'লাইফ ইজ গন...!: শঙ্কর চক্রবর্তীর পোস্টে শোরগোল, উদ্বেগে টলি ইন্ডাস্ট্রি, সত্যি জানিয়ে কী বললেন অভিনেতা?
‘আমি বহাল তবিয়তে আছি’, অনুরাগীদের আশ্বস্ত করলেন শঙ্কর চক্রবর্তী। তাঁর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে উদ্বেগ। কী সাফাই অভিনেতার?
টলিউডের বর্ষীয়ান ও জনপ্রিয় অভিনেতা শঙ্কর চক্রবর্তী (Shankar Chakraborty)-র এক রহস্যময় সোশাল মিডিয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে মাঝরাতেই চাঞ্চল্য ছড়াল টলিপাড়ায়! স্ত্রীকে হারানোর গভীর একাকীত্ব এবং হাতে মেগা সিরিয়ালের কাজ না থাকার আক্ষেপ নিয়ে কিছুদিন আগেই শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। তার মধ্যেই মাঝরাতে হঠাৎ তাঁর ফেসবুকে ফুটে ওঠে এক আশঙ্কাজনক বার্তা— ‘এখন পার হচ্ছি, জীবন শেষ’!

এই পোস্ট নজর কাড়তেই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ। সহকর্মী থেকে শুরু করে বহু অনুরাগী ভয়ে এবং চিন্তায় মেসেজ ও ফোন করতে শুরু করেন। তালিকায় ছিলেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়-ও!
অসুস্থতা নাকি মানসিক অবসাদ? আসল কারণ জানালেন শঙ্কর:
পোস্টটি ঘিরে চরম বিভ্রান্তি ও আশঙ্কা তৈরি হতেই দ্রুত সাফাই দেন অভিনেতা নিজে। শঙ্কর চক্রবর্তী স্পষ্ট জানান, এটি কোনো চরম সিদ্ধান্ত বা গুরুতর অসুস্থতার বার্তা ছিল না, বরং নেহাতই এক চলতি পথের খেয়াল!
ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন:
'আমি মণিপাল হসপিটাল (Manipal Hospital Dhakuria)-এর সামনে দিয়ে আসছিলাম। ওদের ট্যাগ লাইন হচ্ছে 'Life is on'। তো আমার হঠাৎ মনে হলো 'Life is gone'! ওটা জাস্ট মুখ থেকে বেরিয়ে গেছে, তাই হঠাৎ লিখে ফেলেছি। তাতে অনেকে ভাবছে আমি বোধহয় গেলাম! না না, আমি আছি! কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় থেকে আরম্ভ করে অনেকেই ফোন করেছেন, সবাইকে আশ্বস্ত করছি— আমি বহাল তবিয়তে আছি।'
ইন্ডাস্ট্রিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস:
শঙ্করের এই মজার অথচ গোলমেলে ব্যাখ্যার পর অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে টলিপাড়া ও তাঁর অগুনতি অনুরাগী। স্ত্রী সোমা চক্রবর্তীর প্রয়াণের পর নিঃসঙ্গ জীবন কাটালেও এবং কাজের অভাবের আফসোস থাকলেও, বর্ষীয়ান অভিনেতা যে পুরোপুরি সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন, তা জেনে আশ্বস্ত হয়েছেন সকলেই।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


