ্রীলেখা মিত্রের হাতে থাকা মোদীর বিকৃত পোস্টারকে ঘিরে এখন টলিপাড়ায় চর্চা তুঙ্গে। এবার মুখ খুললেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

Published on: Jul 29, 2026, 18:00:07 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার একাধিক তারকা প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবির পোস্টার নিয়ে ছবি তোলায় শ্রীলেখা মিত্রের প্রতিবাদ করেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর লাঠি চালানোর বিরোধিতায় কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টি ও বামেদের প্রতিবাদ মিছিলে দেখা গিয়েছিল শ্রীলেখা মিত্রকে। সেই মিছিল থেকে শ্রীলেখার একটি ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় হাতে একটি পোস্টার নিয়ে ছবির জন্য পোজ দিয়েছেন হাসি হাসি মুখ করে। আর হাতের সেই পোস্টারটিতে মোদীর একটি বিকৃত কার্টুন ব্যবহার করা হয়েছে।

মোদী বিতর্কে শ্রীলেখাকে তোপ কনীনিকার।
মোদী বিতর্কে শ্রীলেখাকে তোপ কনীনিকার।

শ্রীলেখার এই কাণ্ডের প্রতিবাদ করলেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘নির্বুদ্ধিতা বলব। আন্দোলন করা ভালো, কিন্তু সব কিছুর বিরুদ্ধে তো আন্দোলন করা যায় না। যেখানেই নিউজ, সেখানেই পৌঁছে যাব, এর তো কোনো অর্থ নেই। আমি ওঁকে ভালোবাসি। ওঁ আমার সিনিয়র, ওঁকে ছোট থেকে দেখে বড় হয়েছি। ওঁর বক্তব্যকে অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও জানিয়েছি, আবার এমনও হয়েছে ওঁর বক্তব্য আমার পছন্দ হয়নি। কিন্তু এক্ষেত্রে যেটা হয়েছে, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে। তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী হোক বা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, এদের সম্মান দেওয়াটা আমাদের কর্তব্য। আমরা স্কুলে সেটা পড়েই বড় হয়েছি। তাঁর ওই ধরনের ছবি নিয়ে এসব করা যায় না। বাচ্চারা করে এগুলো। শ্রীলেখাদির ছবি নিয়ে কেউ যদি করে এগুলো, তাহলে কি ওঁর ভালো লাগবে?’

‘এসবে নরেন্দ্র মোদীর কিচ্ছু যায় আসবে না। ১৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রী। বিগত এতগুলো বছর ধরে দেশটাকে কোথাও তো একটা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এবার যদি বলি এই সমস্যা, ওই সমস্যা, হ্যাঁ প্রচুর সমস্যা আছে। সব সমস্যা সমাধান করা সহজ নয়। এর আগেও বহু রাজনৈতিক দল রাজকীয় ভাবে রাজত্ব করে গিয়েছে। রাজতন্ত্রের মতো চলেছে দেশটা। গণতন্ত্রের মাপকাঠিতে বললে ঠিকই আছে। উনি তো আমাদের রাজ্যটাকেও এখন সামলাচ্ছেন।’, আরও বলেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এমনকী, শ্রীলেখার ‘চোখে চশমা ছিল না দেখিনি’-কেও উড়িয়ে দেন হাওয়ায়। ‘আজকে আমি একজন পাবলিক ফিগার হয়ে কী করে করতে পারে! ও যেটা বলেছে সেটা কেউই মনে হয় না বিশ্বাস করবে। এই জিনিসটা ভুল। উনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে রিপ্রেজেন্ট করছেন। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এটা নয়। শিক্ষিত হওয়া ভালো, বেশি শিক্ষিত হওয়া ভালো নয়। বাচ্চাদের উপর লাঠিচার্জ যে করা হয়েছে, সেটা ভুল। অবশ্যই প্রতিবাদ হওয়া উচিত। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা এটা হওয়া উচিত না। আমি কখনো প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও অপমান করার কথা ভাবতে পারিনি। কারণ এঁদেরকে আমরাই তো ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছি।’, আরও বলেন কনীনিকা।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More