Tanishka Tiwari: ‘বলত ডাহা ফেল করবে…’, ক্লাস টেনে ৭৯ শতাংশ নিয়ে পাশ ‘কুসুম’ তনিষ্কার, গর্বে পরিবার
Kusum serial lead actress Tanishka Tiwari: শ্যুটিংয়ের মাঝেই কিন্তু লেখাপড়া করতে হয়েছে কুসুম অর্থাৎ তনিষ্কা তিওয়ারিকে। এমনকী, পরীক্ষার হল থেকেই সোজা চলে আসত শ্যুটে। তাতেও দারুণ ফলাফল। নিঃসন্দেহে খুশি তনিষ্কা ও তাঁর পরিবার।
Tanishka Tiwari CBSE Class 10 Result: কুসুম হিসেবে ছোট পর্দায় জাদু তৈরি করেছেন তনিষ্কা তিওয়ারি। মিষ্টি মেয়েটা তাঁর অভিনয় গুণে বাঙালি দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। তবে আদপে কিন্তু ‘কুসুম’ বড্ডই ছোট। সবেমাত্র দশম শ্রেণি পাশ করল সে। পয়লা বৈশাখের দিন বেরিয়েছে সিবিএসসি-র ক্লাস টেনের রেজাল্ট। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে যে ৭৯ শতাংশ নম্বর পেয়ে দশম শ্রেণির গণ্ডি পেরিয়েছে সে। বলে রাখা ভালো, শ্যুটিংয়ের মাঝেই কিন্তু লেখাপড়া করতে হয়েছে। এমনকী, পরীক্ষার হল থেকেই তনিষ্কা সোজা চলে আসত শ্যুটে। তাতেও দারুণ ফলাফল। নিঃসন্দেহে খুশি তনিষ্কা ও তাঁর পরিবার।

তনিষ্কার প্রোফাইল থেকে খুব সম্ভবত পোস্টটি করেছেন তাঁর পরিবারের কেউ। তিনটি ছবি দেওয়া হয়েছে। খুব সম্ভবত তা দশম শ্রেণির ফেয়ারওয়েলের। দেখা গেল, তনিষ্কার শার্টে বন্ধুরা লিখেছে মনের কথা। কেউ পিঠে, কেউ জামার হাতায়। সঙ্গে নিজেদের সন্তানকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।
সেই পোস্টে লেখা, ‘অনেক অক্লান্ত হার্ডওয়ার্ক, ১৪ ঘন্টা শ্যুটিং, রাত জেগে পড়ে মাত্র ২ ঘন্টা বিশ্রাম দিনের পর দিন তোমার কঠিন পরিশ্রম চোখের সামনে দেখেছি। আর তোমার শ্যুটিংয়ের সবাই জানে শ্যুটের ফাঁকে কীভাবে সময় বের করে পড়তে। যারা বলত, সিরিয়াল করে বোর্ডের পরীক্ষায় পারবে কী করে, ডাহা ফেল করবে, হাসি মুখে কাজ দিয়ে তাদেরও উওর দিয়ে দিলে, যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। তুমি সত্যিকারের যোদ্ধা তনিষ্কা। ভগবান তোমার মঙ্গল করুন। ৭৯ শতাংশ নম্বর, সঙ্গে দুটো বিষয়ে লেটার। তোমার জন্য খুব খুব খুশি। মা, বাবা আর তিওয়ারি পরিবার তোমার সাফল্যে ভীষণ খুশি।’
‘আর সিরিয়াল করেও যে ভালো নম্বর পাওয়া যায়, মনে যদি ইচ্ছাশক্তিটা থাকে। তোমরা সবাই আশীবাদ করো ওকে, জীবনে যেন আরো ভালো কাজ করতে পারে, আর ভালো মানুষ হতে পারে।’, আরও লেখা হয়েছে সেই পোস্টে।
তনিষ্কা তাঁর বোর্ড পরীক্ষা চালাকালীন জানিয়েছিলেন, ‘এখন অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসে যাই। আর পরীক্ষা দিয়ে সোজা শুটিংয়ে আসি। শটের ফাঁকে সময় পেলেই বই নিয়ে বসে যাই।’ তবে ছোট থেকেই যেহেতু নায়িকা হওয়ার শখ, তাই সব কষ্ট করেছেন হাসি মুখে।
তনিষ্কা আরও জানিয়েছিলেন যে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ‘হিউম্যানিটিজ’ নিয়ে পড়তে চান। মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান নিয়ে লেখাপড়া করার ইচ্ছে রয়েছে। ‘ফিল্ম স্টাডিজ’ নিয়ে উচ্চশিক্ষা করার ইচ্ছেও রয়েছে দর্শকদের প্রিয় ‘কুসুম’ অর্থাৎ তনিষ্কার।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


