কনে দেখা আলো-র শেষ দিনে কেক কাটলেন নন্দিনী! সোমরাজ-সাইনা না থাকা উসকে দিল বিতর্ক

লোপামুদ্রা একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেন অনলাইনে, যেখানে দেখা যায় কনে দেখা আলো-র শেষ দিনে কাস্ট অ্যান্ড ক্রু-র সঙ্গে কেক কাটছেন নন্দিনী। তবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না ‘লাজু’ বা ‘অনুভব’। যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে অনেকেই হতাশ।

Published on: Aug 18, 2026, 14:12:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সোমবার হঠাৎ করেই খবর আসে যে, কনে দেখা আলো থেকে সরে যাচ্ছেন নন্দিনী দত্ত। তবে নন্দিনী শো-কে বিদায় জানালেও বনলতা চরিত্রটি শেষ হচ্ছে না এখনই। বরং সেই জায়গায় আসছেন সৌমিলি চক্রবর্তী। এরই মাঝে একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকের শেষ দিনে কাস্ট অ্যান্ড ক্রু-র সঙ্গে কেক কাটছেন নন্দিনী। তবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না ‘লাজু’ সাইনা বা ‘অনুভব’ সোমরাজ। যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে অনেকেই হতাশ।

কনে দেখা আলো-র শেষ দিনেও নন্দিনীর সঙ্গে মন কষাকষি সাইনা-সোমরাজের?
কনে দেখা আলো-র শেষ দিনেও নন্দিনীর সঙ্গে মন কষাকষি সাইনা-সোমরাজের?

ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছে লোপামুদ্রা সিনহার ফেসবুক পেজ থেকে। কনে দেখা আলো-র সেটে সবুজ চুরিদারে দেখা গেল নন্দিনীকে। কদিন আগেই ছিল জন্মদিন। তাই কনে দেখা আলোর শেষ দিনে সেটে সকলের সঙ্গে কেক কেটে করলেন উদযাপন।

লোপামুদ্রাকে বলতে শোনা যায়, ‘যখন কোনো অভিনেতা অভিনেত্রী নেচিবাচক চরিত্রে কাজ করেন, এবং তাঁকে নিয়ে দর্শক মনে ক্ষোভ জন্মায়। তাহলে বুঝতে হবে সেই তারকা যথাযথভাবে কাজ করেছেন। নিজের জাত চিনিয়েছেন। দাপটের সঙ্গে কনে দেখা আলো-য় কাজ করেছেন নন্দিনী দত্ত। যার কারণে মানুষের রাগও হয়েছে। খুব ভালো মেয়ে। আমরা অনেকগুলো দিন কাটিয়েছি।’

দেখা গেল সেটে কাস্ট আর ক্রু মেম্বারদের সঙ্গে কেক কাটছেন নন্দিনী। সুদেব অর্থাৎ মৈনাক ঢোলকে সেই সেলিব্রেশনে দেখা গেলেও, ছিলেন না ‘লাজু’ সাইনা চট্টোপাধ্যায় বা ‘অনুভব’ সোমরাজ মাইতি। আর এভাবে বনলতার শেষ দিনের শ্যুটে সাইনা বা সোমরাজের না থাকা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

লোপামুদ্রার এই ভিডিয়োতে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আজকের দিনটায় অন্তত লাজু অনুভবকে ওর সাথে দেখলে ভালো লাগত। মনকে বিশ্বাস করাতে পারতাম যে তাদের মধ্যে কোনো ঝামেলা হয়নি। তবে এসব শর্ট ভিডিয়োই প্রমাণ করছে যে সিরিয়ালের সেটেও তাদের সাথে নন্দিনীর দ্বন্দ্ব রয়েছে।’

আরেকজন লেখেন, ‘কিন্তু এখন আমার খুব মায়া লাগছে বনলতা থাকবে না বলে। খুব খারাপ লাগছে। ভালো অভিনয় করে বলেই তো খারাপ লাগা তৈরি হয়েছিল, কিন্তু এখন দিদিটাকে দেখতে পাব না বলে ভীষণ মনটা উদাস উদাস লাগছে।’ যদিও কিছু মানুষ দেখা গেল এখানেও ট্রোল করলেন নন্দিনীকে।

প্রসঙ্গত, ধারাবাহিকের শুরুর দিকে 'বনলতা' চরিত্রটি ইতিবাচক দেখানো হলেও, পরবর্তীতে খলনায়িকা বা নেতিবাচক হিসেবে দেখানো শুরু হয়। লিপাড়ার গুঞ্জন, আগে থেকে এই পরিবর্তনের কোনো আভাস না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েই নাকি নন্দিনী সিরিয়ালটি ছেড়েছেন। যদিও নন্দিনী হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েছেন কোনো ধরনের ঝামেলার খবর। সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, এক বছর এই ধারাবাহিকে কাজ করার পর তিনি কেরিয়ারে নতুন ধরনের কাজ করতে চান এবং প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More