Kriti Sanon: রাখির বিজ্ঞাপনে শরীর প্রদর্শন! তোপের মুখে কৃতি, হল উৎসবের রীতি ভাঙার সমালোচনাও
ভাই-বোনের সম্পর্কের ‘অপমান’ করেছেন কৃতী, ব্রালেট পরে রাখির বিজ্ঞাপনে, তোপের মুখে নায়িকা।
বিতর্ক আর বলিউড, পরস্পরের পরিপূরক। পান থেকে চুন খসলেই বিতর্কের মুখে পড়েন বলি নায়িকারা। এবার এক বিজ্ঞাপন নিয়ে নেটপাড়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্য়ানন। এক জুয়েলারি সংস্থার বিজ্ঞাপনে ভাই ও পোষা কুকুরকে রাখি পরাতে দেখা গেছে তাঁকে। তবে উৎসবের আমেজ ছাপিয়ে কৃতির পরিহিত পোশাক এবং রাখি পরানোর আচার-অনুষ্ঠান নিয়েই সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া।

বিতর্কের মূল কারণ:
খোলামেলা পোশাকের অভিযোগ: বিজ্ঞাপনে সাদা রঙের লেহেঙ্গা ও চোলি পরেছেন কৃতি। যদিও কৃতীর উপরের অংশটি আদতে ব্রালেট। নেটিজেনদের একাংশের মতে, ভাইয়ের সঙ্গে পারিবারিক উৎসবে এমন রিভিলিং ) পোশাক পরা একেবারেই মানানসই নয়।
রীতি-নীতি বাদ পড়ার ক্ষোভ: বিজ্ঞাপনে কৃতির কপালে ছিল না কোনো সিঁদুরের টিপ, এমনকি ভাইয়ের কপালেও তিলক কাটেননি কৃতী। ঐতিহ্য বাদ দিয়ে শুধুই ‘আধুনিকতা’ দেখানোর নামে এই রীতিলঙ্ঘনকে একেবারেই মেনে নিতে পারেননি অনেকে।
পোষা কুকুরকে আগে রাখি: ভাইয়ের আগে নিজের পোষা কুকুরকে (Pet Dog) প্রথম রাখি পরানোর দৃশ্যটি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেশ কিছু ব্যবহারকারী।
নেটিজেনদের তীব্র প্রতিক্রিয়া:
নেটপাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এই বিজ্ঞাপন ঘিরে। একজন অসন্তুষ্ট ব্যবহারকারী কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন, ‘ভাইকে রাখি পরাতে গিয়ে এমন পোশাক পরা কোনও দিদির শোভা পায় না।’ অন্য একজন কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘এটা রাখি উৎসব, রাখি সাওয়ান্তের শো নয়!’
তবে এই ট্রোলিংয়ের বিপরীতে কৃতির পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। ‘KritiLover’ নামের এক অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে লেখা হয়, ‘অহেতুক ট্রোল করা বন্ধ করুন। সংবেদনশীলতা ও ভালোবাসার বার্তাটা বোঝার চেষ্টা করুন।’
কৃতির কাজের খবর:
বিতর্কের মাঝেই কাজের দিক থেকে সফল কৃতিকে শেষ দেখা গেছে 'ককটেল ২' ছবিতে, যেখানে শাহিদ কাপুর এবং রশ্মিকা মান্দানার পাশাপাশি তাঁর অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। বর্তমানে তিনি তাঁর পরবর্তী ছবির কাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


