Sohini Dasgupta: বৈধব্য যন্ত্রণা ভুলে নতুন জীবনের পথে পা বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর স্ত্রী সোহিনীর, বাগদান সারলেন,হবু বরকে চিনুন
২২ বছর বয়সী সোহিনী ৫৯ বছরের বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর প্রেমে পড়েছিলেন। ২০১৫ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। ৬ বছর পর মৃত্যু হয় প্রবাদপ্রতিম পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর।
প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের প্রয়াণের পর তাঁর স্মৃতি আর চলচ্চিত্র ভাবনাকে পাথেয় করেই এগিয়েছেন স্ত্রী সোহিনী দাশগুপ্ত। বুদ্ধদেবের কাজের সংরক্ষণ এবং স্মৃতি রক্ষায় ব্রতী সোহিনী। তাঁদের অসময় বয়সী প্রেম, বিয়ে নিয়ে একটা সময় কমচর্চা হয়নি টলিপাড়ায়। শেষদিন পর্যন্ত বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। দুজনের বয়সের ফারাক ছিল ৩৬ বছরের। বয়সের এই ফারাক কোনওদিন বাধা হয়নি তাঁদের দাম্পত্যে।

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত তাঁর কাছে ছিলেন অভিভাবক, শিক্ষক, বন্ধু এবং স্বামী। তাঁদের সম্পর্ক ছিল গভীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে। বুদ্ধদেবের কাজের পেছনে সোহিনীরও নিরলস প্রচেষ্টা ছিল। সেই গভীর শোক কাটিয়ে সোহিনী আবার জীবনমুখী হতে চেয়েছেন। তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন দীর্ঘদিনের বন্ধু সুমন রক্ষিত। এবার আংটি বদল সেরে ফেললেন সোহিনী। তাঁরা একে অপরের সাথে বাকি জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সোহিনী ও সুমনের বাগদান অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে। সোহিনী ও সুমন একটি সুন্দর তিন তলা কেক কাটছেন। সোহিনী পরনে গোলাপি রঙের সোনালী জরির কাজ করা সিল্কের শাড়ি, গলায় সোনার গয়না, কানে দুল এবং চুলে ফুলের সাজ। মুখে চওড়া হাসি। সুমনও পরনে হালকা গোলাপি রঙের পাঞ্জাবি। কেকের ওপর ‘HAPPY ENGAGEMENT’ লেখা। তাঁদের মুখে আনন্দের ঝিলিক স্পষ্ট। ছবিগুলো তাঁদের খুশির মুহূর্তগুলো ধরে রেখেছে। অনুষ্ঠানের জায়গাটি সুন্দরভাবে গোলাপি ও সাদা ফুলে সাজানো ছিল। বাগদানের আংটি বদলও হয়েছে অত্যন্ত রোমান্টিক পরিবেশে।

সোহিনীর হবু বর সুমন অস্ট্রেলিয়ানিবাসী। পার্থের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো। ২২ বছর বয়সী সোহিনী ৫৯ বছরের বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর প্রেমে পড়েছিলেন। ২০১৫ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সহকারী পরিচালক, সহকারী চিত্রনাট্যকার হিসাবে কাজ করেছেন সোহিনী। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর মৃত্য়ুর প্রায় ৫ বছর পর নতুন জীবনের পথে পা বাড়ালেন সোহিনী।
সোহিনীর এই সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনের এক নতুন বাঁক। বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের স্মৃতি ও কাজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের জীবনকে নতুন করে সাজাচ্ছেন সোহিনী। রইল শুভেচ্ছা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


